ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সচিবালয় সরানো হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে


সচিবালয় সরানো হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী, ঢাকার আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হবে। একইসাথে, বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

গত বুধবার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও পাওয়া যায়নি। সরকার আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে চায়, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি নকশা প্রস্তুত করেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "তা অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।" ইতোমধ্যে প্রকল্পের নকশা প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব আমলে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় এই প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের নকশা নিয়ে কাজ করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে তিনটি বিকল্প নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনায়, প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় নতুন স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে, সব ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে।

নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে, রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে, প্রকল্পের ব্যয়, নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহ: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় গুপ্ত শিবির জড়িত ছিল: আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় গুপ্ত শিবির জড়িত ছিল: আবু হানিফ

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় গুপ্ত শিবিরের involvement ছিল।

তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালে আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ। সেই সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। তবে, তখন শিবিরকে কোথাও প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, সেই সময় অনেক শিবির নেতা ছাত্রলীগের মধ্যে গুপ্ত হিসেবে ছিল।

তিনি আরও বলেন, "গত কয়েকদিন আগে বলেছিলাম ফাহাদ হত্যার ঘটনায়ও গুপ্ত শিবির জড়িত থাকতে পারে।" তার মতে, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামির পক্ষের আইনজীবী সাবেক শিবির নেতা এডভোকেট শিশির মনির ছিলেন।

আরেকটি উদাহরণ হিসেবে, তিনি উল্লেখ করেন, যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছিল, তখন বর্তমান শিবির নেতা সাদিক কায়েম ছাত্রলীগের সাথে মিছিল করছিল। এই সবই প্রমাণ করে যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় গুপ্ত শিবিরের involvement ছিল।

আবু হানিফ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রলীগে থাকা অনেক গুপ্ত শিবির প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও গুপ্তরা এটাকে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে প্রচার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ফলে দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু এবং অনেকের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই শোকের বার্তা রোববার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "এ ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।" তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, "বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।" নিরপরাধ মানুষের জীবনহানি কাম্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "এ ধরনের সহিংসতা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে।" তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, "সৌদি আরবে বসবাসরত ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।" তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ তার শোক বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সফররত ব্যক্তিসহ নিরীহ মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।" তিনি বলেন, "বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।"

তিনি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তাঁরা যেন পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া যাত্রীসহ সব বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। সংঘাতের কারণে নিরীহ মানুষের জীবনহানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।

খেলাফত মজলিস

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নেতারা মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দকে চলমান সংঘাত বন্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান তার শোক বাণীতে বলেন, "বেসামরিক জীবন বিপন্ন করা এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বরদাশতযোগ্য নয় এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।"

তিনি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে শত্রুতা বন্ধের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, "সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত করতে হবে।"

জমিয়তে উলামা

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ভূমি সৌদি আরবে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।" তারা বলেন, "নিরীহ মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।" এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী তার বিবৃতিতে বলেন, "মুসলমানদের পবিত্র নগরী মক্বা-মদীনাকে শত্রুদের আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার জন্য মুসলিম বিশ্বের শাসকসহ শান্তিকামি বিশ্ব নেতাদের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করছি।" তিনি সৌদি ও বাংলাদেশ সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাতে এবং শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার বিবৃতিতে বলেন, "বেসামরিক বিমানবন্দর ও নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তারা বলেন, "এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিতিশীলতাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।"

তারা আরও বলেন, "রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা শুধু সৌদি আরবের নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়; এটি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি।" তারা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের (একাংশ) আমির আল্লামা আবু জাফর কাসেমী এবং মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম বিবৃতিতে বলেন, "সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ওমরা যাত্রীদের বহনকারী বিমানের ওপর হুতীতের হামলা অত্যন্ত নেককার জনক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা, এটা কোনক্রমেই গ্রহণ করা যায় না।" তারা বলেন, "সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো যেকোনো হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তারা এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ বলেও মন্তব্য করেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পে বিলম্ব ও বিরোধের সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


ভারতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পে বিলম্ব ও বিরোধের সৃষ্টি

ভারত প্রথম বুলেট ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় জাপানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল, যারা উচ্চগতির রেলের উদ্ভাবক এবং সহজ শর্তে অর্থায়নে আগ্রহী। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই রেলপথে এখনো কোনো যাত্রী পরিবহন সম্ভব হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, লাগামহীন খরচ বৃদ্ধি এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া নিয়ে একটি তিক্ত বিরোধ এখন প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে দেশ দুটির অবকাঠামোগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার মধ্যে যে মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে মুম্বাই ও আহমেদাবাদকে সংযুক্তকারী ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনটির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অন্যতম বড় উদ্যোগ ছিল।

গতি, নির্ভরযোগ্যতা এবং দক্ষতার জন্য জাপানের বুলেট ট্রেন বিশ্বজুড়ে ঈর্ষণীয়। তাই দিল্লি এ কাজের জন্য টোকিওর সঙ্গে চুক্তি করে। ২০১৫ সালে দেশ দুটি ১ হাজার ৫০০ কোটি (১৫ বিলিয়ন) ডলারের—যা প্রায় ৯৮ হাজার কোটি রুপি—একটি চুক্তিতে সম্মত হয়। এই চুক্তির আওতায় জাপান ৫০ বছর মেয়াদি ঋণ প্রদান করে, যার সুদের হার মাত্র ০.১ শতাংশ।

ট্রেন চালুর প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০২৩ সাল। তবে জমি অধিগ্রহণের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন অনেক পিছিয়ে যায়। দিল্লি সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৯৫০ কোটি ডলারে (প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি রুপি) দাঁড়িয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দেশ দুটির মধ্যে টানাপোড়েন চরম আকার ধারণ করে।

জাপানের সাবেক বিচারমন্ত্রী হিদেকি মাকিহারা গত জুলাই মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লেখেন, "প্রকল্পের অগ্রগতি না হওয়ার পেছনে শতভাগ দায়ী ভারত। তারা কখনোই তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না।"

এদিকে জাপানি কর্মকর্তারা দিল্লির বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, সিগন্যালিং ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান জার্মান শিল্পগোষ্ঠী সিমেন্সকে দেওয়া হয়েছে। জাপানের বুলেট ট্রেনের নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং সময়ানুবর্তিতা বজায় থাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার কারণে। সেখানে জাপানি রেল ট্র্যাক, ইউরোপীয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং ভারতীয় ট্রেনের সংমিশ্রণে তৈরি একটি ‘হাইব্রিড’ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পরীক্ষাহীন।

বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, ভারতের এই পদক্ষেপ ‘জেআর ইস্ট’-এর নেতৃত্বাধীন জাপানি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।

জাপানি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি পরিস্থিতিকে ‘বিশৃঙ্খলাপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, আলোচনা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে। তবে জেআর ইস্ট সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় এই প্রকল্প তদারকির জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে উচ্চগতির ট্রেন তৈরি করতে পারে, যা জাপানি ট্রেনগুলোর সক্ষমতার সমতুল্য হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, "উভয় পক্ষ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ একমত এবং বিস্তারিত আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।"

ইতোমধ্যে আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে ভারতে তৈরি ‘সেমি হাইস্পিড’ বন্দে ভারত ট্রেন চলাচল করছে। তা ছাড়া রেল মন্ত্রণালয় প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সাতটি হাইস্পিড রেল করিডোর চিহ্নিত করেছে। এর মাধ্যমে ১৬ লাখ কোটি রুপি (১৬৭ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যাবে বলে দেশটি আশা করছে।

ভারত জানিয়েছে, আগামী গ্রীষ্মে এই উচ্চগতির রুটের মাত্র ১০০ কিলোমিটারের একটি অংশ চালু হবে। এতে অপেক্ষাকৃত ধীরগতির ভারতে তৈরি ট্রেন ব্যবহার করা হবে। যদিও জাপানি কূটনীতিকেরা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপটি মাত্র ৫০ কিলোমিটারজুড়ে হতে পারে। তবে এই সময়সীমার বিষয়েও তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) সভা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারদলীয় সদস্যদের সভাকক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি তথ্য প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%