শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) ফল ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে একটি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সুযোগগুলোকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর জন্য আহ্বান করেন। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শেখার সুযোগ গ্রহণ, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং ভবিষ্যতে সমাজে অর্থবহ অবদানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় ইউল্যাবের লিবারেল আর্টস-ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসাও করেন তিনি।
ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধুমাত্র ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ওরিয়েন্টেশনে নবীন শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে দেওয়া বকুল ফুলের বীজসমৃদ্ধ ‘সিড বক্স’ সম্পর্কে উপাচার্য পরিচয় করিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিকাশ ও রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বীজগুলো রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে গাছের বেড়ে ওঠার সঙ্গে নিজেদের বিকাশের গল্প ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ জন্য ইউল্যাবের ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ পেজ রাখা হয়েছে।
নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে মারভিয়া ফাতেমা ভূমি ইউল্যাবে তার নতুন যাত্রা নিয়ে অনুভূতি ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিওয়াইডি বাংলাদেশের ম্যানেজার (ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ডিজিটাল) শেখ শাহনুমা শারমিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য। এছাড়া রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, অ্যালামনাই এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কোক স্টুডিও বাংলার উপস্থাপনায় ইমন চৌধুরী অ্যান্ড বেঙ্গল সিম্ফনির বিশেষ সঙ্গীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে নাগরিকত্ব সনদ দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আসা এক যুবকের কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে ওই দুই ব্যক্তিকে ইউএনওর কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বাক্ষর জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। এরপর তাদের আটক করে পুলিশে পাঠানো হয়।
আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন পৌরসভার নতুন বাজার এলাকার ‘সুমন কম্পিউটার অ্যান্ড ফটোস্ট্যাট’-এর মালিক সাইদুর জাম্মান সুমন (৪০) এবং অপরজন মনির হোসেন (৫১)। সাইদুর জামানের ছেলে পূর্ব জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা। মনির হোসেন মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ধীতপুর এলাকার সিদ্দিক মোল্লার পুত্র।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুহিম হোসেন রোহান নামের এক যুবক বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে নতুন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর নাগরিকত্ব সনদে ইউএনওর স্বাক্ষর অগোছালো মনে হয়। পরে তাঁকে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইউএনওর কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্বাক্ষর জাল করার বিষয়টি প্রকাশ পায়।
বিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) শামিম আল মামুন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। রাতে পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করেছেন।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক তানজিনা খাতুন বলেন, তাঁর স্বাক্ষর জাল করে এক যুবককে নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য পৌরসভার নাগরিকত্ব সনদ প্রদান করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গালাগালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে, বাক স্বাধীনতা অবারিত। কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার, বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার এ আহ্বান জানান। এ সময় সংসদ সদস্যরা মুহুর্মুহু টেবিল চাপড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই না দেশের জনগণের কাঁধে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসন চেপে বসুক। ঠিক তেমনি কোনো বিবেকবান মানুষ, দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ অবশ্যই চান না আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গালাগালিতে পরিণত হোক। এ জন্য দল-মত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।'
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, 'পারিবারিক পরিবেশে আমরা যে সকল কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না, কেন আমরা জনপরিসরেও সেই শব্দগুলো ব্যবহার করব? কেন আমরা জনপরিসরেও সেই শব্দগুলোকে পরিহার করব না? সংসদের সকল সদস্যের কাছে, দেশের সকল বিবেকবান নাগরিকের কাছে এ প্রশ্ন রেখে যেতে চাই।'
তিনি বলেন, 'আমরা যদি সত্যিই সবাই এ ব্যাপারে একমত হই, তবে আসুন আমরা গালাগালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা গ্রহণ করি।'
আমাদের মধ্যে বিরোধ-বিভেদ ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি দলই বলি, বিরোধী দলই বলি আমরা সবাই মিলে আসুন একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তুলি। সে কারণে সবসময় আমি বলার চেষ্টা করি, আমি বলে থাকি ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির মধ্যে বিভেদ-বিরোধ কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকেই পুনরুজ্জীবিত করতে পারে, সেই পথকেই সুগম করতে পারে, এটি যেন আমরা ভুলে না যাই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থেই শহীদদের প্রতি কর্তব্যের অংশ হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।'
তিনি বলেন, 'গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় আমাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকবে। সারা পৃথিবীতেই সেটি থাকে। রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও থাকবে। এটিও ডেমোক্রেটিক প্র্যাকটিস। কিন্তু ভিন্ন মত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
সংসদ সব কর্মের কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বর্তমান সংসদকে আমরা সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু করতে চাই। এই অধিবেশনে যে আলোচনাগুলো আমরা করেছি।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের কারও সদিচ্ছার যে অভাব ছিল না, সেটি নিশ্চয়ই প্রমাণিত হয়েছে। আমরা উভয়পক্ষ দেশ এবং দেশের জনগণের স্বার্থে যে কাজ করছি, দেশ এবং দেশের জনগণের স্বার্থে যে আলোচনা করেছি, কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার চেষ্টা করেছি, সে ব্যাপারে আমার কোনো বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
তিনি বলেন, 'এই জাতীয় সংসদকে কার্যকর এবং প্রাণবন্ত রাখার জন্য আমি আজ উপস্থিত সকল সংসদ সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। প্রত্যেকটি গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রত্যাশা এই জাতীয় সংসদের কাছে। এই জাতীয় সংসদে আলোচনা করে জনগণের সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব করবে, এই সংসদ তাদের জন্য শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, এটিই জনগণের প্রত্যাশা।
দেশের অর্থনীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালে জনগণের রায় প্রত্যাখ্যাত অপশক্তি ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ২০০৯ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে।
তারা জনগণের অধিকারকে কেড়ে নেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালানোর আগে পর্যন্ত তাদের দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারের কারণে বাংলাদেশকে ঋণখেলাপের অপবাদ সইতে হয়েছে। এই ঋণখেলাপির অভিশাপ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার দায়িত্ব এখন বিএনপির কাঁধে পড়েছে।'
তিনি বলেন, 'এরা পালিয়ে গেছে কিন্তু এই ঋণ রেখে গেছে এই দেশের কাঁধে, এই দেশের জনগণের কাঁধে।
পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টরা শুধু ঋণখেলাপি করেনি বরং ঋণখেলাপির পরিমাপের যে হিসাব-নিকাশ, সেটির মধ্যেও তারা জালিয়াতি করেছে। এমন পরিস্থিতিতেই বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে ঋণখেলাপির অভিশাপ থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বর্তমানে ঋণখেলাপির অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ। বিগত নির্বাচনের পরে যেখানে ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল, সেখানে এটি নেমে এসেছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করেছে বর্তমান বিএনপি সরকারের অধীনে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ফ্যাসিস্ট চক্রের অনাচার, লুটপাট, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের কলঙ্ক থেকে বিএনপি যেভাবে বাংলাদেশকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিল, একই চক্রের কারণে ২০২৪ সালে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ঋণখেলাপির যে কলঙ্ক, এর থেকেও বিএনপি বাংলাদেশকে ইনশাল্লাহ মুক্ত করে নিয়ে আসবে।'
তিনি বলেন, 'বিদেশি ঋণের ভারে জর্জরিত একটি রাষ্ট্র আমরা পেয়েছি। যারা বাংলাদেশকে ঋণের ভারে জর্জরিত করেছে, তাদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশকে এখনো সেই ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমান সরকার গত পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণের আসল এবং সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লক্ষ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে। যদিও ফ্যাসিবাদের লুটতরাজ, টাকা পাচারের কারণে এখনো দেশের কাঁধে জনগণের কাধে হাজারো কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ বাকি রয়ে গেছে।'
বিকেল তিনটায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। মাগরিবের নামাজের পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সংসদ অধিবেশন সমাপনী সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ সংসদে পাঠ করে শোনান।
সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশনের সমাপনী দিনে প্রথমে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে অব্যাহত থাকবে।
এ তথ্য নির্বাচন কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ প্রকাশ করা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (সর্বশেষ সংশোধন ২০২৫) (আরপিও) অনুযায়ী, মূলত চার শ্রেণির ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এই শ্রেণিগুলো হলো, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি দায়িত্বে বা চাকরিসূত্রে নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে আটক বন্দি এবং নিজ কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যারা প্রবাসী ভোটার হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে ভোটদানে সম্মতি নিশ্চিত করা হবে। এরপর ভোটারদের বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হবে। তাছাড়া, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রবাসী ভোটাররা অ্যাপটির মাধ্যমে নতুন করে নিবন্ধন করে পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন।
দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা গত জাতীয় নির্বাচনে নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের এসএমএস-এর মাধ্যমে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সম্মতি নিশ্চিত করে হালনাগাদ ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হবে। যারা আগে নিবন্ধন করেননি, তারা নতুন করে নিবন্ধন করে পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া, উপনির্বাচনের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ভোট দিতে পারবেন।
এদিকে, জেলখানায় আটক ভোটাররা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একই প্রক্রিয়ায় জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উপনির্বাচনে নিবন্ধন করে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংশ্লিষ্ট ভোটাররাই নিবন্ধন করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ