বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ এম
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
উক্ত প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস ও মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন ধরে নিম্ন জন্মহার এবং দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাবের ফলে জাপানে বসবাসকারী দেশটির নাগরিকের সংখ্যা ৪২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ১২ কোটির নিচে নেমে এসেছে।
বুধবার দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা কিয়োডো নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের জাপানি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৩ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ লাখ ১৭ হাজার কম।
১৯৬৮ সালে জরিপ শুরু হওয়ার পর থেকে ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ জনসংখ্যায় পৌঁছায় জাপান। এরপর টানা ১৭ বছর ধরে ক্রমাগতভাবে দেশটির জাপানি নাগরিকের সংখ্যা কমছে।
একই সময়ে জাপানে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০১৩ সালে এসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এবারই বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা সর্বোচ্চ হয়েছে। বিদেশিদের অন্তর্ভুক্ত করলে জাপানের মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪২ জন।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের জনগণের মধ্যম বয়স এখন ৪৯.৯ বছর, যা বিশ্বের মধ্যে মোনাকোর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
চলতি বছরের জুনে প্রকাশিত আরেকটি সরকারি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালে দেশটির মোট জন্মহার আরো কমে রেকর্ড সর্বনিম্ন ১.১৪-এ নেমে এসেছে। অর্থাৎ একজন নারী তার জীবদ্দশায় গড়ে মাত্র ১.১৪টি সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। এটি টানা দশম বছরের মতো জন্মহার কমার ঘটনা।
এছাড়া, দেশটিতে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার কমে মাত্র ৬ লাখ ৭০ হাজারের কিছু বেশি হয়েছে, যা ১৮৯৯ সালে রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসংখ্যা হ্রাসের ফলে জাপানে শ্রমিক সংকট, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যয়ের বৃদ্ধি এবং করদাতার সংখ্যা কমে যাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে জনসংখ্যা সংকট মোকাবেলায় প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগও নিয়েছে জাপান। টোকিও মহানগর সরকার চালু করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ডেটিং অ্যাপ ‘টোকিও এনমুসুবি’-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২৬৫টি দম্পতির বিয়ে হয়েছে বলে চলতি মাসে জানানো হয়েছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু হওয়া এই অ্যাপটি এমন এক জরিপের পর চালু করা হয়, যেখানে দেখা যায়, বিয়েতে আগ্রহী প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সক্রিয়ভাবে জীবনসঙ্গী খুঁজছেন না।
অ্যাপটিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীদের আইনগতভাবে অবিবাহিত হওয়ার প্রমাণ দিতে হয় এবং অনলাইন সাক্ষাৎকারসহ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অ্যাপটিতে নিবন্ধিত সদস্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার। প্রায় ৩৬ হাজার আবেদনকারীর মধ্য থেকে তাদের নির্বাচন করা হয়েছে। বর্তমানে অ্যাপটির মাধ্যমে ৭৬০টি জুটি ‘গুরুতর সম্পর্কে’ রয়েছেন বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাকেরগঞ্জ চরামদ্দি ইউনিয়নের উত্তর বাদলপাড়া এলাকার মজুমদার বাড়িতে দুর্বৃত্তদের বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে তিনটি পুকুরের মাছ নিধন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নিরীহ ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আবুল কালাম (কাবুল) মজুমদার দাবি করেছেন যে, উক্ত ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবৎ বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের সেবা করার পরে অবসরে যান। কর্মজীবনের শেষ সম্বল হিসেবে পেনশনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে নিজের গ্রামের বাড়ির তিনটি পুকুরে মাছের চাষ করার উদ্যোগ নেন। এই মাছ চাষ ছিল তার অবসরের পর নতুন জীবিকার স্বপ্ন ও একটি আশা। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে তার তিনটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে পুকুরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তার চাষ করা মাছ পানির سطحে ভেসে উঠেছে। এই দুর্ঘটনার ফলে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার মাছ মারা যায়। আবুল কালাম (কাবুল) মজুমদার বলেন, “যারা এই কাজ করেছে তারা শুধু আমার মাছই মারেনি, বরং আমার শেষ বয়সের স্বপ্ন, পরিশ্রম ও জীবিকার আশাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে।” এই ঘটনার ফলে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করে চরামদ্দি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহরাব হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা দ্রুত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ট্রাইব্যুনালে তোলা হবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের সময় ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করা হবে বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে। একই তথ্য জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত সোমবার, ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী যে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রয়েছে, তারা শাপলা চত্বরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন।
একই আদেশে পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ওই পলাতক আসামিদের একজন ছিলেন।
এছাড়া, অন্যান্য মামলায় কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে এই মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আদেশের পর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ৪১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে।
প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগ গঠন করা হবে এবং এরপর মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর হামলা এবং সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার দুই খেলোয়াড় ও দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিফা।
বুধবার (২৯ জুলাই) তারিখে ফিফা প্রকাশিত শৃঙ্খলাজনিত অভিযোগের তালিকায় আরও কয়েকটি অভিযোগ আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ, ফাইনালের পর এক সহকারী কোচের (রবার্তো আয়ালা) বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এবং বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচে দর্শকদের বস্তু নিক্ষেপের ঘটনাগুলো।
গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে হামলার তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে দুটি এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া মলিনা ও থিয়াগো আলমাদার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও।
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা 'লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস' (মালভিনাস আর্জেন্টিনার) লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছেন।
আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে ইসলাস মালভিনাস নামে উল্লেখ করে থাকে। ১৯৮২ সালে তৎকালীন আর্জেন্টাইন সামরিক জান্তার নির্দেশে দ্বীপপুঞ্জে অভিযান চালানো হলে ১০ সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধ শুরু হয়, যেখানে ব্রিটেন শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়।
ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তারা এই ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হলো, 'খেলাধুলার বাইরের উদ্দেশ্যে একটি ক্রীড়া ইভেন্টকে প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা।'
ফিফা আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত সব ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য পর্যালোচনা করার পর যথাসময়ে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ