বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৮ পি.এম
আইসিসি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ চূড়ান্ত করেছে। বাংলাদেশের অবস্থান ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউ জিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, এখানে যোগ হবে একটি দল, যারা বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসবে, তাদের নামকরণ করা হয়েছে ‘কোয়ালিফায়ার বি।’
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরে ভারত ও পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রাখা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। এছাড়া, তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে আরেকটি দল, যারা ‘কোয়ালিফায়ার এ’ হিসেবে পরিচিত।
স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে এবং র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের আরেক স্বাগতিক নামিবিয়া আইসিসির পূর্ণ সদস্য না হওয়ায় তাদের বাছাইপর্বে অংশ নিতে হবে।
১০ দলের বাছাইপর্বের বিজয়ী দল সরাসরি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে স্থান পাবে। নতুন কাঠামোর ‘সুপার সিরিজ’ থেকে আসবে অন্য একটি দল।
বিশ্বকাপের দল সংখ্যা ১০ থেকে বৃদ্ধি করে আগামী আসরে ১৪টি করা হলেও, সব দল বিশ্বকাপের মূল স্রোতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। নতুন কাঠামো অনুযায়ী ১২, ১৩ ও ১৪তম স্থানে থাকা তিন দলের মধ্যে ‘সুপার সিরিজ’ অনুষ্ঠিত হবে। বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা তিন দলের মধ্যে মূলত এই ‘সুপার সিরিজ’ অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্ব থেকে দুটি দল বাদ পড়বে, এবং শীর্ষ দল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে। গ্রুপ পর্বে ১২টি দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতা করবে।
প্রতি দল এখানে পাঁচটি করে ম্যাচ খেলবে। এই দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে পরবর্তী সর্বোচ্চ স্থানে থাকা দল, মোট সাত দল নিয়ে ‘সুপার সেভেন’ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এখান থেকে শীর্ষ চারটি দল সেমি-ফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমেরিকার অন্যতম শীর্ষ আইভি লিগ প্রতিষ্ঠান কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া একটি যৌন নির্যাতনের ঘটনা পুরো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একজন তরুণী কীভাবে প্রাথমিক ভয়, লজ্জা ও সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আতঙ্ককে অতিক্রম করে নিজের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নথি অনুসন্ধানে প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি ট্র্যাজিক ও সাহসী গল্প।
ঘটনার শুরু ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের 'চি ফি' (Chi Phi) ফ্র্যাটারনিটির একটি পার্টিতে দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী (যার পরিচয় গোপন রাখতে 'জেন ডো' নামে উল্লেখ করা হয়েছে) অংশগ্রহণ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে জোরপূর্বক 'কেটামিন' (এক ধরনের মাদক) সেবন করানো হয় এবং একাধিক তরুণ কর্তৃক তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার হন।
ঘটনার পরের দিন সকালে, যখন তিনি নিজের ঘরে ফিরে আসেন, তখন মানসিকভাবে মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। সামাজিক হেনস্তা ও নিজের সুনাম নষ্ট হওয়ার ভয়ে তিনি প্রথমে ঘটনাটি প্রকাশ করতে চাননি। এমনকি তিনি নিজের রুমমেট ও বন্ধুদের কাছে এটিকে একটি "উন্মাদনাপূর্ণ রাত" বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রথমদিকে অভিযুক্ত তরুণদের একজন ক্ষমা চেয়ে বার্তা পাঠালে, পরিস্থিতির শিকার তরুণী ভয় ও দ্বিধার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছিলেন।
তবে অক্টোবরের শেষের দিকে ঘটনা একটি নতুন মোড় নেয়। গ্রীক লাইফ সংক্রান্ত একটি অনলাইন ফোরামে যখন অজ্ঞাতনামা কেউ লেখেন—"তারা তাকে মাদক খাইয়ে গণধর্ষণ করেছে, ওদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করুন", তখন তরুণীটি প্রথমবারের মতো উপলব্ধি করেন যে তিনি কোনো ভুলের অংশ নন, বরং একটি ঘৃণ্য অপরাধের শিকার। তিনি নিজের এক বন্ধুর কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই প্রথম আমি অনুভব করলাম আমি কোনো অপরাধী নই, আমার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে।"
হ্যালোইন পার্টিতে তাকে আসতে নিষেধ করা হলে, তিনি বুঝতে পারেন ফ্র্যাটারনিটির সদস্যরা নিজেদের বাঁচাতে তাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মেসেজে লেখেন, "মেয়েদেরই সবসময় মাশুল দিতে হয়। তোমরা আমার বন্ধু নও, নিজেদের বাঁচাতেই এসব করছো।"
নভেম্বরের ৩ তারিখে অভিযুক্তদের একজনকে স্পষ্টভাবে খুদে বার্তা পাঠিয়ে তিনি জানান, সেই রাতে যা ঘটেছিল তার ৯০ শতাংশই সম্মতিহীন ছিল এবং তাকে সংজ্ঞাহীন করে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। এর পরপরই ৭ নভেম্বর তিনি হাসপাতালে গিয়ে 'রেপ কিট' পরীক্ষা করান এবং পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক বিভাগ ও পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নীতি 'টাইটেল নাইন' (Title IX)-এর আওতায় সংগৃহীত শত শত পৃষ্ঠার ইমেইল, মেসেজ ও সাক্ষাত্কার থেকে প্রতিভাত হয়, কীভাবে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ট্রমা ও লজ্জা অতিক্রম করে আইনি লড়াইয়ের পথে পা রেখেছেন।
যদিও স্থানীয় কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে ফৌজদারি মামলা না চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, তবে ওই তরুণী দমে যাননি। তিনি ইতিমধ্যে অভিযুক্ত সাতজন তরুণের বিরুদ্ধে সিভিল কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনা বর্তমানে সমগ্র আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে নারী নিরাপত্তা, মাদক প্রয়োগ এবং সম্মতির (consent) সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার ঝড় তুলেছে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাংলামোটরে কথোপকথনের জেরে সোহান (৪৫) নামের একজন ব্যক্তিকে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে ফেরদৌস আহাম্মেদ সাইমনের বিরুদ্ধে, যিনি হাতিরঝিল থানার যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং বহিষ্কৃত নেতা।
এছাড়া, সেখানে ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত সোহানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে হাতিরঝিল থানাধীন বাংলামোটর মোড়ের উত্তর পাশের পাম্পের গলিতে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ওসি আসাদ।
বিস্তারিত আসছে.....
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "সরকারি সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারও নেই।" এই ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, "রাজশাহী শান্তির শহর। এখানে সবাই মিলেমিশে থাকে। কিন্তু একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে উসকানিতে ভাঙচুর করা হয়েছে। যারা করেছে, তারা ঠিক করেনি। সরকারি সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারও নেই।"
ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, এ ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত সাপেক্ষে যারা অকারণে স্টেশনের সরকারি সম্পদে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে তিনি স্টেশনের সার্বিক কার্যক্রম, যাত্রীসেবার মান ও অবকাঠামোগত ভাঙচুরের পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার, ভাঙচুর করা বিভিন্ন জিনিসপত্র, অপেক্ষাকক্ষ ও যাত্রী লাউঞ্জ পরিদর্শন করেন।
এই সময় রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চারজনকে বরখাস্ত করেছে। আর স্টেশনে হামলার ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে।
স্টেশনে হামলার সময় ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীতে উপস্থিত ছিলেন না। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহী এসে তিনি রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করতে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিজনেস প্রসেস সহজীকরণ সংক্রান্ত একটি বৈঠকে তিনি এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেন।
বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট কোম্পানিস এন্ড ফার্মস (আরজেএস) এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা গ্রহণের বর্তমান প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর সেবা নিশ্চিত করার জন্য অপ্রয়োজনীয় ধাপ ও সময় কমানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা কমানো সম্ভব হলে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা যাবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবাগুলোকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল ও সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা এবং সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে ব্যবসাপ্রক্রিয়া সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজনেস বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ