বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২৭ পি.এম
দুরন্ত রোদ, দীর্ঘ পথ এবং শারীরিক ক্লান্তিকে পেছনে ফেলে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার আল্ট্রা রান সম্পন্ন করেছেন দুই তরুণ রানার মো. মেহেদী হাসান তুষার ও মোহাম্মদ আল-আমিন। গত ১৫ আগস্ট শনিবার ভোর ৪টায় রাজধানীর ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয় তাদের এই দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জিং দৌড়।
প্রায় ১৭ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার পর তারা কুমিল্লা জিরো পয়েন্টে পৌঁছে ১০০ কিলোমিটারের লক্ষ্য পূরণ করেন।
*‘প্রতিটি পদক্ষেপই পরিবর্তনের জন্য’*—এই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত হয় ব্যতিক্রমী এই আল্ট্রা রান। এর মাধ্যমে তরুণ সমাজকে শরীরচর্চা, সুস্থ জীবনযাপন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি দেশের মানুষের কাছে দীর্ঘদূরত্বের দৌড়ের একটি অনুপ্রেরণামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া ছিল তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এই আল্ট্রা রানের আয়োজন করে *Road to Record*, আর সহযোগী সংগঠক হিসেবে ছিল **FitRun। দুই রানারের ১০০ কিলোমিটারের এই যাত্রায় প্রধান স্পন্সর হিসেবে ছিল **Run Mate। এছাড়া হাইড্রেশন পার্টনার হিসেবে **Fuel Hydration Powder* এবং জেল পার্টনার হিসেবে *First Move* তাদের সঙ্গে ছিল।
দৌড়ের পুরো পথজুড়ে ছিল নানা প্রতিকূলতা। বিশেষ করে তীব্র রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় দৌড়ানোকে দুই রানারের জন্য চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। শরীরের পানিশূন্যতা ও অতিরিক্ত গরম মোকাবিলায় পথিমধ্যে পানি ও ফলসহ হাইড্রেশন সাপোর্ট নেওয়া হয়। নিজেদের শরীর ঠান্ডা রাখতে পানি ব্যবহার করেও তারা এগিয়ে যান গন্তব্যের দিকে।
তবে এই যাত্রায় ছিল না কোনো বিশেষায়িত বড় দলের সাপোর্ট। নিজেদের পারস্পরিক সহযোগিতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং লক্ষ্য পূরণের অদম্য ইচ্ছাকেই শক্তি হিসেবে কাজে লাগান মেহেদী হাসান তুষার ও মোহাম্মদ আল-আমিন। দীর্ঘ পথের ক্লান্তি, প্রচণ্ড গরম এবং নানা শারীরিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তারা একে অপরকে সাহস ও সহযোগিতা দিয়ে শেষ পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটারের গন্তব্যে পৌঁছান।
প্রায় ১৭ ঘণ্টার এই সংগ্রামী যাত্রা সম্পর্কে রানাররা বলেন, ১০০ কিলোমিটার সম্পন্ন করা শুধু একটি দৌড়ের লক্ষ্য ছিল না। এটি ছিল নিজেদের সক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করার পাশাপাশি দেশের মানুষের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হওয়া এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন তারা।
তাদের ভাষ্য, ভবিষ্যতে আরও বড় ও অর্থবহ চ্যালেঞ্জ গ্রহণের ইচ্ছা রয়েছে। পর্যাপ্ত সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের জন্য আরও বিশেষ কিছু করার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।
দীর্ঘদূরত্বের দৌড়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পাশাপাশি তরুণদের স্বাস্থ্যকর ও সক্রিয় জীবনযাপনে উৎসাহিত করাও তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ।
এই যাত্রার শেষ প্রান্তে কুমিল্লায় গিয়ে তারা পান আরেকটি অনন্য অভিজ্ঞতা। কুমিল্লার স্থানীয় রানাররা তাদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও আপ্যায়ন করেন। দীর্ঘ ১০০ কিলোমিটারের ক্লান্তিকর যাত্রার শেষে স্থানীয় রানারদের এই ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাদের জন্য হয়ে ওঠে বিশেষ এক প্রাপ্তি। এ জন্য কুমিল্লার সকল রানার ও শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান মেহেদী হাসান তুষার ও মোহাম্মদ আল-আমিন।
দুই রানারের এই ১০০ কিলোমিটারের যাত্রা তাই শুধু একটি দীর্ঘদূরত্বের দৌড় নয়; এটি ছিল *ধৈর্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, মানসিক শক্তি এবং লক্ষ্য পূরণের একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প—যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল পরিবর্তনের প্রত্যাশায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার বিরামপুরে অবস্থিত বিনোদন কেন্দ্র এ্যাকুয়া থিম পার্কে প্রশাসনের পরিচালিত অভিযানে আবাসিক ভবনের ৮টি কক্ষ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানায়, কক্ষগুলোর ভেতর এবং আশ-পাশে অসামাজিক কার্যকলাপের আলামত পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুনের নেতৃত্বে মির্জাপুর মোড় এলাকায় এ্যাকুয়া থিম পার্কে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ অনুযায়ী, বিরামপুর পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত এ্যাকুয়া থিম পার্কে উপজেলা প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করেছে। পার্কটির ভেতরের রেস্ট হাউজের আদলে নির্মিত আবাসিক ভবনের কক্ষগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ছাড়া, পার্কের বিভিন্ন ঝোপ-ঝাড়ে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানের সময় আবাসিক ভবনের ৮টি কক্ষের প্রতিটিতে অসামাজিক কার্যকলাপের আলামত পাওয়া যায় বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এরপরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কক্ষগুলো তালা দিয়ে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. তানজিনা খাতুন বাসসকে জানান, এ্যাকুয়া থিম পার্কের ভেতরে আবাসিক ভবনের কক্ষগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়ার পর ৮টি কক্ষ তালা দিয়ে সিলগালা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে পার্কের ভেতরে কোনো ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ যেন না ঘটে, সেই বিষয়ে পার্কে দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযানে অংশ নেওয়া লোকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়রা জানান, বিনোদন কেন্দ্রের আড়ালে যেন কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মারাকানায় নারী ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই ফাইনালটি পর্দা উঠবে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট, যা অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকায়, বিশেষ করে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।
নারী ফুটবল বিশ্বকাপের এই আসরটি পরবর্তী বছরের জুনে শুরু হবে।
এটি প্রথমবারের মতো লাতিন আমেরিকায় আয়োজন করা হচ্ছে।
ফিফা উদ্বোধনী ও ফাইনাল ম্যাচের সূচি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখাচ্ছে ফাইনাল এবং উদ্বোধনী মিলবে একই স্থানে।
রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়াম হলে নারী বিশ্বকাপের প্রথম খেলা হবে ব্রাজিলের স্বাগতিক হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচে।
বিশ্বকাপের প্রথম দিন ২৪ জুন।
ফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে ২৫ জুলাই।
মারাকানা স্টেডিয়ামকে ব্রাজিলের দুঃখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এখানেই ১৯৫০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপের ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিল হেরে যায়।
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে ব্রাজিলের ৮টি শহরে।
প্রতিটি শহরে হবে কমপক্ষে ৭টি গ্রুপ ম্যাচ এবং একটি নকআউট ম্যাচ।
শহরগুলো হল: ব্রাসিলিয়া, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফে, সালভাদর, বেলো হরিজন্তে, ফর্তালেজা, রিও ডি জেনিরো এবং সাও পাওলো।
ব্রাসিলিয়া, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফে সালভাদরে হবে শেষ ১৬ ম্যাচ।
আবার বেলো হরিজন্তে, ফর্তালেজা, রিও ডি জেনিরো এবং সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনাল।
সেমিফাইনাল খেলা হবে সাও পাওলো এবং রিওতে।
চূড়ান্ত সূচি প্রকাশিত হবে চলতি বছরের শেষে।
বর্তমানে নারী বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
আর ২০২৬ সালের পুরুষ বিশ্বকাপেও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সর্বাধিক ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বর্তমানে ৯ বারের আসরে ব্রাজিলের মেয়েরা সোনালি ট্রফি স্পর্শ করতে পারেনি।
অথচ ব্রাজিলের ছেলেরা সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ‘বস নাম্বার ওয়ান’ নামে একটি নকল ও ভেজাল বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রির অভিযোগে দুজনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময়ে ৬৬০ বোতল ভেজাল সয়াবিন তেল জব্দ করে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে অভিযানের কাজটি সম্পন্ন হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন সয়াবিন তেল কম্পানির ডেলিভারিম্যান মো. হানিফ মিয়া (৬০) এবং অন্যজন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক জুনাইদ আলী (৪০)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায় যে, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল ও গৌরীপুরসহ আশপাশের অসংখ্য এলাকায় খুচরা দোকানে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৪৫০ গ্রাম ওজনের ৬৬০টি সয়াবিন তেলের বোতল পরিবহন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায় এবং তেলভর্তি ২৭টি কার্টন জব্দ করে।
পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখা যায় সেগুলি বোতলজাত সয়াবিন তেল কেরোসিনের মতো তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ বের করছে। তাঁরা আবিষ্কার করেন যে, বোতলগুলোর উপর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদনের কোনো তথ্য ছিল না। এছাড়া, বোতলগুলোর গায়ে উল্লিখিত প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাও প্রাথমিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণিত হয়।
জব্দ করা বোতলগুলোর গায়ে লেখা ছিল ‘Boss Number-1 Fortified Soyabean Oil’। লেবেলে প্রস্তুতকারক হিসেবে ‘Arikh Consumer Product Ltd., স্বদেশ টাওয়ার, ১ম তলা, নোটারি, গাজীপুর, বাংলাদেশ’ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু তদন্তের ফলে ওই ঠিকানার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ভেজাল তেল জনস্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বিবেচনায় ৬৬০টি বোতল তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস করা তেলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। এ পন্য বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত হানিফ মিয়া ও জুনাইদ আলীকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শূল্ক প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) এম এ জলিল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে মাদারীপুর সদর কোর্টের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
মাদারীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সকাল ১০টায় এ পরিদর্শনের শুরুতে জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে অতিরিক্ত ডিআইজিকে। এই সময় মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিরিক্ত ডিআইজি সদর কোর্টে পৌঁছালে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ এনামুল হক ফুল দিয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
অতিরিক্ত ডিআইজি কোর্টের বিভিন্ন অফিস কক্ষ ও মালখানা ঘুরে দেখেন পরিদর্শনকালে। তিনি মালখানায় সংরক্ষিত জব্দকৃত আলামত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ ছাড়া তিনি সদর কোর্টের বিভিন্ন রেজিস্টার ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। পাশাপাশি কোর্টে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবরও নেন।
পরিদর্শন শেষে এম এ জলিল বিচারিক আদালতের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এই সময়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সদর কোর্টে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ