০৬:৪৪ পি.এম
সুন্দরবনের কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে ডাকাতদের হাতে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত জেলেদের সঙ্গে অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) খুলনার কয়রা ও দাকোপ উপজেলা-সংলগ্ন সুন্দরবনে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন একই দিন বিকেলে এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে কয়রা থানাধীন সুন্দরবনের আড়শীপসা নদীর গানধার খাল এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে সাত্তার বাহিনী মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছিল। অভিযানে জিম্মি থাকা কয়রার পাঁচ জেলে জহুরুল ইসলাম (২৭), ফারুক গাজী (৪২), রেজাউল করিম (২৬), নুরুল হুদা (২৩) ও হাসান গাজীকে (২৭) উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: নারায়ণ জেলার গার্মেন্টস সেক্টরে আন্দোলনের শিথিল রাখার অঙ্গীকার জেলা প্রশাসক
অভিযানের সময় একটি ডিঙি নৌকা থেকে চারটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, ছয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
সাব্বির আলম সুজন আরো জানান, একই দিন সকাল ১১টার দিকে ডাকাতদের উপস্থিতির খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের আরেকটি দল দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের কুমড়োখালী খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যায়।
পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা চারটি একনলা বন্দুক, একটি ০.২২ ক্যালিবার বন্দুক, ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ০.২২ ক্যালিবার বন্দুকের ৫২ রাউন্ড গুলি এবং দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণদের নেতৃত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: চসিক প্রশাসক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন