০১:১৩ পি.এম
প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করা শরিফুল ইসলাম এবার বল হাতে ম্যাকাইয়ের বাইশ গজে আগুন ঝরালেন! তিনি স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে একাই তুলে নিলেন ৬ উইকেট।
ম্যাচের দ্বিতীয় সেশনটি ছিল চরম নাটকে ভরপুর; যেখানে দুই দল মিলিয়ে পতন ঘটেছে মোট ৭টি উইকেটের।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়, তবে শরিফুল অজিদের বুক কাঁপিয়ে দেন। তিনি মাত্র ৪১ রানে অজিদের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে শুরুতেই বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা দেন। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগৃহীত রান ছিল ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৫০। তবে একপ্রান্তে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ৫০ ঊর্ধ্ব জুটিতে বাংলাদেশ দল কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছিল। শেষমেশ সেই ভয়ংকর হয়ে ওঠা জুটি ভেঙে স্বস্তি ফেরান শরিফুল নিজেই।
আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ের শুরুতেই চাপ সৃষ্টি করেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে অজি ওপেনার ম্যাট রেনশকে (৮) স্লিপে তানজিদ হাসান তামিমের তালুবন্দী করান স্পিডস্টার তাসকিন আহমেদ। ২২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর অষ্টম ওভারে আক্রমণের রাশ নিজের হাতে তুলে নেন শরিফুল।
ওভারের দ্বিতীয় বলেই অজি ওপেনার ট্র্যাভিস হেডকে (২২) ইনসাইড এজ বানিয়ে বোল্ড করেন তিনি। আর তার মাত্র চার বলের ব্যবধানে মার্নাস লাবুশেনকেও (৪) ফিরিয়ে দেন। শরিফুলের ভেতরের ঢোকা বলে খাতা খোলার আগেই বোল্ড হয়ে যান এই অজি ব্যাটার, ফলে তিনি চরম চাপে পড়েন।
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে শরিফুল আবারও স্পেল-বাইন্ডিং স্পিড দেখান। স্মিথ ও গ্রিনের মধ্যে জমে ওঠা ৭৭ রানের বিপজ্জনক জুটিতে আঘাত হানেন শরিফুল নিজেই।
শরিফুলের সোজা ডেলিভারিতে স্মিথকে আম্পায়ার এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত দিলে রিভিউ নেন এই ব্যাটার, তবে আম্পায়ার্স কলে ৬ চারে ৪২ রানে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার
১১৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর শরিফুল ওয়েবস্টার, কামিন্স ও স্টার্ককেও দ্রুত ফিরিয়ে অজিদের চালকের আসনে টেনে নামানোর রূপকার হিসাবে এককভাবে কাজ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন