বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৪৪ এম
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে ঝালকাঠি-পিরোজপুর (জেপি) প্রকল্পের অর্থায়নে আমুয়া আরএইচডি (RHD) থেকে ৩৩ নম্বর আমুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ মিটার সড়ক নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এ সময় কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে আমুয়া এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।
এছাড়া, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষদের চলাচলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে শহরের দয়ালের মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আ.ত.ম ইউসুফ (৪৫) হচ্ছেন নওগাঁ শহরের জগৎসিংহপুর হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি জয়পুরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আজ সকালে, প্রতিদিনের মতো, শিক্ষক আ.ত.ম ইউসুফ তার স্কুটি (মোটরসাইকেল) চালিয়ে কর্মস্থল জয়পুরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে শহরের দয়ালের মোড়ে গিয়ে তিনি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে স্কুটির ধাক্কা লেগে যান।
এ ঘটনার পর তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যান।
তবে এই সময় বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বিআরটিসি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়।
এতে তার মৃত্যু ঘটেছে এবং তিনি ঘটনাস্থলে বাসের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মারা যান।
আসেপাশের স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে, অটোরিকশার ধাক্কায় অসাবধানতাবশত সড়কে পড়ে যাওয়ার সূতিক্রমেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্ত এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং যোগাযোগপথে মাদক নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে জেলা প্রশাসন, বিজিবি, পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’কে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক উল্লেখ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় বিভিন্ন অসাধু চক্র সীমান্ত ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে মাদক চোরাচালানের চেষ্টা চালিয়ে থাকে। এ কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি বাজার, মহাসড়ক, রেলপথ ও অন্যান্য প্রবেশপথেও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানাতে হবে।
সিরাজুল ইসলাম বলছেন, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে আগের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে মাদক প্রবেশের কারণে যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি কোথাও মাদক বিক্রি, পরিবহন অথবা সেবনের তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে স্থানীয় জনসাধারণকে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে।
জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক আরও বলেন, প্রশাসনের লক্ষ্য হচ্ছে শুধু মাদক উদ্ধার করা নয়, বরং মাদক পাচার এবং কারবারের সঙ্গে জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে একটি নিরাপদ, সুস্থ এবং মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদের সম্পদ রক্ষা, আয় বৃদ্ধি এবং সেই অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করাই জেলা পরিষদের প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘ দিন অবহেলিত এবং বেহাত হওয়া সম্পদ উদ্ধার করার পাশাপাশি রাজস্ব বাড়ানোর এবং জনবান্ধব জেলা পরিষদ গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সিরাজুল ইসলাম জানান, অনেক দিন জেলা পরিষদের সম্পত্তির যথাযথ তদারকি হয়নি। অনেক জায়গার বিএস রেকর্ড সম্পন্ন করা হয়নি। এর ফলে জেলা পরিষদের মালিকানার সম্পদ অন্যের নামে চলে গেছে কিংবা দখলে রয়েছে। এখন এসব সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত করা এবং আইনগতভাবে উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদের প্রতিটি সম্পদ জনগণের সম্পদ। এগুলো রক্ষা করা এবং সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে আয়ের বৃদ্ধি ঘটানোই জেলা পরিষদের প্রধান লক্ষ্য।
জেলা পরিষদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি আধুনিক ১০ তলা বহুমুখী কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পিত ভবনের নিচতলা ও প্রথম তলায় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলায় থাকবে আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার, যেখান থেকে জেলা পরিষদ নিয়মিত ভাড়া থেকে আয় করতে পারবে। চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় অফিস স্পেস নির্মাণ করা হবে, যা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়া সম্ভব হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম তলায় থাকবে আবাসিক কক্ষ ও ফ্যামিলি স্যুট, সর্বোচ্চ তলায় থাকবে একটি আধুনিক রেস্টুরেন্ট।
তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জেলা পরিষদের রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে এটি লাভজনক প্রকল্পে পরিণত হবে। এছাড়াও একই কমপ্লেক্সে একটি আধুনিক সুইমিং পুল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, জেলা পরিষদ এমন সব এলাকায় কাজ করতে চায় যেখানে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সহজে পৌঁছাতে পারে না। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ সরকারিকরণ অনুষ্ঠানে এলে তাঁর সঙ্গে করমর্দন করার সুযোগ হয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলীয় কর্মী হিসেবে জেলায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে দেশগঠনে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান দায়িত্ব মূলত জেলা পরিষদের প্রশাসনিক স্থবিরতা দূর করার জন্য দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে আরও বৃহৎ পরিসরে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও পদযাত্রা উপলক্ষে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকির হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কানাইঘাটে বিকেল ৩টায় এবং ওসমানীনগরে সন্ধ্যা ৭টায় পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন ও পদযাত্রা আগামী শুক্রবার বিকেল ৩টায় কোম্পানীগঞ্জ, পাঁচটায় গোয়াইনঘাট ও সন্ধ্যা ৭টায় জৈন্তাপুরে থাকবে। এ উদ্দেশ্যে সিলেটে আবারও পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, সিলেটের পাঁচ উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা উপলক্ষে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে জেলা প্রশাসন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দিয়েছে।
জানা গেছে, চিঠির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের জন্য বিজিবি চাওয়া হয়েছে। সিলেটের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সম্রাট তালুকদার বলেন, এনসিপি নেতারা সিলেটের ৫টি উপজেলায় পদযাত্রা করবেন। শৃঙ্খলার স্বার্থে পোশাকে-সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
এছাড়া পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের জন্য জেলা প্রশাসন আবেদন করেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু স্থানগুলোতে সূর্যাস্তের পর কর্মসূচি হবে। সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় পাঁচটি উপজেলায় পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুর রহমান আফজল বলেন, ‘জেলার ৫টি উপজেলায় জুলাই পদযাত্রারীকর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জেলার গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অর্থায়ন করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি শীর্ষ ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রকল্পের চলমান আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই)-এর শেয়ার হস্তান্তর-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে সিঙ্গাপুরে সালিশি কার্যক্রম (আরবিট্রেশন) চলছে। এর ফলে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রকল্পে অর্থায়নকারী দুটি চীনা ব্যাংকের ঋণের কিস্তি ছাড়ে বাধা পড়েছে। তবে এই সময়কালেও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে গেছে।
এই অবস্থায় ২৯ জুলাই সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে তার কার্যালয়ে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রকল্পের বিকল্প অর্থায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে সেতু সচিব এক মন্তব্যে বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ চালু হওয়ার পর প্রত্যাশার চেয়েও বেশি যানবাহন চলাচল করছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বিনিয়োগ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।
সভায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম এস আকতার এবং চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ