বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:২২ পি.এম
আগামী বছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু হবে এটি জানানো হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনে, যেখানে কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, এমপি সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকের সূচনা পর্বে পরিচিতি পর্ব পালন করা হয়। এরপর সরকার গত ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নানা কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
সভায় আলোচনা করা হয় নদীভাঙন রোধে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ, বৃক্ষরোপণের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে। বৈঠকে জানানো হয় যে, ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প একনেকের অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়া ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে কমিটিকে জোরালো আশ্বাস দেয়ার বিষয়টি অবহিত করা হয়।
বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়নকাল এবং অর্থ বরাদ্দসহ বিস্তারিত তথ্য কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মোট ৭ হাজার ৮৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মেয়াদ, অর্থ বরাদ্দ এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিস্তারিত তালিকা সভায় উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে নিশ্চিত করা হয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে এবং বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ এবং সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। জনগণের জন্য সরকারি সেবার মানোন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং কমিটির সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন, এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ ফরিদ, মুন্সী রফিকুল আলম, মো. ইজ্জত উল্লাহ্, মো. মশিউর রহমান খান এবং মো. অলি উল্লাহ্। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার মহাপরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংস্থাসমূহের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় আদালতে চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে, তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এই রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন- রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও হীরা মিয়া এবং সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদ। উল্লেখ্য, তাদের মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মজিদ ইতিমধ্যে মারা গেছেন।
মামলার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামছুজ্জোহা শাহানশাহ জানিয়েছেন, মামলাটিতে অভিযুক্ত ১৪ জন আসামির মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে, অপর ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণের পর এ রায় প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয়বিষয়ক কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গাজার অর্ধেকের বেশি মানুষ পানীয় পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
ওসিএইচএর বিরুদ্ধারণ, গাজার ১৩ লাখেরও বেশি মানুষ দৈনিক পান করা ও রান্নার জন্য মাথাপিছু ৬ লিটারেরও কম পানি পাচ্ছেন। জরুরি পরিস্থিতিতে, একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত ১৫ লিটার পানি প্রয়োজন, যা মানবিক সহায়তার মানদণ্ডে বলা হয়েছে।
এছাড়া, গাজার প্রায় ৭ লাখ মানুষ মাথাপিছু ৯ লিটারেরও কম পানি পাচ্ছেন প্রতিদিন। এর ফলে তাদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয়তা মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে ওসিএচএ জানিয়েছে।
জাতিসংঘের সংস্থা বলছে, পানি সংগ্রহের কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। একই সঙ্গে পানি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পাত্র নেই। অনেক ক্ষেত্রেই শিশুদেরই পানি বহনের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।
গাজার প্রতি চারজনের মধ্যে প্রায় তিনজন পানির জন্য ট্যাংকারের ওপর নির্ভরশীল। গত মাসে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো গাজাজুড়ে প্রতিদিন আড়াই হাজারের বেশি পানি সংগ্রহের পয়েন্ট এবং শতাধিক বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে পানি সরবরাহ করেছে।
স্যানিটেশন ব্যবস্থার পরিস্থিতিও ভয়াবহ। ওসিএইচএ জানিয়েছে যে গাজার মাত্র অর্ধেক পরিবারের জন্য মৌলিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি ৯ লাখেরও বেশি মানুষ আবাসিক এলাকায় জমে থাকা বর্জ্যের সংস্পর্শে রয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্যে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার অভাবে গাজায় স্বাস্থ্যবিধির পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।
এদিকে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর গাজায় ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলের বাহিনী। গাজার উত্তরে, দক্ষিণে ও মধ্যাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ছয় ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। বুধবারের হামলাগুলোকে গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সর্বশেষ লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় পশ্চিমাঞ্চলীয় গোলচত্বরের কাছে একটি টুকটুককে লক্ষ্য করে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। আল-শিফা হাসপাতালের একটি চিকিৎসা সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছে, আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রাথমিকভাবে চিকিৎসাসূত্র জানিয়েছিল, আহত দুজনের একজন নিহত হয়েছেন। পরে তারা নিশ্চিত করে, তিনি নিহত নন, গুরুতর আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে বেসামরিক মানুষের একটি জমায়েত লক্ষ্য করে ইসরাইলি ড্রোন থেকে গ্রেনেড ছোড়া হলে এক বৃদ্ধ ও এক শিশু আহত হন। নাসের হাসপাতালের একটি চিকিৎসাসূত্র জানিয়েছেন, তাদের আঘাত মাঝারি ধরনের।
সাম্প্রতিক দিনে গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলা এবং লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কমেছে বলে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকার মধ্যেও ইসরাইল তা লঙ্ঘন করে চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বোর্ড অব পিস’ অনুমোদিত এবং হামাসের গ্রহণ করা ১৫ দফা পরিকল্পনা ইসরাইল বাস্তবায়ন করছে। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রোববার ওই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ২৫৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ১৪৮ জন আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে উপত্যকাটিতে ৭৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। নিহত ও আহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। জাতিসংঘের মতে, উপত্যকার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুনর্গঠনে প্রায় ৭ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। আন্তর্জাতিক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছর জার্মানিতে অতিরিক্ত গরমের কারণে মৃত্যু এযাবৎকালের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা রবার্ট কচ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এপ্রিলের শুরু থেকে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তাপপ্রবাহজনিত কারণে অন্তত ১২ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৬ সালে এই সংক্রান্ত পরিসংখ্যান রাখা শুরুর পর থেকে এটি একটি একক বছরে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংস্থাটির মতে, এটি একটি প্রাথমিক ও রক্ষণশীল হিসাব হওয়ায় প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির রাইনল্যান্ড-পালাটিনেট এবং সারল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে দাবদাহের প্রকোপ ছিল সবচেয়ে বেশি। দেশজুড়ে যেখানে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে গড়ে ১৫ জন মারা গেছেন, সেখানে এই দুটি রাজ্যে মৃতের হার ছিল প্রতি লাখে প্রায় ৩৯ থেকে ৪৩ জনের মতো। মূলত বয়োবৃদ্ধদের জন্যই এই তাপদাহ সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী প্রমাণিত হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট মৃতের বড় একটি অংশই ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রবীণ নাগরিক।
বিশ্লেষকরা জানান, জুনের শেষের দিকে হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র তাপদাহই প্রাণহানির সংখ্যা এতটা বাড়িয়ে দিয়েছে। জুনের ২২ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যকার মাত্র এক সপ্তাহেই প্রায় ৯ হাজার ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যখন দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে সাধারণত সাপ্তাহিক গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলেই তা মানুষের শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধা আয়োজিত ‘মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ’ বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেছেন, যে দেশের মাটিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুয়ে আছেন, যে দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—সেই দেশে মাদক কোনোভাবেই প্রশ্রয় পেতে পারে না।
তিনি বলেন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ থেকে শিক্ষার্থী, তরুণ ও আগামী প্রজন্মকে দূরে রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা উচিত।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধা আয়োজিত ‘মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, গাইবান্ধায় অনেক আলোকিত মানুষের বসবাস। র্যাবের মহাপরিচালকের বাড়িও এই জেলায়। এমন একটি আলোকিত এলাকায় মাদকের আখড়া থাকতে পারে না, মাদক প্রশ্রয় পেতে পারে না। গাইবান্ধা থেকেই মাদক নির্মূলের অভিযান শুরু হবে।
তিনি গাইবান্ধা সরকারি কলেজসহ জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদকমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মাদক ও সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখতে তাদের সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার প্রতি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।
র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার রেজাউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক অধ্যাপক মাজহারউল মান্নান এবং গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ