ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত হাসপাতাল বন্ধ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি। বরং, এটি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করার জন্য নেওয়া হয়েছে। রবিবার জাতীয় সংসদে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা জানান। সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ছয়টা শিশু যখন বাঁচার জন্য ছটফট করছিল, তখন সেখানে কোনো অক্সিজেন ছিল না। এসি বন্ধ ছিল, জানালা-দরজা বন্ধ ছিল। ১৬-১৭ জন মা কাঁদছিলেন ও ছোটাছুটি করছিলেন; কিন্তু একজন চিকিৎসকও সেখানে আসেননি। কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রভাবে বাচ্চাগুলো মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।’ বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে ইউনাইটেড হাসপাতাল বা বার্ন ইউনিটের অগ্নিকাণ্ড ছিল দুর্ঘটনা। তবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনায় অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে। তার দাবি, ঘটনার পর হাসপাতালের মালিক ঘটনাস্থলে যাননি। কিন্তু তিনি নিজে পরদিন সেখানে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং চিকিৎসকরা অবহেলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই বলেছেন, সেখানে ২০০-২৫০ টাকায় ডায়ালাইসিস হয়। এটা সত্য। তবে মাথাব্যথা হলে যেমন মাথা কেটে ফেলা যায় না, তেমনি যারা ভুল করেছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আমরা লাইসেন্স স্থগিত করেছি, হাসপাতাল বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’ হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, হাসপাতালের অনুমোদিত ভবনের একটি অংশে বেকারি চালানো হচ্ছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য জমে আছে, যা অগ্নিকাণ্ডের বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। তার অভিযোগ, হাসপাতালের মালিকের অবহেলা ও একগুঁয়েমির কারণে পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন এনে তার স্ত্রীকে প্রধান নির্বাহী করা হয়েছে। মন্ত্রী সরকারের প্রতি স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আপসহীন থাকার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার আগে দেশের ১৮ কোটি মানুষ। মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনের মূল্য সরকারকে রক্ষা করতে হবে। আমি আমার প্রধানমন্ত্রীর নিয়োজিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আমার বাচ্চাগুলো বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে— এটা হতে পারে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতে ইসলাম কেমন ইসলাম, বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


জামায়াতে ইসলাম কেমন ইসলাম, বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে কোথাও শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠার কথা নেই। তিনি প্রশ্ন করে বলেন, 'আপনারা কি কোথায় বলেছেন, ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা, ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা, ইসলামী বিচার ব্যবস্থা বা ইসলামী অর্থনীতি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবো?' তিনি উল্লেখ করেন, 'আগে তাদের মনোগ্রামের মধ্যে আকিমুদ্দিন ছিলো। এখন সেটাও আর নেই।'

রোববার তিনি জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেয়ার সময় এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের একটা অস্থির সময় ছিলো যমুনার অভ্যন্তরে আর যমুনার কিনারে মিলিয়ে। সেই সময় আমরা দেখেছি যে, যারা আজকে করাপশনের জন্য হিসাব নিতে বলছেন এবং ব্যবস্থা নিতে বলছেন; ফরেন লোনের কথা বলছেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি আজকে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সবকিছু তদন্তের জন্য আপনি দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ দেন।'

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, 'নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে জুলাই সনদে সই করেছি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ; অপসারণের দাবি এলাকাবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর কিশোরগঞ্জ

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


কুলিয়ারচরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ; অপসারণের দাবি এলাকাবাসীর

কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার ৪৩ নং দড়িগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তারের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম, দুর্নীতি এবং এলাকাবাসীর সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে নিজের মনমতো স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত অভিযোগের প্রতিবাদে এলাকায় এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় মাঠে অভিভাবক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটির সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মহর উদ্দিন। সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সালুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল হাসান, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, এলাকাবাসীর প্রতিনিধিত্বকারী মো. বাবুল মিয়া, মো. জসিম উদ্দিন, লিটন মিয়া, আইন উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, শামসু মিয়া এবং কামরুজ্জামান মেরাজ।

প্রতিবাদ সভা শেষে দুপুরে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ২০ জনের স্বাক্ষরিত দু'টি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর জমা দেয়া হয়। নিজেদের আবেদনে মাহমুদা আক্তারকে অপসারণ করে একজন যোগ্য নতুন প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদায়নের দাবি জানানো হয়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন যে, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছিল। কিন্তু মাহমুদা আক্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ে নানান প্রকার অনিয়ম শুরু হয়েছে। এছাড়া, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী মো. এমাদ মিয়া'র দায়িত্ব পালনে অবহেলায় প্রতিদিন রাতে বিদ্যালয় চত্বরে মাদক ও জুয়ার আড্ডা হওয়ার অভিযোগ উঠছে।

তারা আরো অভিযোগ করেছেন যে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তার স্বেচ্ছাচারীভাবে স্লিপের (SLIP) বরাদ্দকৃত টাকা স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির (এসএমসি) অগোচরে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। মা দিবস এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালনের নামে নামমাত্র খরচ দেখিয়ে অথবা দিবস পালন না করেই ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে। এমনকি তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে 'ম্যানেজ' করার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে খরচের খাত দেখিয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাবেক শিক্ষার্থীরা প্রত্যয়নপত্র নিতে গেলে তাদের কাছে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে তাঁর নিজ বাড়িতে প্রাইভেট বা কোচিং পড়তে বাধ্য করেন। কেউ রাজি না হলে পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেওয়ার হুমকি দেওয়া তাঁর জন্য স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, কোন শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন বা অন্য কোন কাজের জন্য স্কুল প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হলে ডুমরাকান্দা বাজারের তাঁর স্বামীর কম্পিউটার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাজ না করালে কোন অভিভাবক সন্তানের নামে প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করেন না। অভিভাবকদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং স্কুল চলাকালীন সময়ে অফিসের কাজে অজুহাত দিয়ে স্কুল ত্যাগ করা, এসব তাঁর নিয়মিত কাজের তালিকায় পরিণত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো অভিযোগ করেছেন যে, গত ১৪ মে কমিটি গঠন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এলাকাবাসীকে নিয়ে একটি মিটিং করেন। এই মিটিংয়ে অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কোনো প্রকার নির্বাচন ছাড়াই সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান-কে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু সেই কমিটি নিজের মনমতো না হওয়ার কারণে, পূর্ববর্তী কোনো নোটিশ ছাড়াই গত ২৫ জুন আবারও একটি মিটিং ডাকেন তিনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, উক্ত মিটিংয়ে বেশ কয়েকজন সদস্যের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তানিয়া বেগমের পিতা, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন (আঙ্গুর) কে সভাপতি হিসেবে নিয়োগের চেষ্টা করেন। সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল হাসানের সদস্য পদ বাদ দিয়ে স্কুলের দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী মো. এমাদ উদ্দিনের মা, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. জামেনা-কে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হলে বেশ কয়েকজন অভিভাবক সদস্য আপত্তি জানিয়ে মিটিং বয়কট করেন।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তারের বিরুদ্ধে বিগত ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর দু'টি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও তখন পর্যন্ত সেই বিষয়ে কোনো সুরাহা মেলেনি।

বর্তমানে এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অবিলম্বে অপসারণ করে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, "সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. জামেনা-কে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয় নিজেই মনোনীত করে একটি চিঠি দিয়েছেন। অপর দিকে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মো. মনিরুজ্জামান-কে মোবাইল মেসেঞ্জারে মিটিংয়ের বিষয়ে অবগত করা হলেও তিনি ২৫ জুনের মিটিংয়ে উপস্থিত হননি এবং অপর এক অভিভাবক সদস্য মুক্তা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশন হওয়ায় তিনিও উপস্থিত হতে পারেননি। সভাপতির পদে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন (আঙ্গুর) প্রার্থীতা ঘোষণা করায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।' এ বিষয়ে সকলের স্বাক্ষর রয়েছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে বাড়িতে এনে প্রাইভেট পড়ান। তিনি সত্যিকার সত্য চোখে আনার জন্য সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী মো. এমাদ মিয়া বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদুর রহমান বলেছেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারিগরি ত্রুটি ও কয়লার সংকটেই লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


কারিগরি ত্রুটি ও কয়লার সংকটেই লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জাতীয় সংসদে বলেছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি এবং বঙ্গোপসাগরে উত্তাল আবহাওয়ার কারণে কয়লা খালাসে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন জাতীয় গ্রিড থেকে কমে গেছে। এই কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

তিনি আজ সংসদে ৩০০-বিধির আওতায় দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিকেজ দেখা দেওয়ায় কেন্দ্রটি জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ (ফোর্সড শাটডাউন) করতে হয়েছে। অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরে উত্তাল পরিস্থিতির কারণে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে ওই কেন্দ্রের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, এই দুই কারণে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কমে গেছে। এবং এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে এমনকি ঢাকাতেও লোডশেডিং করতে হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, এই পরিস্থিতি নিয়ে তিনি সংসদের বিরোধী দলের নেতা ড. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বিষয়টিকে একটি জাতীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করে সংসদের সব সদস্য এবং দেশের জনগণের প্রতি ধৈর্য ধরার পাশাপাশি সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানান।

আগামী দুই দিনের মধ্যে পরিস্থিতি উন্নতির আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও কমে আসবে।

এই সময় অধিবেশনের সভাপতি ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতিটি বিধি-৩০০ অনুযায়ী সংসদের কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ ১১২ বছর পর আবারও উন্মুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ ১১২ বছর পর আবারও উন্মুক্ত

তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের গুমুশহানে প্রদেশে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ, ১১২ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিনের সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ শেষে সম্প্রতি এখানে জুমার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম জুমার জামাতে ইমামতি করেন স্থানীয় মুফতি খায়রি আরনায়। এ সময় বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজে অংশ নেন।

প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো এই মসজিদটি সেলজুক যুগের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। সংস্কারকাজে এই ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও মূল স্থাপত্য যথাসম্ভব অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।

১৯১৪ সালের পর বিভিন্ন কারণে মসজিদটি বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ২০০৫ সালে তুরস্কের ফাউন্ডেশনস জেনারেল ডিরেক্টরেটের তত্ত্বাবধানে এর সংস্কার কাজ শুরু হয়। প্রায় দুই দশকের প্রচেষ্টার পর ২০২৫ সালে সংস্কার সম্পন্ন হলে ১১২ বছর পর আবারও মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুফতি খায়রি আরনায় বলেন, দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর মসজিদটি আবারও ইবাদতের জন্য খুলে দেওয়া স্থানীয় জনগণের জন্য আনন্দের বিষয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এখন থেকে এখানে নিয়মিত নামাজ ও ইবাদত চালু থাকবে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও দৃঢ় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%