শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৮ পি.এম
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় অধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন এমপি মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আবারও ঘটছে। আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছেন।
শুক্রবার, ব্যক্তিগত কার্যালয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে উন্মুক্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার হাটকড়ই ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন। তিনি কলেজের নবনির্মিত প্রধান ফটক (গেট) ফলক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোছা. মোত্তাহারুন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার। কলেজ চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আলেকজান্ডার, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম সুমন, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও যুবদল নেতা আব্দুর রউফ রুবেল, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম, ইয়াছিন আলী, গোলাম হোসেন, মাহবুবুল আলম, নজরুল ইসলাম, যুবদলের আরিফুল ইসলাম মজনু, গোলাম রব্বানী, মেহেদী হাসান শাহীন, উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, সাধারণ সম্পাদক আরএইচ নূরনবী, মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত দেশের ক্ষতি করছে এবং তারা তারেক রহমানের পরিকল্পনাকে বাঁধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, "শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে যেভাবে কথা বলে জামায়াতও একই ভাষায় কথা বলে।" জামায়াত লংমার্চের নামে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, জামায়াতের ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। বিরোধীদল সংসদে এক কথা বলে, কিন্তু বাইরে এসে ভিন্ন কথা বলে। "তাদের অন্তরে এক বাইরে আর এক।" নির্বাচনের সময় তারা বলেছিল, মানুষকে বেহেস্তে নিয়ে যাবে, অথচ নারীদেরকে হোটেলে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, অতীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে রাজপথে মোকাবেলা করেছি এবং পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের সকল ষড়যন্ত্রকেও রাজপথে মোকাবেলা করে নস্যাৎ করা হবে।
সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করীম পলসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হয়ে মোসা. নাসরিন (৩০) নামের একজন নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামিম আহমেদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাসরিনের মৃত্যু ঘটে। নাসরিন রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার সুলতানাবাদ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে নাসরিনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তাকে হাসপাতালের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন করে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৪০ জন রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব অনুযায়ী, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১৫ জন কমেছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রামেক হাসপাতালে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামিম আহমেদ মন্তব্য করেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৪০ জনকে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল ও রিমান্ডে ব্যাপক নির্যাতনের অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে কারাগারে আলো-বাতাসহীন একটি সেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে কারারক্ষী ও কয়েদিরা তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালাগাল করত।
এনসিপির এই নেতা বলেন, কারারক্ষীরা আওয়ামী লীগের সমর্থক দাবি করে। তাদের বেশিরভাগই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাসিন্দা এবং তারা তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালাগাল করত। আশপাশের কয়েদিরাও সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগের আসামি। তারাও তাকে বিভিন্নভাবে অপমান করত।
তানভীর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলে এবং রিমান্ডে তাকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে যে, নির্যাতনের কথা বাইরে বললে তার পরিবারের সদস্যদের গুম করে ফেলা হবে। তবুও তিনি সত্য তুলে ধরতে এসেছেন এবং বলেন, "আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না, সত্য সবার সামনে তুলে ধরতে চাই।" তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র ও সরকারের মধ্যে খুনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলের কালো ছায়া আগের মতোই রয়ে গেছে, জেলে গিয়ে তার প্রমাণ তিনি পেয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি এসব জাতির সামনে তুলে ধরতে উপস্থিত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট যেদিন প্রথম জেলে নেওয়া হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে অন্যদের ভালো খাবার দেওয়া হলেও তাকে দুই দিনের পচা খাবার দেওয়া হয়েছিল। কারাগারে এমন পচা খাবার দেওয়া হতো, যা খাওয়ার অযোগ্য ছিল। একপর্যায়ে তার ডায়রিয়া হয়ে যায়। চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে ডাক্তার যে ওষুধ লিখে দিয়েছিলেন, তা তাকে দেওয়া হয়নি। বরং অজানা ওষুধ খেতে হয়েছে। তার শরীরে অসংখ্য ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে এবং তিনি জানেন না এসব ইনজেকশন কিসের। অন্তত ৭০–৮০টি ইনজেকশন তাকে দেওয়া হয়েছে এবং সারাক্ষণ জ্বর থাকত, তবুও তারা তাকে ইনজেকশন দিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে একটি পর্যটন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও, দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের সূচনা লগ্নে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। পর্যটকদের এই উপস্থিতিতে সৈকতজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, পর্যটন দিবসের শুরুতেই বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমন চলতি পর্যটন মৌসুমের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা প্রদান করছে। তাদের প্রত্যাশা, মৌসুমের শুরুটা ভালো হওয়ায় পরবর্তী দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পুরো পর্যটন মৌসুম জমজমাট হয়ে উঠবে।
অন্যদিকে, বিশ্ব পর্যটন দিবসে পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে কিছু অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখা গেছে। যত্রতত্র গরু-ঘোড়া ঘোরাফেরা, টুকাই ও ভিক্ষুকদের উৎপাতের কারণে অনেক পর্যটককে বিরক্ত ও অস্বস্তিতে পড়তে দেখা গেছে। পর্যটকদের অভিযোগ, বিশ্বের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্রের সৈকতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি পর্যটনবান্ধব পরিবেশকে ব্যাহত করছে। তারা সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
পর্যটকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে এ ধরনের দৃশ্য মোটেই কাম্য নয়। বিশেষ করে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সামনে সৈকতে গরু-ঘোড়ার অবাধ বিচরণ এবং টুকাইদের উৎপাত পর্যটনবান্ধব পরিবেশকে ব্যাহত করছে। তারা এ বিষয়টিকে সৈকত ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা হিসেবেও দেখছেন।
পর্যটকরা বলেছেন, সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং গরু-ঘোড়ার অবাধ বিচরণ ও টুকাইদের উৎপাত বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পর্যটক ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, বিষয়টি ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরির নজরে আনা হয়েছে। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
পর্যটন শিল্পকে ঘিরে কক্সবাজারে গড়ে উঠেছে ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট নানা প্রতিষ্ঠান। এ খাতকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ