শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের মধ্যে আগামী কয়েক দিনে দেশের কয়েকটি নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তবে বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ এবং এসব অঞ্চলের উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বেড়েছে। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপরের দুই দিন এসব নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা নদীর পানিও বেড়েছে। তবে পদ্মার পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী পাঁচ দিনে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বাড়তে পারে। তবে এ সময় পানি বিপৎসীমার নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। তবে দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। আগামী তিন দিনে এসব নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এ দুই নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে পানি আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের কোনো প্রধান নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে না। তবে উজানে সম্ভাব্য ভারী বৃষ্টি এবং কয়েকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাসের কারণে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম গত আগস্টে বেড়ে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। প্রতিকূল আবহাওয়া, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন এবং বাণিজ্যপথে অস্থিরতায় চাল, গমসহ বিভিন্ন প্রধান খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনটির বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউরোপজুড়ে তীব্র গরম ও খরা, ভয়াবহ এল নিনো আবহাওয়ার আশঙ্কা এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের কারণে বাণিজ্যে অস্থিরতা কৃষিপণ্যের বাজারকে চাপে ফেলেছে। এতে শস্যের দাম তিন বছরের মধ্যে এবং চিনির দাম এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
এফএওর খাদ্য মূল্যসূচক আগস্টে গড়ে ১৩৩.৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ের সংশোধিত হিসাবে এ সূচক ছিল ১৩০.৮ পয়েন্ট। আগস্টের এই সূচক ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ।
তবে ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরুর পর যে রেকর্ড সর্বোচ্চ খাদ্যমূল্য দেখা গিয়েছিল, আগস্টের সূচক এখনো তার চেয়ে প্রায় ১৭ শতাংশ কম।
এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেন, আগস্টে বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম বাড়া একটি সতর্ক সংকেত। জলবায়ুজনিত ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্যিক পরিবহনব্যবস্থায় বাধা একসঙ্গে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে এবং বাজারে ঝুঁকির প্রভাব আবারও ফিরে আসছে।
আগস্টে এফএওর শস্য, উদ্ভিজ্জ তেল, চিনি, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের সব কটির মূল্যসূচকই বেড়েছে।
ইউরোপের আবহাওয়ার প্রভাব
ইউরোপের চরম আবহাওয়ার কারণে ভুট্টা ও সুগার বিটের ফলন এবং গবাদিপশুর উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ায় পাম তেল ও চিনির উৎপাদন নিয়েও শঙ্কা বেড়েছে বলে জানিয়েছে এফএও।
এদিকে সাড়ে চার বছর ধরে চলা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে হামলা বাড়ায় রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে শস্য পরিবহন কমে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরান সংঘাতের কারণে কৃষিতে ব্যবহৃত সারের সরবরাহও চাপে পড়েছে।
শস্য ও চিনির দাম বেড়েছে
খাদ্যপণ্যের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে আগস্টে এফএওর শস্য মূল্যসূচক মাসিক হিসাবে ২.২ শতাংশ বেড়েছে। এতে সূচকটি ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে উদ্ভিজ্জ তেলের মূল্যসূচক ০.৬ শতাংশ বেড়ে ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
চিনির মূল্যসূচক সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। আগস্টে এটি এক লাফে ১১.৯ শতাংশ বেড়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউরোপ ও এশিয়ার আবহাওয়াজনিত উদ্বেগের পাশাপাশি ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ মধ্য দক্ষিণ অঞ্চলে চিনি উৎপাদন কমে যাওয়াও এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
কমেছে শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস
আলাদা এক প্রতিবেদনে এফএও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস কমিয়েছে। জুলাইয়ের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদনের হিসাব ৩৪ লাখ মেট্রিক টন কমিয়ে ২.৯৮০ বিলিয়ন টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ২০২৫ সালের তুলনায় ২.০ শতাংশ কম হবে। ২০১৮ সালের পর এটিই হবে সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন।
তবে উৎপাদন কমলেও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ২০২৬ ২৭ মৌসুম শেষে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুতের পূর্বাভাসও ১.১ শতাংশ কমিয়ে ৯৪৭.২ মিলিয়ন টন করা হয়েছে। ফলে মজুত আগের মৌসুমের তুলনায় এখন মাত্র সামান্য বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোর্স: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে হাম ও উপসর্গে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত একদিনে (২৪ ঘণ্টা) দেশে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯১৭ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে চারজনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৯১ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪৩ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশের হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১৪ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন যে, ইউক্রেন ও ন্যাটোকে বিনা মূল্যে দেওয়া অর্থের দায় ইউরোপেরই পরিশোধ করার কথা ছিল। তিনি মিত্র দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখারও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন, ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সামরিক সহায়তা ও গোলাবারুদের অর্থ ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে ফেরত চাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইউক্রেন ও ন্যাটোকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া বিপুল অর্থের দায় ইউরোপের বহন করার কথা ছিল। একই পোস্টে তিনি মিত্র দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প লেখেন, “অন্যদের কাছে বিক্রি না করে এগুলো আমরা নিজেদের জন্য, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাখছি। তবে মিত্রদের কাছে অস্ত্র বিক্রি শিগগিরই আবার শুরু হবে।”
সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করে ট্রাম্প আরও বলেন, “ইউক্রেন ও ন্যাটোকে কোনো চার্জ ছাড়াই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে, যা ইউরোপের পরিশোধ করার কথা ছিল—যদি কেবল তাদের কাছে চাওয়া হতো। তবে কিছুটা দেরিতে হলেও আমরা এবার সেই অর্থ ফেরত চাইব।”
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো ‘প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকোয়ারমেন্টস লিস্ট’ নামে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই উদ্যোগের আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলো অর্থ পরিশোধ করে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে।
এর আগে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের নির্ভুল নিশানার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে ভবিষ্যৎ সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার খবরের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়াচ্ছে এবং নিজস্ব মজুতও গড়ে তুলছে।
ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ এবং এর অর্থনৈতিক অভিঘাত আগামী বছর মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা এবং তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নতুন হুমকির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা আবারও জোরালো হয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বুধবার তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ার জন্য কিয়েভের সাম্প্রতিক রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলাকে আংশিকভাবে দায়ী করেছেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের সংঘাত—দুটোর কারণেই আমরা এখন জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি সম্পদ ও পরিশোধিত তেলের ওপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বৈশ্বিক পর্যায়ে জ্বালানির দাম বাড়াতে চাপ সৃষ্টি করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের সংঘাত।”
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সতর্কবার্তার মধ্যে কানাডার ব্যবসায়ীরা আগামী দুই বছরে বেইজিংয়ের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক যৌথ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। কানাডা-চীন চেম্বার অফ কমার্সের দ্বারা পরিচালিত কানাডীয় ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জরিপ অনুযায়ী, প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৭ জন (৬৮ শতাংশ) চীনের সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন।
গত বছরে এই হার ছিল ৫২ শতাংশ। সিনহুয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৮ শতাংশ উত্তরদাতা চীনকে তাদের খাত বা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কৌশলগত বাজার হিসেবে বিবেচনা করছেন। গত বছরের তুলনায় এই হার ৩১ শতাংশ ছিল। এছাড়াও, ৪২ শতাংশ উত্তরদাতা চীনকে কানাডার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অধিক নির্ভরযোগ্য বাণিজ্য অংশীদার মনে করেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মত দিয়েছেন ২২ শতাংশ। ২০২৫ সালে এই হার ছিল ২৯ শতাংশ।
প্রতি চারজন উত্তরদাতার মধ্যে তিনজনই চীনের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সুযোগ ও ঝুঁকিকে অন্তত সমানভাবে ভারসাম্যপূর্ণ মনে করেন। অন্যদিকে, ৩৫ শতাংশের মতে, ঝুঁকির তুলনায় সুযোগই বেশি। এদিকে, চীনের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রচলিত জটিলতার ধারণা কমে এসেছে। জরিপে ২৯ শতাংশ বলেছেন, তাদের শিল্পের কোম্পানিগুলোর জন্য চীনের সাথে ব্যবসা করা কঠিন। ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৪১ শতাংশ।
কানাডা-চীন চেম্বার অফ কমার্সের প্রেসিডেন্ট জুন ডেং মন্তব্য করেছেন, "ফলাফলগুলো স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে চীনের দেওয়া সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে কানাডীয় ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের আস্থা বছরওয়ারি বৃদ্ধি পাচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "কানাডা ও চীন যখন তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে, তখন আরও বেশি সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চীনকে কৌশলগত বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে।" এছাড়াও, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা এবং দুই দেশের মধ্যে অধিকতর বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাব্য সুফলগুলো অনুধাবন করছে।
কানাডায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যম বা উচ্চ-ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কর্মরত ১,০০৮ জন কানাডীয় প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর দৈবচয়ন পদ্ধতিতে (র্যান্ডম স্যাম্পলিং) এই জরিপটি পরিচালিত হয়েছে।
সূত্র: সিনহুয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ