ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ মান্দায় অভিযান: ৬ কেজি গাঁজা সহ একজন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার


নওগাঁ মান্দায় অভিযান: ৬ কেজি গাঁজা সহ একজন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

অফিসার ইনচার্জ মান্দা থানার নেতৃত্বে গত ১৭/৮/২৬ খ্রিঃ ১৩.১৫ ঘটিকায় মান্দা থানাধীন ৪নং মান্দা ইউনিয়নের ঘাটকৈর সাকিনে ধৃত আসামি মিতা কর্মকার (৪০), স্বামী-বীরেন কর্মকার, সাং-ঘাটকৈর, থানা মান্দা, জেলা নওগাঁ এর বসতবাড়ির দক্ষিণ দুয়ারী শয়ন ঘরের ভিতর খাটের নিচ থেকে হলুদ প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে কালো স্কচটেপ দ্বারা মোরড়ানো ৬ কেজি শুকনা গাজা উদ্ধার করা হয়।

উক্ত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। তার স্বামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবৎ তারা স্বামী-স্ত্রী বাসায় গাঁজা রেখে মাদক ব্যবসা করে আসছিল।

আরও পড়ুন: রামুতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ পত্নীতলা মাদক বিরোধী অভিযান পাঁচজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ পি.এম


নওগাঁ পত্নীতলা মাদক বিরোধী অভিযান পাঁচজন গ্রেফতার

পত্নীতলা থানা পুলিশের অভিযানে ইং ১৮/০৮/২০২৬ তারিখের বিকালে আসামী ১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫২), পিতা- আমির উদ্দিন, সাং- পত্নীতলা (আবাদিয়াপাড়া), থানা- পত্নীতলা, জেলা- নওগাঁ কে আটক করা হয় পত্নীতলা থানাধীন পত্নীতলা আবাদিয়া পাড়ার নজরুল শাহ্ এর ইটভাটা থেকে। তার হেফাজত থেকে ২০ (বিশ) বোতল ভারতীয় তৈরি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইসকাফ (ESkuf) উদ্ধার করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অপরদিকে, পত্নীতলা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে অদ্য ইং ১৯/০৮/২০২৬ তারিখে ০৫ (পাঁচ) জন মাদক সেবনকারী গ্রেফতার করা হয়। তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখলে গুনতে হবে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখলে গুনতে হবে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা

পর্তুগালে জনসমিক্ষে ‘মুখ ঢেকে রাখার’ পোশাক নিষিদ্ধ করে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। এই আইনটি বোরকা ও নিকাব পরা মুসলিম নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়ায়, দেশটিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

দেশটির নতুন আইন অনুযায়ী, জনসমক্ষে পরিচয় গোপন বা শনাক্তে বাধা দেয়—এমন পোশাক পরলে ১৫০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে কিছু জায়গায় মুখঢাকার অনুমতির বিষয়টিও রয়েছে, যেমন স্বাস্থ্য, পেশা, শিল্পকলা, আবহাওয়া এবং ধর্মীয় উপাসনালয়।

আইনের পক্ষের ব্যক্তিরা দাবি করেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনের সময় ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার সুবিধার জন্য এই বিধান অত্যন্ত জরুরি। অন্যদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা এর বিরোধিতা করে নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছেন, বলছেন, এমন নিষেধাজ্ঞা ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নারীদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরার অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

এদিকে, স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জেও বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব এগোচ্ছে। দেশের ডানপন্থী দল ভক্স ও পিপলস পার্টি প্রথম এ প্রস্তাবটি সামনে এনেছে। ওই প্রস্তাবে পুনরাবৃত্তি করে আইন ভাঙলে ৩০ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা এবং কাউকে জোর করে এসব পোশাক পরালে সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ডের বিধানের কথা বলা হয়েছে।

ফলস্বরূপ, ইউরোপে বোরকা-নিকাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেল বিক্রির আয় বেড়েছে দেড় গুণ ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


তেল বিক্রির আয় বেড়েছে দেড় গুণ ইরানের

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রি করে চলতি ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে প্রায় ৭৫০ কোটি (৭.৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার আয় করেছে ইরান। আল জাজিরা দেশের আধা-সরকারি ফার্স বার্তা সংস্থার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে। তেল রফতানি থেকে আসা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ইতোমধ্যে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইরানের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এইবারের আয় প্রায় দেড় গুণ বেড়ে গেছে। বিশ্বজুড়ে নানামুখী অর্থনৈতিক টানাপোড়েন এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপের মধ্যেও তেলের এই বাড়তি আয় দেশটির অর্থনীতির জন্য বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রত্যাশা, প্রথম চার মাসের এই শক্তিশালী আর্থিক প্রবাহ আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সরকারের প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার যাবতীয় ব্যয় নির্বিঘ্নে মেটাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই কারণে দেশের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ থাকবে স্থিতিশীল এবং আমদানি ব্যয় মেটানোও সরকারের জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।

সূত্র: দ্য ডন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে সরকারি জায়গা থেকে লক্ষ টাকার গাছ কাটার হিড়িক; নীরব ভূমিকায় প্রশাসন, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


কুলিয়ারচরে সরকারি জায়গা থেকে লক্ষ টাকার গাছ কাটার হিড়িক; নীরব ভূমিকায় প্রশাসন, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

 

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে সরকারি রাস্তা ও জায়গা থেকে অবাধে লক্ষ লক্ষ টাকার মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়ার উৎসব চলছে। মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সরকারি গাছ চুরির ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। নামমাত্র অভিযোগের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার অভিযোগে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার আগরপুর - ভাগলপুর রাস্তার রামদী বড়চর ফিডমিল সংলগ্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় হেলাল মুন্সির জমির সীমানা ঘেঁষে থাকা রাস্তা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় এক লক্ষ টাকা মূল্যের কয়েকটি সরকারি গাছ কেটে মাঠিতে ফেলে রাখা হচ্ছে। এসময় কাটুরিয়াদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানান পার্শ্ববর্তী মনোহরপুর গ্রামের শহিদুল গাছগুলো কাটতে তাদেরকে পাটিয়েছেন। তবে এসব গাছ বিক্রির সাথে কারা জড়িত তা বলতে পারেনি তারা।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার ও কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীনকে অবহিত করার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাছ কাটতে ও নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আইনগত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শুরুতে উপজেলার গোবরিয়া আবদুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাত্র ১০০ গজ দূরে সরকারি খাল ও রাস্তার পাশ থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় ২০-২৫টি সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠে সদ্য বদলীকৃত গোবরিয়া আবদুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এসব গাছ বিক্রির আনুমানিক ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে গত ১৫ জানুয়ারি কুলিয়ারচর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৮টি গাছ চুরির একটি লিখিত আবেদন জমা দেন নাছিমা আক্তার। তবে স্থানীয়দের দাবি, সেই অভিযোগ থানায় মামলা (এফআইআর) হিসেবে রেকর্ড হয়নি এবং কোনো তদন্তও করা হয়নি। ওই কাগজ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শান্ত রাখার অপচেষ্টা চালানো হয়। এর কিছুদিন পর একইভাবে আরও ৩টি গাছ বিক্রি করে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায়ও রহস্যজনক কারনে আইনি কোন পদক্ষেপ নেননি তারা।

ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে গত ২৪ থেকে ২৬ জুলাই একই স্থান থেকে আরও তিনটি মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা গাছ কাটার স্পষ্ট ভিডিও প্রমাণ উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি কর্মকর্তাদের পাঠালেও অজ্ঞাত কারণে চিহ্নিত অপরাধীদের নাম বাদ দিয়ে গত ২৬ জুলাই পুনরায় থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে দায়সারা অভিযোগ দেন নাছিমা আক্তার। গাছ কাটার ধারণকৃত ভিডিওতে শুনা গেছে কাটুরিয়ারা স্পষ্ট বলেছেন, মাসুদ নামে জৈনক এক ব্যক্তি তাদেরকে গাছ কাটতে পাঠিয়েছেন। তাই তারা গাছ কাটছেন।
গাছ কাটার সময় উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার পর প্রথমে গাছগুলো কাটা বন্ধ করা হলেও এর কয়েকদিনপর অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে গাছগুলো নিয়ে গেলেও রহস্যজনক কারনে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন জানান, "সম্প্রতি বদলীকৃত গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা
নাছিমা আক্তার তার লিখিত অভিযোগে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেননি। পুলিশ আসামিদের নাম দিতে বললেও বাদী তা দেননি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

অন্যদিকে গত ১৬-১৭ নভেম্বর উপজেলার বাজরা মাছিমপুর এলাকায় সরকারি রাস্তা ও ঈদগাহ মাঠ থেকে শতবর্ষী জাম, আম ও রেন্টি গাছ কেটে এক লাখ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ১৭ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এলাকাবাসী। অভিযোগ দাখিলের পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসান পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা গাছ জব্দ করে স্থানীয় সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাইয়ুম এর জিম্মায় রেখে যান।
অভিযোগকারীরা জানান, বাজরা মাছিমপুর খেলার মাঠের পাশদিয়ে যাওয়া পুরনো সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তায় ও ঈদগাহ মাঠে রোপিত শতবর্ষী ১টি রেন্টি গাছ, ১টি আম গাছ, ১টি জাম গাছ কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া রাস্তা সংস্কারের নামে মাছিমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম লিটন, নুরুল মনছুর টেনাম ও তানভীর আহম্মেদ গংরা গাছগুলো বিক্রি করে দেয়। তিনটি গাছের আনুমানিক মূল্য দুই লক্ষ টাকা হবে। গাছ বিক্রির পর গাছ ক্রয়কারী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে গাছ ব্যবসায়ী মো. ফুল মিয়া (৪৫) গাছগুলো কেটে নেওয়ার সময় সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গাছ কাটতে ও নিয়ে যেতে বাধা দেয়।
এব্যাপারে মাছিমপুর গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম লিটন (৫০) সহ গাছ বিক্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা গাছ বিক্রি করার কথা স্বীকার করে বলেন, আমাদের গ্রামবাসীর যাতায়াতের পূর্বের রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ায়, নিরুপায় হয়ে বাজরা মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তাটি ব্যবহারে উপযোগী করতে ও সরকারি ভাবে রাস্তা সংস্কারের জন্য একটি প্রজেক্ট পেতে রাস্তটি দৃশ্যমান করার প্রয়োজন হয়। সরকারি রেকর্ডভূক্ত ওই রাস্তা নির্মানের জন্য এলাকার মুরুব্বিদের সাথে পরামর্শ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে অবগত করে রাস্তার উপর থাকা একটি জাম গাছ ও ঈদগাহের সীমানায় থাকা একটি রেন্ট্রি গাছ ও একটি আম গাছ ১লাখ ১৮ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করে বিক্রি করি। পরে প্রশাসনের নির্দেশে গাছ কাটা ও নেওয়া বন্ধ রেখেছি।
এ ঘটনায় তারা তাদের ভুল স্বীকার করেন।

এছাড়াও গত ৭ ও ৮ মে বাজরা বাসস্ট্যান্ড হতে কামালপুর যাওয়ার রাস্তার মোড় থেকে একটি মূল্যবান রেনটি গাছ আশি শতাংশ কাটার পর স্থানীয়দের বাধার মুখে তা পণ্ড হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ কুলিয়ারচর পৌরসভার সাবেক পৌর কমিশনার শহিদ মিয়া এ গাছটি কাটাচ্ছিলেন। শহিদ মিয়া গাছটি কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, এ গাছটি তাদের সীমানায় তারা নিজরাই রোপন করেছিলেন। গাছের সীমানা ঘেষে যানবাহন যাতায়াতে ও দোকানদারদের সমস্যা হওয়ার কারনে তিনি গাছটি কাটাচ্ছিলেন।

সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকেরা। তাদের দাবি, অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তার শুধু বদলিই সমাধান হতে পারে না। ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষ প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িত কর্মকর্তা ও মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। অপর দিকে অন্যান্য সরকারি রাস্তা ও জায়গা থেকে যারা নিয়মবহির্ভূত ভাবে গাছ কেটে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করেছে তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এসব বিষয়ে কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার জানান, "নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি সম্পত্তি থেকে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা দায়েরসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত কাজ চলছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%