ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এখন মধ্যপ্রাচ্যের সব সমুদ্রপথ বন্ধের হুমকি ইরানের


এখন মধ্যপ্রাচ্যের সব সমুদ্রপথ বন্ধের হুমকি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগীদের সুবিধা দেয়, এমন বিভিন্ন বিকল্প জ্বালানি রপ্তানি করিডর বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির এই হুমকির পূর্বে, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে বন্ধ করে দেয় এবং এই পদক্ষেপের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে কঠোর অবরোধ আরোপ করে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-এর উল্লেখ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উপস্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফর ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ: রিজভী

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে জানাচ্ছে, আঞ্চলিক জ্বালানি রপ্তানির সুবিধা হবে, তা সবাই পাবে, না হলে কেউই পাবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান মূলত ইয়েমেনের মিত্র গোষ্ঠী হুথি মিলিশিয়াদের ব্যবহার করে লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার, যা বাব–এল–মান্দেব প্রণালি, বন্ধ করে দেওয়ার একটি পরোক্ষ সংকেত দিচ্ছে। যদি এমনটি ঘটে, তবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জ্বালানি পরিবহন পথ একই সঙ্গে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এই সংকীর্ণ বাব–এল–মান্দেব প্রণালিটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সাথে যুক্ত করে, যা সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বৈশ্বিক সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট।

এদিকে, ইরানের প্রেস টিভিতে খবর বেরিয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) হুথিদের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও একই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে তারা বাব–এল–মান্দেব প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে প্রস্তুত আছেন। এই কর্মকর্তা বলেন, এটি করলেই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম এক লাফে ২০০ ডলারে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

মূলত সোমবার, হুথিরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরব বোমা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করে দেশটির অভ্যন্তরে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে গত চার বছর ধরে চলা অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন

যদি প্রসঙ্গটি দেখা যায়, হুথিরা আগেও প্রমাণ করেছে যে, তারা বাব–এল–মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাহত করার সামরিক সক্ষমতা রাখে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে, এই গোষ্ঠীটি লোহিত সাগরে ইসরায়েল এবং পশ্চিমা সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার সক্ষমতা ‘দুর্বল করতে’ মার্কিন সামরিক বাহিনী নতুন দফায় হামলা শুরু করার মাত্র এক দিন পরেই আইআরজিসির পক্ষ থেকে এই নতুন হুমকি প্রদান করা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ইরান সাতটি বাণিজ্যিক জাহাজে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা চালিয়েছে, যার ফলস্বরূপ প্রায় এক ডজন নাবিক নিহত, নিখোঁজ বা আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হরমুজ প্রণালির আশপাশ ও ইরানের উপকূলীয় এলাকায় কয়েক ডজন সামরিক স্থাপনায় টানা সাত ঘণ্টা ধরে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে।

অন্যদিকে, আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অশুভ তৎপরতার অবসান না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি কোনোভাবে খোলা হবে না। হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার উপযুক্ত জবাব হিসেবে তারা ইতিমধ্যেই বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়ে সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

আরও পড়ুন: রাহুলের আহ্বান, সব ছাত্রসংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রায় যোগ দিতে বললেন

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরু হওয়ার পূর্বে, বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই প্রণালি দিয়েই সম্পন্ন হতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার পথ সুগম হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার পথ সুগম হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা যদি আমরা ধরে রাখতে না পারি, তবে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি এ ব্যাপারে বলেন, ‘আমরা আর কখনো শৃঙ্খলিত হতে চাই না। আমাদের গণতন্ত্রকে আর কখনো স্বৈরাচারী শক্তি অবদমিত বা পদদলিত করতে পারবে—সেটা আমরা হতে দেব না। এজন্য আমরা সংবিধানের ও রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই।’

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগকে প্রশাসনিক আদেশে নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে তিনি মত প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এক্সিকিউটিভ অর্ডারে (প্রশাসনিক আদেশে) কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করাকে সঠিক মনে করি না। এটি জুডিশিয়াল প্রসেস বা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদী মাফিয়া সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক, সেটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ব্যক্তি ও সংগঠন—উভয়ের বিচার করার বিধান রয়েছে। এই আলোকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করার আইনি প্রক্রিয়া সচল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে বড় বড় কথা বলছেন। আমরা আইনানুগভাবে প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি অনুসারে ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের সময় থেকেই তাকে ফিরিয়ে আনার চিঠি ও তাগাদাপত্র দিয়েছি। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। গতকাল পার্লামেন্টেও আমি স্পষ্টভাবে বলেছি, তার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। তাকে দেশে আনা মাত্রই গ্রেপ্তার করা হবে।’

এদিকে, বিদেশে পলাতক সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ ও অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি জানান, ‘এরই মধ্যে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে।’

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘২৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের যে স্ফুলিঙ্গ প্রকাশ পেয়েছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তার সফল সমাপ্তি ঘটে। ১৫ জুলাই যখন আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়, আমি তখন নির্বাসনে ছিলাম। কিন্তু আমার মনোযোগ ও সহযোগিতা আন্দোলনের সঙ্গেই ছিল। তখন বিদেশে বসেই তন্নী নামের এক ছাত্রীর ওপর ছাত্রলীগের বর্বর হামলার ছবি দেখেছিলাম, যা পরে বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয় এবং আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ১৬ জুলাই আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে আমার গ্রামের সন্তান ওয়াসিম আকরাম এবং পরবর্তীতে মুগ্ধসহ শত শত বীর সন্তান শহীদ হন।’

তিনি আরো বলেন, ‘নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যেভাবে হিটলারের নাৎসি সংগঠন ও গ্যাস্টাপো বাহিনীকে নিষেধ করা হয়েছিল, বাংলাদেশেও রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না। অথচ অত্যন্ত লজ্জার বিষয়, এই গণহত্যার জন্য তাদের মধ্যে ন্যূনতম কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার বালাই নেই।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘আন্দোলনের কৃতিত্ব একক কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়। জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করি। এই আন্দোলনের একক কৃতিত্ব কারও নয়, দেশের সমস্ত সাধারণ জনগণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। এই কৃতিত্ব সাধারণ মানুষের।’

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের বয়স হয়ে গেছে, আমরা তোমাদের কাছে এক নতুন বাংলাদেশ রেখে যাচ্ছি। যে বাংলাদেশটি স্বপ্ন ৭১-এর শহীদরা এবং ২০২৪-এর জুলাইয়ের শহীদরা দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব এখন তোমাদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো গাড়িতে মিলল ইয়াবা, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো গাড়িতে মিলল ইয়াবা, অতঃপর...

মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে সন্দেহ এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। কক্সবাজারের রামুতে অভিযান চালিয়ে ওই গাড়ি থেকে ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার এবং দুই নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর রাবার বাগান এলাকায় ডিএনসির চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম এলাকার উর্মি আক্তার ঊষা (১৯)।

ডিএনসির কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যটকবেশে ইয়াবা পাচারের তথ্য পেয়ে রামু রাবার বাগান এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৪-৮১১১ নম্বরের একটি সাদা টয়োটা প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিতে গাড়ির ভেতরে বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ ও টিস্যু পেপারে মোড়ানো তিনটি পোটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পোটলায় ১০টি করে জিপার লক পলিপ্যাকেট ছিল। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ৬ হাজার অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

অভিযানের সময় আসামিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া গাড়িটির উইন্ডশিল্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মিরপুর ডিওএইচএসের স্টিকার লাগানো ছিল। গাড়ির ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।

ডিএনসির উপপরিচালক জানান, এ ঘটনায় পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পর্যটনের আড়ালে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কক্সবাজারে এসে মাদক সংগ্রহ করে পাচারের প্রবণতা বেড়েছে। অনেক পাচারকারী মোটরসাইকেল বহর কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে ইয়াবা পরিবহন করছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে আইআরজিসির কড়া হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


জ্বালানি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে আইআরজিসির কড়া হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ওপর পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপ করার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি ঘোষণা করেছে, যদি তারা ইরানের জ্বালানি রফতানি বন্ধ করার চেষ্টা করে, তাহলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য থেকেই তেল ও গ্যাস রফতানি ব্যাহত হতে পারে। আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে বきয়োজন জানায়, "এই অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস রফতানি হবে, হয় সবার জন্য, নয়তো কারও জন্যই নয়।" বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, তাদের ওপর চাপ অব্যাহত থাকলে তারা পুরো অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এরই মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। উভয় দেশ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অন্যতম প্রধান এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনার বৃদ্ধি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় নৌ অবরোধ কার্যকর করার ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের পরিকল্পনার কথাও জানান। তবে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প ওই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর অনুরোধের পর জাহাজ থেকে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলেও, ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ পুনর্বহাল করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ এবং ইরানের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে আবারও পূর্ণাঙ্গ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে যেকোনও ধরনের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, মিলছে ধারাবাহিক হামলার আগাম ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, মিলছে ধারাবাহিক হামলার আগাম ইঙ্গিত

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। সংঘাত বন্ধ করার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কিছু দফায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

এই চলমান উত্তেজনা আরো বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র এবার মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েনের কথা জানাচ্ছে।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি বুধবার জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরো জোরদার হবে। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালাচ্ছি।

উপকূল এবং সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় তাদের যা কিছু আছে, সবকিছুই লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। যতক্ষণ না আমি বলব যে (থামো) যথেষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ হামলা চলবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আজ রাতে আমরা কঠোর হামলা চালাব। আগামীকাল রাতেও হামলা হবে। তার পরের রাতেও হামলা হবে। এরপর আগামী সপ্তাহে তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। কারণ তখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা হবে। এরপর সেতুগুলোতে হামলা হবে। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেব।

সব সেতু ধ্বংস করে দেব, যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে।’

ইরানের সামনে চুক্তি করা ছাড়া আর কোনও পথ নেই দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়। তাদের চুক্তি করাই ভালো। নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’

যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে চায় বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি আগে সেখানে (হরমুজ প্রণালি) একটি ফি আরোপের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু এর পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে চায়, যা আমার কাছে আরও ভালো মনে হয়েছে।’

তবে আমি ফি আরোপের ধারণাটি পছন্দ করি না। হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে। না হলে অন্যরাও একই কাজ শুরু করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পূর্বে, মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালিয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘এই লোকদের সঙ্গে আলোচনার একমাত্র উপায় হলো শক্তি প্রদর্শন। আর সেই শক্তি হলো সামরিক শক্তি। আমরা সেটাই করেছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%