বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৮ এম
পবিত্র মসজিদুল হারামে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের সেবার মান উন্নত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায়, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ধর্মবিষয়ক সাধারণ প্রেসিডেন্সি নারী স্বেচ্ছাসেবকদের মাঠ পর্যায়ের কাজের জন্য দক্ষতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ইমপ্যাক্ট কম্পাস’ নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো মসজিদুল হারামে দায়িত্ব পালনকারী নারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা প্রদান করা। তাই, ইমপ্যাক্ট কম্পাসের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবকদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাস্তব কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিও দেওয়া হচ্ছে।
স্বেচ্ছাসেবকদের বিভিন্ন ধরনের দায়িত্ব এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন, নির্দেশনা ও কর্মপদ্ধতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের ধরন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি এবং মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
‘ইমপ্যাক্ট কম্পাস’ উদ্যোগের বিভিন্ন সূচকে ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের ৯৮ শতাংশ নিয়ম-কানুন ও নির্দেশনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জন করেছেন। এছাড়া, ৯৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব অনুশীলনে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছেন। ৯৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মাঠ পর্যায়ের প্রয়োগমূলক কার্যক্রম থেকে উপকৃত হয়েছেন।
মসজিদুল হারামে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও দর্শনার্থী আগমন করে, বিশেষ করে নারী দর্শনার্থীদের প্রয়োজনীয় সেবা ও নির্দেশনা প্রদানে দক্ষ নারী স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে, তাদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৃদ্ধির উদ্যোগ সেবার সামগ্রিক মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই কেনাকাটা এবং দৈনন্দিন নানা কাজে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। অনেক সময় দেখা যায়, সেখানে অবস্থিত দোকানপাট বা মার্কেট বন্ধ থাকে, যা বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবান সময়েরও ক্ষতি হয়। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাইরে বের হওয়ার পূর্বে জেনে নেওয়া উচিত, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা ও রমনা শিশুপার্ক।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপারমার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, ফরচুন শপিংমল, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিজে ওয়াটলিং খেলোয়াড় হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে বহুবার জয় এনে দিয়েছেন। এবারও তার লক্ষ্য একই থাকবে। তবে এবার তার ভূমিকাটি হবে ভিন্ন।
ওয়াটলিং নেপথ্যের নায়ক হওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করবেন। তিনি উত্তরসূরিদের ব্যাটিংয়ে সহায়তা করবেন। ৪১ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটারকে কিউইদের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ড আগামী নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্ট সিরিজ খেলবে। এই সিরিজ শেষ হওয়ার পর লুক রনকি ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় থাকবেন না। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ওয়াটলিং দায়িত্ব নেবেন। অস্ট্রেলিয়া সফর দিয়ে শুরু হবে তার নতুন মেয়াদ।
দায়িত্ব পেয়ে ওয়াটলিং অত্যন্ত খুশি। ৪১ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। জাতীয় দলে ফেরা এবং এই দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া বিশেষ কিছু। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দল ও সাপোর্ট স্টাফরা একসঙ্গে যা অর্জন করেছে, তা অসাধারণ। বিশ্বমানের দলটিতে অবদান রাখতে মুখিয়ে আছি।’
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়। অভিষেক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ওয়াটলিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনি ৭৫টি টেস্ট, ২৮টি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ৩৭.৫২ গড়ে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে তার রান সংখ্যা ৩ হাজার ৭৯০, যা কিউই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এর আগে ওয়াটলিং ঘরোয়া দল ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস ও নর্দান ডিস্ট্রিক্টসের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার রান সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি। নর্দান ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে সুপার স্ম্যাশ ও ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্লাঙ্কেট শিল্ড জয়ে তিনি দলের সদস্য ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৩ জন নিহত এবং অন্তত ৩৬ জন আহত হয়েছে। চলমান এই তীব্র লড়াইয়ের কারণে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে হুতি বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে দুই লাখের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির ‘আভা’ এবং রিয়াদের ‘কিং খালিদ’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলাগুলো সংঘটিত হয়। এপি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এর দায় স্বীকার করেছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আভা বিমানবন্দরের হামলায় মরক্কো ও আলজেরিয়ার দুজন বাসিন্দা নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছে। কিং খালিদ বিমানবন্দরের হামলায় এক সুদানের নাগরিক নিহত এবং আটজন আহত হয়।
পরপর হামলার ঘটনায় রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘আরামকো’-র জ্বালানি ট্যাংক ও সংবেদনশীল সরঞ্জামের চারপাশে বাড়তি সুরক্ষা হিসেবে খাঁচার মতো শক্তিশালী বেড়া স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক এই দেশটির তেল অবকাঠামো ও সামরিক সম্পদ লক্ষ্য করে হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের বিকল্প বাণিজ্যিক নৌপথে বড় ধরনের সামরিক ও বাণিজ্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি জানিয়েছেন, রিয়াদের উত্তরাঞ্চলে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ইয়েমেনের সানা থেকে যে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রিয়াদে হামলা চালানো হয়েছিল, সেটিও বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ যে পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই বাব আল-মানদেব প্রণালি ও লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা হুতি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নিতে সৌদি ও মিত্র ইয়েমেনি বাহিনী বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু করেছে। সমুদ্রসীমার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ইতিমধ্যেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জোট সামরিক সূত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দিল্লির নিউ সীমাপুরি এলাকার ঈদগাহ মাছলি মান্ডির কাছে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে একটি চারতলা আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ায়, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা চারজনে পৌঁছেছে।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবনধসের ফলে দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু ঘটেছিল। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো আটজন।
আহত আটজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তাহিরপুরের রাজীব গান্ধী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে মোমিন মির্জা (৫৬), তিন বছরের একটি শিশু, আবদুল রহমান (২৮), দেবরুদ্দিন (২৮), সালমা (৫০), ছোটে (৩৪), সাকিনা (৩৫) ও সামাদ (৩০) রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে এক ১২ বছর বয়সী মেয়ের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। অন্যদিকে, গুলাফসা (২১) নামের একজন নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে, যিনি প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তৃতীয় নিহত শিশুটির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্যও এখনো জানা যায়নি।
উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী যন্ত্রপাতি পাঠানো হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। শাহদারা পুলিশের উপকমিশনার রাজেন্দ্র প্রসাদ মীনা জানান, ধসে পড়া ভবনটি চারতলা ছিল এবং উদ্ধার অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে খবর পাই। এটি চারতলা ভবন। ভবনটির আয়তন ২৫ বর্গগজ। এখন পর্যন্ত সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত। উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে সব সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত আছেন। অ্যাম্বুলেন্স ও দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ সবাই ঘটনাস্থলে আছেন।’
জ্যেষ্ঠ ফায়ার কর্মকর্তা মনীশ কুমার জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ন্ত্রণকক্ষ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে খবর পায়। বলা হচ্ছে, কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধার অভিযান চলছে।’
উত্তর-পূর্ব দিল্লির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অজয় কুমার জানান, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। অজয় কুমার বলেন, ‘বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে রাস্তার একেবারে কোণায় থাকা একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ে। ভবনটি প্রায় ২২ থেকে ২৫ বর্গগজ জায়গাজুড়ে ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাশের ভবনটি ভাঙার কাজ চলছিল। সম্ভবত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে সেখানে কম্পন তৈরি হয়। সেই কম্পনের প্রভাবেই এই ভবনটি ধসে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই সময় ভবনের ভেতরে প্রায় সাত থেকে আটজন ছিলেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে। আমরা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের যন্ত্রপাতি ও সদস্যদের মোতায়েন করেছি। অন্য সংস্থাগুলোর সদস্যরাও কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত আটজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবনের ভেতরে আরও দুই থেকে তিনজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন।’
দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় গত ৬ সেপ্টেম্বর একটি ভবন ধসে সাতজন নিহত হওয়ার এক মাস পর এই ঘটনা ঘটল। সীমাপুরির ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। একাধিক সংস্থার সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে দেখছেন। আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা চলছে।
মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সীমাপুরিতে মর্মান্তিক ভবন ধসের পর সেখানে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দলকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও কর্মকর্তাকে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।‘
দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসাও বলেন, সীমাপুরিতে ভবন ধসের পর ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চলছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিরসা বলেন, দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দল ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে যুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চলছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
পোস্টে বলা হয়, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত সবাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, আমি ওয়াহেগুরুর কাছে সেই প্রার্থনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ