ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
তিন মাসের নিখোঁজের পর

দেশজুড়ে আলোচিত সীমান্তে পাওয়া ষষ্টি চন্দ্র ফিরছে বাড়ী


দেশজুড়ে আলোচিত সীমান্তে পাওয়া ষষ্টি চন্দ্র ফিরছে বাড়ী

তিন মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা ষষ্টি চন্দ্র বর্মন (৬৫)। যখন পরিবারের সদস্যরা প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন আলোচিত একটি সীমান্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে তার সন্ধান পাওয়া যায়। জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কথিত পুশ-ইনের শিকার হিসেবে উদ্ধার হওয়া ওই বৃদ্ধই নিখোঁজ ষষ্টি চন্দ্র বর্মন, বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তার পরিবার ও স্থানীয়রা। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানা হেফাজতে নেয় বিজিবি। পরে বিজিবি নিশ্চিত করে, ষষ্টি চন্দ্র বর্মন একজন বাংলাদেশি নাগরিক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার চন্দলাই (ললিতনগর) গ্রামের হিন্দুপাড়ার বাসিন্দা ষষ্টি চন্দ্র বর্মন পেশায় মৎস্যজীবী এবং কৃষক ছিলেন। তিনি এক ছেলে এবং তিন মেয়ের জনক। সন্তানেরা সবার বিয়ে হয়ে গেছে এবং তিনি মাছ ধরা ও কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করছিলেন।

তবে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে সবসময় নজরদারিতে রাখার চেষ্টা করলেও প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর আত্মীয়স্বজনের বাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ চলছিল। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় তিনি সম্ভবত ট্রেনে চড়ে নিজ এলাকা ছেড়ে দূরে চলে গিয়েছিলেন। তিনি কিভাবে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছালেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ব্যবসায়ী বাসার আলী জানান, "পরিবারটি অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল। সবাই মিলে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দেখে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন, সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ওই বৃদ্ধই ষষ্টি চন্দ্র বর্মন।" সন্ধান পাওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনতে ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মন বকশীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আশায় এখন পরিবারের সদস্যরা প্রহর গুনছেন। এ ঘটনা নতুনভাবে সামনে এনেছে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা এবং পারিবারিক সুরক্ষার বিষয়টি। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, "ওকে ফিরে পেলেই আমাদের সবচেয়ে বড় স্বস্তি হবে।" তিন মাসের অনিশ্চয়তা, সীমান্তের শূন্যরেখায় কাটানো দীর্ঘ সময় এবং পরিবারের অশ্রুসিক্ত অপেক্ষা- সব কিছু শেষে ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের ফিরে আসার এই ঘটনা এখন গোদাগাড়ী এবং সারা দেশের মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

আরও পড়ুন: রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রাজশাহীতে

গ্রামীণফোনের মুনাফার ৫% লভ্যাংশ দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


গ্রামীণফোনের মুনাফার ৫% লভ্যাংশ দাবিতে মানববন্ধন

রাজশাহীতে গ্রামীণফোনের মুনাফার ৫ শতাংশ লভ্যাংশ অবিলম্বে পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় নগরীর আলু পট্টির মোড়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে গ্রামীণফোন ৫% বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ, রাজশাহী।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের মধ্যে ছিল- নৈঃশব্দ্যে প্রতিবাদ, গ্রামীণফোন মুনাফার ৫% লভ্যাংশ অবিলম্বে প্রদান করো এক দফা এক দাবি, ৫% করে দিবি এবং ১৬ বছরের কোর্ট খেলা বন্ধ কর, আলোচনায় বস।

বক্তারা অভিযোগ করেন: দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আদালতে মামলা চলমান থাকায় গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা বলেন: একজন কর্মকর্তা গড়ে প্রায় ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে বকেয়া লভ্যাংশ পরিশোধের দাবি জানান তারা। এই সময় মানববন্ধনে উপস্তিত ছিলেন: গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা সারিয়ার মতিন, সারিয়ার কবির রাসেল, মসিউর রহমান, ইউসুফ আলী এবং আবু সুফিয়ান।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘসূত্রিতা বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার চরে দূর্বৃত্তের গুলিতে ৮ মাসের ব্যবধানে ৬ খুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


পদ্মার চরে দূর্বৃত্তের গুলিতে ৮ মাসের ব্যবধানে ৬ খুন

পদ্মার চরে দূর্বৃত্তদের গুলিতে ৮ মাসের ব্যবধানে ৬ জন খুন হয়েছেন। জানা গেছে, ৬ খুনের কোনো আসামীকে পুলিশ চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পারেনি। এই খুনের ঘটনাগুলো ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের পদ্মার চরে। পুলিশের তালিকায় পদ্মার চরে গড়ে ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব রয়েছে। তারা দিনরাত চরের মানুষকে জিম্মি করে অত্যাচার, নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করছে।স্থানীয়রা জানান, পদ্মার চর এলাকা ভারতের সীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় অবৈধভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী ভারত থেকে সহজেই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসে সেখানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের নীচ খানপুরের হবিরচরের দক্ষিণে চৌদ্দহাজার মাঠে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলিতে বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের খানপুরের মিনহাজ মন্ডলের ছেলে আমান মন্ডল এবং একই গ্রামের শুকুর মন্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন নিহত হন। পরদিন, ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার দুই মাস পরে, ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে সোহেল রানাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সোহেল রানা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর করালি নওশারার চর অঞ্চলের কালু মন্ডলের ছেলে। এই ঘটনার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় তৈরি ২টি বন্দুক, ৭টি পিস্তল, ২৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৫টি মোটরসাইকেল, বিভিন্ন মাদকদ্রব্য, ইঞ্জিনচালিত নৌকা, স্পিডবোট, অস্ত্র রাখার সিলিন্ডার, ছয়টি বড় ডেগার, ২২টি হাঁসুয়া, চারটি ছোরা, দুটি চাপাতি, একটি দা, একটি লোহার পাইপ, একটি টিউবওয়েল এবং একটি চকি উদ্ধার করে। এদিকে, ১৮ মে বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালী চরে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল গভীর রাতে হামলা চালিয়ে স্বপন বেপারী (৪০) নামের একজন ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে এবং তার মরদেহ ট্রলারে তুলে নিয়ে যায়। পরে স্বপন বেপারীর ২৩ দিনেও পরিবারের সন্ধান মেলেনি। সর্বশেষ ৯ জুন পদ্মার চরের নীচ খানপুরের হবিরচরের দক্ষিণে চৌদ্দহাজার মাঠের পাশে রায়টা এলাকার চর জাজিরা নামক স্থান থেকে নৌপুলিশ আজিজুল হাকিম ঝড়ু নামের একজন যুবকের স্পিডবোডের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজিজুল হাকিম ঝড়ু বাগাতিপাড়া উপজেলার হিজলি পাবনা পাড়া গ্রামের আব্দুল শেখের ছেলে। এই বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, "প্রশাসনের তালিকায় পদ্মার চরের ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম রয়েছে।" সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের মধ্যে রয়েছে- কাঁকন বাহিনী, মন্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী, চল্লিশ বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী এবং সুখচাঁদ-নাহারুল বাহিনী। এসব গোষ্ঠী একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে মানুষের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে। তবে ‘অপারেশন ফাস্ট লাইট’ অভিযানে কয়েক দফায় ২০৩ জনকে গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে হিমাগারে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বেচাকেনা বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


রাজশাহীতে হিমাগারে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বেচাকেনা বন্ধ

রাজশাহীতে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমানোর জন্য দাবিতে হিমাগার থেকে আলু বেচাকেনা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন আলুচাষি এবং ব্যবসায়ীরা। তাঁরা ঘোষণা করেছেন, ভাড়া পুনর্নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা হিমাগার থেকে আলু বের করবেন না। কর্মসূচির প্রথম দিনে জেলার বিভিন্ন হিমাগারে সংঘটিত হয়েছে এক ধরনের অচলাবস্থা। চাষি ও ব্যবসায়ীদের দাবি, হিমাগারের প্রকৃত খরচ বিবেচনা করে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ করা জরুরি। যদি এই ভাড়া না কমানো হয় তাহলে তাঁদের উৎপাদন ও সংরক্ষণ খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি সরাসরি প্রভাব ফেলবে আলুচাষি, ব্যবসায়ী এবং সর্বশেষ ভোক্তার ওপরও। অন্যদিকে, হিমাগার মালিকদের দাবী, বিদ্যুৎ, শ্রমিক ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার সরকার কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন করে দেখা যায়, হিমাগার থেকে আলু বের করার কোনো কার্যক্রম নেই। একই অবস্থা লক্ষ্য করা যায় পাশের উত্তরা কোল্ড স্টোরেজেও। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায়, এই কোল্ড স্টোরেজগুলোর সামনে আলু কেনাবেচা, লোড-আনলোড ও পরিবহনের ব্যস্ততা থাকলেও, আন্দোলনের কারণে সকাল থেকে এখানে স্থবির পরিবেশ বিরাজমান। আলুচাষিদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি আগের দিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সংগঠনের নেতারা জানান, হিমাগারের ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে চাষি ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুক্ষীন হয়েছেন। তাই তাঁদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আলু বেচাকেনা বন্ধ রাখবে তাঁরা। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে, মঙ্গলবার থেকে সমিতির আওতাধীন ৩৬টি হিমাগার থেকে আলু বেচাকেনা কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। বুধবার বিকালে পবার তকিপুর এলাকার সমিতির প্রধান কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি। তিনি জানান, ২০২৫ সাল থেকে হিমাগারে ভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আন্দোলন করে আসছেন। প্রতি বস্তা আলুর জন্য ভাড়া ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, পরে তা সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায় উন্নীত হয়। পরবর্তীতে, ওই বছর কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন ও ম্যানেজার অ্যাসোসিয়েশন একতরফাভাবে আলুর ভাড়া বাড়িয়ে বস্তাপ্রতি মূল্য ৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করে। এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি আহাদ আলী শাহ জানান, এক বস্তা আলু হিমাগারে রাখতে মালিকপক্ষের সর্বোচ্চ খরচ হয় ১০০ টাকা। কিন্তু চাষি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৪৭৫ টাকা। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বটে। তিনি আরো বলেন, পূর্বে হিমাগার ভাড়া অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তখন দেশের পরিস্থিতির কারণে সুশীল সমাজ, আর্মি এবং রাজনৈতিক নেতারা তাঁদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেছিলেন। বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক সরকার এলে বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু এখনও কোনো সুরাহা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওয়াকওয়ের সুরক্ষায় সচেতনতার বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওয়াকওয়ের সুরক্ষায় সচেতনতার বার্তা

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত ওয়াকওয়ে দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ।

এটি তিনি উপজেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত পুকুরপাড় ঘিরে বয়স্ক, শিশু, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা ও শারীরিক ব্যায়ামের সুবিধার্থে পার্কিং টাইলস দ্বারা একটি আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, অনেকেই ওই ওয়াকওয়ে ব্যবহার করে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চলাচলের কারণে পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি ওয়াকওয়ের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এটি ওয়াকওয়ে নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে এবং উপজেলা পরিষদ চত্বরের সৌন্দর্য ও পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, “ওয়াকওয়েটি জনগণের হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছে। এর সুরক্ষা ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।”

জনস্বার্থে নির্মিত এই স্থাপনার সৌন্দর্য ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সকলকে ওয়াকওয়ে দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে সকলের সচেতনতা ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%