শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ পি.এম
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে নায়ক সালমান শাহ। বিশেষ করে ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯ সেপ্টেম্বর এলেই বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে পড়ে যায় এক তরুণ নায়কের মুখ। অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই যিনি ঢালিউডের ইতিহাসে নিজের জন্য তৈরি করেছিলেন আলাদা এক অধ্যায়। তিনি সালমান শাহ। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া স্বপ্নের এই নায়ক ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিন দশক পরও তা ম্লান হয়নি।
সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে শাবনূর তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
পোস্টে সালমান শাহকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয় সালমান শাহ!’ এরপর নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি জানান, সময় অনেক পেরিয়ে গেলেও শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো এখনও তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শাবনূরের কাছে সালমান শুধু জনপ্রিয় একজন নায়ক ছিলেন না, ছিলেন অসাধারণ হৃদয়ের একজন মানুষ।
শুটিং সেটে সহকর্মীদের সঙ্গে সালমানের আচরণ কেমন ছিল, সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ভাষ্য, ইউনিটের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অভিনয়শিল্পী—কাউকেই ছোট করে দেখতেন না সালমান। বরং সবার খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং আপন করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজের আলাদা মানবিক পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি।
শাবনূর লিখেছেন, ‘শুটিং ইউনিটের কর্মী হোক কিংবা সাধারণ অভিনয়শিল্পী কাউকেই কখনো ছোট করে দেখতে না। সবার খোঁজ নিতে, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে এবং আপন করে যত্ন নিতে।’
সালমানের সেই মানবিকতাকেই তার দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে স্মরণ করেছেন শাবনূর। তার মতে, সুন্দর মনের এই মানুষটির কারণেই এত বছর পরও মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জায়গা করে আছেন তিনি।
সময়ের দূরত্ব পেরিয়ে সালমান কীভাবে এখনো তার স্মৃতিতে ফিরে আসেন, সেটিও জানিয়েছেন শাবনূর। পুরনো কোনো গান কিংবা সালমান অভিনীত কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লেই নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলো যেন আবার ফিরে আসে বলে জানান তিনি। শাবনূরের কথায়, ‘পুরনো কোনো গান শুনলে কিংবা তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হয়, তুমি যেন আবার ফিরে এসেছ সেই সোনালী দিনগুলোতে।’
প্রিয় সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও জান্নাত প্রার্থনা করেছেন শাবনূর। একই সঙ্গে সালমান শাহকে নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা অসম্মানজনক মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শাবনূর বলেন, ‘প্রিয় সালমান শাহকে নিয়ে আমরা কেউ যেন কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক মন্তব্য না করি। একজন প্রয়াত মহান শিল্পীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান সব সময় অটুট থাকুক। তার অমর স্মৃতিকে ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গেই হৃদয়ে ধরে রাখি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মৌসুমীর বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। পর্দায় তার স্মার্ট উপস্থিতি, অভিনয়শৈলী ও আলাদা ব্যক্তিত্ব খুব দ্রুতই দর্শকের নজর কাড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর বেশির ভাগ সিনেমাই পেয়েছিল দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য। তবে তার নায়িকাদের মধ্যে শাবনূরের সঙ্গে জুটিই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের পর্দার রসায়ন নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সালমান-শাবনূর জুটি পরিণত হয়েছিল ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটিতে। সালমান শাহ চলে গেছেন বহু বছর আগে। কিন্তু তার সিনেমা, গান, অভিনয় আর ব্যক্তিত্বের স্মৃতি এখনো দর্শকের কাছে জীবন্ত।
তাহলে জন্মদিন এলেই নতুন করে উচ্চারিত হয় সেই নাম—সালমান শাহ। সহকর্মীদের স্মৃতিচারণা আর ভক্তদের ভালোবাসায় আজও তিনি ফিরে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সোনালি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ২০২৬-২৭ ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হবে চার দিনের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে। এর অংশ হিসেবে ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ।
সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার পাঁচটি ভেন্যুতে, যার মধ্যে রয়েছে বিকেএসপি, পিকেএসপি ও বসুন্ধরা।
এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য হলো আরও বেশি সংখ্যক খেলোয়াড়কে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ প্রদান করা এবং জাতীয় দলের কাঠামোর বাইরে থাকা ও নিচের স্তরের লিগের খেলোয়াড়দের নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য একটি বাড়তি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল গত এপ্রিলে সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা জাতীয় দল ও প্রতিষ্ঠিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সুযোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে করা হয়েছে।
জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা নিয়মিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ও এনসিএল-এর মতো একাধিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের খেলোয়াড়দের নিজ নিজ লিগের বাইরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গত বুধবার চার দিনের এনসিএল ২৮তম আসরের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
এনসিএল ৩ অক্টোবর আটটি বিভাগীয় দলের অংশগ্রহণে আটটি ভেন্যুতে শুরু হবে এবং এটি প্রায় দুই মাস ধরে চলবে। ১৭ নভেম্বর শেষ রাউন্ডের ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটবে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এনসিএল-এর চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী রাউন্ডে মিরপুরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর মুখোমুখি হবে ঢাকার, একই দিনে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খুলনা লড়বে বরিশালের বিপক্ষে।
এছাড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম মুখোমুখি হবে রাজশাহীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগর পুলিশের প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি টুর্নামেন্টে পুরুষ বিভাগে কোতয়ালী থানা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে, আর কাউনিয়া থানা দল রানার আপ হিসেবে সম্মানিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিএমপি’র পুলিশ লাইন্স মাঠে একটি আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে মহিলা গ্রুপের প্রতিযোগিতায় কাউনিয়া থানা দল কোতয়ালী থানা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব লাভ করে। কাউনিয়া মহিলা দলের খেলোয়াড় ঝর্ণা শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের মর্যাদা অর্জন করেন।
পরে পুরুষ দলের খেলায় কোতয়ালী থানা দল ৬৫-২৪ পয়েন্টের ব্যবধানে কাউনিয়া থানা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিজয়ী দলের ইমরান শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের ট্রফি লাভ করেন।
মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মোহম্মদ ছালেহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দল এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে পারিবারিক কলহের কারণে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে, যখন তারা নিজেদের টিনশেড বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—সিদ্দিক মেম্বার (৬০), তার ছেলে সৌদি প্রবাসী মো. ইমন (২৫), দুই ভাগ্নে মো. রাজিব (৩৫) ও মো. দুলু ওরফে আরিফ (৩৬) এবং ভাতিজি তানিয়া (১৭)। রাজিব ও দুলু পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, আর তানিয়া স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দগ্ধ সিদ্দিকের মেয়ে সুলতানা জানান, তিন দিন আগে ময়লা পানি ফেলা, ঝাড়ু দেওয়া এবং চুলায় রান্না করা নিয়ে তার ছোট বোন সাথী ও মামাতো ভাবি সোনিয়ার মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
শুক্রবার তার ভাই ইমন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। ওই ঘটনার পর শনিবার বিকালে রাগের মাথায় ইমন ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে ইমনসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন।
পরে তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, ইমনের ৯০ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, দুলুর ৮ শতাংশ এবং তানিয়ার ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিন্সেস অফ ওয়েলস, ডায়ানার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও, তাঁর স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে যে ক্ষত এখনও শুকায়নি, তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ডায়ানার ভাই আর্ল স্পেন্সারের লেখা নতুন একটি স্মৃতিকথা প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে ব্রিটিশ রাজপরিবার এবং স্পেন্সার পরিবারের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।
‘সওয়ান সং: ডায়ানা, মাই সিস্টার’ (Swan Song: Diana, My Sister) শিরোনামের এই নতুন বইটিতে আর্ল স্পেন্সার রাজপরিবারের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন। বইটির তথ্য অনুযায়ী, ডায়ানার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স চার্লস নাকি ফোনে স্পেন্সারকে বলেছিলেন, "আমরা খুব দ্রুতই তাঁকে ভুলে যাব।" এছাড়াও, বোন হারানোর খবরের পর চার্লসের কণ্ঠস্বরকে "অত্যধিক আনন্দিত" বা লটারি বিজয়ীর মতো শোনার দাবি করেছেন তিনি।
সাধারণত রাজপরিবারের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানানো হয় না, তবে এবার নীরবতা ভেঙেছে বাকিংহাম প্যালেস। রাজপ্রাসাদের পক্ষ থেকে আর্ল স্পেন্সারের এই দাবি ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে নাকচ করা হয়েছে। বাকিংহাম প্যালেসের এক বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, স্বজন হারানোর গভীর শোক অনেক সময় মানুষের স্মৃতি ও বিচারবুদ্ধিকে প্রভাবিত করে।
১৯৯৭ সালের গ্রীষ্মে প্যারিসে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনায় ডায়ানার মৃত্যুর পর রাজপরিবারের প্রতি জনরোষ চরম আকার ধারণ করেছিল। ডায়ানার শেষকৃত্যে আর্ল স্পেন্সারের দেওয়া বিস্ফোরক ভাষণ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের ভেতরের পরিবেশ স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
রাজপরিবারের বিশেষজ্ঞ ও ইতিহাসবিদদের মতে, আগামী বছর প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর ৩০ তম বার্ষিকী সামনে রেখে এই স্মৃতিকথার প্রকাশ রাজপরিবারের তিন দশকের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তবে সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ (YouGov) অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষ এই ইস্যুতে বিভক্ত—৩১ শতাংশ আর্ল স্পেন্সারকে বিশ্বাস করছেন, ৩৬ শতাংশ রাজপরিবারের পক্ষ নিচ্ছেন এবং ৩৩ শতাংশ অনিশ্চিত।
সব মিলিয়ে, ডায়ানার স্মৃতির ট্রমা যে কেবল তাঁর দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারির জীবনেই প্রভাব ফেলেনি, বরং পুরো রাজপরিবার এবং স্পেন্সার পরিবার আজও সেই অতীতের ছায়া থেকে বের হতে পারেনি—এই নতুন বই তারই প্রমাণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ