সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান চরম বৈরিতা এবং সামরিক সংঘাত সত্ত্বেও, তেহরানের ইহুদিদের দৈনন্দিন জীবন এবং শিক্ষা কার্যক্রমে একটি ভিন্ন চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। তেহরানের একটি ইহুদি অধ্যুষিত বিদ্যালয়ে, ইহুদিদের ধর্মীয় প্রতীকের পাশে সম্মানের সঙ্গে টাঙানো রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি।
মার্কিন প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর একটি বিশেষ অনুসন্ধানী ভিডিও প্রতিবেদনে, ইরানের রাজধানী তেহরানের ইহুদিদের জীবনযাত্রার এই ব্যতিক্রমী ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মুসা ইবনে ইমরান’ বালক বিদ্যালয়ের পরিদর্শনের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সেখানে শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে একদিকে ইহুদি সংস্কৃতির একটি প্রধান প্রতীক ঐতিহ্যবাহী মেনোরাহ এবং ঠিক তার পাশেই রয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতিকৃতি।
বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় সকলেই ইহুদি ধর্মাবলম্বী। তবে সেখানে শিক্ষকতায় নিয়োজিত রয়েছেন ইহুদি ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের শিক্ষকেরা। ইরানি সাধারণ জাতীয় পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি, শিক্ষার্থীরা সেখানে তাদের ধর্মীয় অনুশাসন এবং হিব্রু ভাষার পাঠ গ্রহণ করছে। ধর্মীয় উৎসবের নির্দেশিকাগুলোও তাদের ফার্সি ও হিব্রু—উভয় ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
একইভাবে, ইহুদি বালিকা বিদ্যালয়ের পরিবেশেও ধর্ম এবং স্থানীয় সংস্কৃতির এক অদ্ভুত মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা ফার্সি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে মেতে ওঠার পাশাপাশি নিয়ম মেনে হিজাব পরিধান করছে, যা দেশের নিয়ম অনুযায়ী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে স্থানীয়ভাবে কোনো শত্রুতা নেই; বরং তারা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে।
সিএনএন-এর প্রতিনিধি জানান, বাহ্যিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে ইরান সম্পর্কে যে ধরনের ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তেহরানের ইহুদি স্কুলের এই দৃশ্যপট তার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অপ্রত্যাশিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করার কারণে আদালত বাদী শাহিনুর বেগম নামে এক নারীর জন্য ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে। একই সাথে, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৭ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিনুর বেগম (৩৮) আলফাডাঙ্গা উপজেলার যোগীবরাট গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
২০২৪ সালের ১৮ মার্চ, শাহিনুর বেগম আলফাডাঙ্গা থানায় একই এলাকার বাসিন্দা সাগর মোল্যা (২২) ও ইকরামুল মোল্যার (২০) বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ রাত ১০টার সময় গৃহবধূ শাহিনুর বেগম বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় সাগর মোল্যা ও ইকরামুল মোল্যা পেছন থেকে এসে গৃহবধূকে জাপটে ধরে এবং টানা হেচড়া করে যৌন হয়রানি করে।
গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে, এবং লোকজন আসতে দেখে সাগর ও ইকরামুল পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর, ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ শাহিনুর বেগম বাদি হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে মামলাটির সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন বাদী শাহিনুর বেগম। আসামী পক্ষের আইনজীবীদের জেরার সময় বাদী শাহিনুর বেগম যে মামলাটি দায়ের করেছেন তা মিথ্যা, তার প্রমাণ উঠে আসে।
মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগে অভিযুক্ত করে আদালতের বিচারক শাহিনুর বেগমকে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করার অভিযোগে অভিযুক্ত করে আদালতের বিচারক শাহিনুর বেগমকে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মনে করেন যে, এই রায়ের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনা কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, সরকার মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীতে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা দ্বীন শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। এটা আমাদের জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।”
তিনি আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম শিক্ষার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, “নাহলে আগামীর যে বাংলাদেশ আমরা চাচ্ছি সেটা পাবো না।”
এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, “মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে কীভাবে আধুনিক করা যায় সেটার জন্য আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছি। আজকের সমাজে আমাদের বেঁচে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার, যানজট নিরসন, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি উঠেছে। বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এসব দাবি তুলে ধরেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পূর্বধলা পাটবাজারে বাজার বণিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত সাধারণ সভায় এসব দাবি জানানো হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম ও পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাজার বণিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল গফুর। সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহামেদ বাবু।
সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বলেন, বাজারের পরিবেশ উন্নত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, যানজট নিরসন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। এ ছাড়া রাতের পাহারা জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট কমাতে নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং কাঁচাবাজার স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের তালুকদার বলেন, নবগঠিত কমিটিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে বাজারের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত পাহারার ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুন কমিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে উপজেলা প্রশাসন। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।
তিনি বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট নিরসনে স্ট্যান্ড স্থাপন ও কাঁচাবাজার স্থানান্তরসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, রুহুল আমিন ফকির, হাবিবুর রহমান হাবিব, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, উপজেলা বিএনপির সদস্য আশরাফ উদ্দিন তালুকদার, পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বুলবুল, ধান ব্যবসায়ী তরুণ কুমার রায়সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বাজারের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারের পরিবেশ ও ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, যা অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে। এখন থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যক্রম তামাক নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত জাতীয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে পরিচালিত হবে।
সোমবার, রাজধানীর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানটির সেবা নিতে আসা নাগরিকদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় ৭০০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে ও মৃত্যু ঘটায়।" তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকের কারণে প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। গ্যাটসের তথ্যমতে, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২.৭ শতাংশ ও সরকারি কার্যালয়ে ২১.৬ শতাংশ অধূমপায়ী নারী-পুরুষ পরোক্ষ ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। এর মধ্যে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ ধূমপান করে এবং প্রায় ৪ কোটি মানুষ ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি, ৪২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। সুতরাং, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সকল পাবলিক প্লেসকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানেও শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিধিমালা প্রণীত হলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্পষ্ট নির্দেশনা পাবে।
এ সময় বক্তারা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানান। তারা বলেন, "বিধিমালা প্রণয়ন বিলম্বিত হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলোর সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে দেরি হবে।"
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সহকারী ডা. নায়লা পারভিন, আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ