বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২৭ এম
ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানে অসুস্থ হয়ে মারা যান চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছানোয়ারা বেগম (৫৫)। বিমানটির জরুরি অবতরণের পর ওমানের মাসকটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে দেশটির আইনি প্রক্রিয়ার কারণে মায়ের মরদেহ সঙ্গে নিতে না পেরে তার ছেলে এরশাদ একাই দেশে ফিরেছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে, মঙ্গলবার রাতে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ওই ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছানোয়ারা বেগম। পরবর্তীতে জরুরি অবতরণের জন্য ফ্লাইটটি ওমানের মাসকটে ডাইভার্ট করা হয়।
মাসকট বিমানবন্দরে অবতরণের পর চিকিৎসকরা ছানোয়ারা বেগমকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ বিমান থেকে নামাতে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন হওয়ায় কিছু সময় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। পরে অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ নামিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
ছানোয়ারা বেগম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব বিল্লিয়ার পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান তিনি। সেখানে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার আগে থেকেই তিনি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার পর ছানোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে তার চিকিৎসাও করা হয়। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ছেলে এরশাদকে মায়ের মরদেহ ওমানে রেখেই দেশে ফিরতে হয়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ছানোয়ারা বেগমের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের হিমালয় ও তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং ভূমিধসের কারণে ২৮ পুলিশ কর্মকর্তা নিখোঁজ রয়েছেন।
এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান প্রকাশ করেছে।
নেপাল পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এই দুর্যোগের ফলে অন্তত ২৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিখোঁজ হয়েছেন।
এদিকে, নেপালে আকস্মিক বন্যা এবং ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, বিভিন্ন দেশের ৫৭৯ জন মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিতওয়ানে সর্বাধিক ৬৪টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি, ধাদিংয়ে ২৭, নাওয়ালপরাসি ইস্টে ২২, গোরখায় ১৯, নুওয়াকোটে ১৩, তানাহুনে ৯ এবং রাসুয়ায় ৩ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এই দুর্যোগে নেপাল পুলিশের ২৮ সদস্যও নিখোঁজ রয়েছেন।
এছাড়া, নিখোঁজ পর্যটকদের সংখ্যা বর্তমানে ৫৭৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ৪৬৬ জন ২৮টি ভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিক। নেপালি পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ১১৩ জন নেপালি, ৫৪ জন মার্কিন নাগরিক এবং ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝে ভ্রমণকে সময় কাটানোর একটি উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। নতুন শহর, ঐতিহাসিক স্থাপনা অথবা প্রকৃতির সৌন্দর্য—তিনি সবকিছুই নিজের মতো করে উপভোগ করেন। সম্প্রতি ফারিণের ভ্রমণের গন্তব্য ছিল ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
প্যারিসের বিখ্যাত পালে গার্নিয়ে অপেরা হাউসের সামনে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। উনিশ শতকে নির্মিত এই স্থাপনাটি শহরের অন্যতম পরিচিত দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। ছবিতে কালো পোশাকে হাস্যোজ্জ্বল ফারিণকে দেখা যাচ্ছে। পেছনে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও নীল আকাশের দৃশ্য—সব মিলিয়ে ছবিটি প্যারিসের নান্দনিক পরিবেশকে ফুটিয়ে তুলেছে। তবে ছবির পাশাপাশি ফারিণের ক্যাপশনও অনুসারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্যারিস ভ্রমণের সময় জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব নিয়ে তার উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন তিনি। ক্যাপশনে ফারিণ লেখেন, ‘এই পৃথিবীতে আসলে আমাদের নিজের বলে কিছুই নেই—না মানুষ, না সম্পত্তি এমনকি মুহূর্তও না। আমরা কেবল মাধ্যম, যাদের ভেতর দিয়ে ভালোবাসা, সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা আর প্রাপ্তিগুলো কিছু সময়ের জন্য প্রবাহিত হয়। তারপর একদিন সবকিছু ছেড়ে যেতে হয়।’
ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করা তাসনিয়া ফারিণ বর্তমানে বড় পর্দাতেও নিয়মিত কাজ করছেন। গত বছর অভিনেতা শরীফুল রাজের বিপরীতে ‘ইনসাফ’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এরপর চলতি বছরের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ফারিণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চ্যাম্পিয়নস লিগের বাছাইপর্বের প্লে-অফের লড়াই শেষ হয়ে গেছে, এখন মূল পর্বের ড্রয়ের অপেক্ষা। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মোনাকোর গ্রিমালদি ফোরামে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬-২৭ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের ড্র।
২০২৪-২৫ মৌসুম থেকে ৩৬ দলের নতুন কাঠামোতে চ্যাম্পিয়নস লিগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পূর্বের মতো গ্রুপ পর্ব না থাকার কারণে এবার আলাদা কোনো গ্রুপ থাকবে না। ড্রয়ের মাধ্যমে প্রতিটি দলের জন্য আটটি প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে চারটি দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং চারটি দলের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে প্রতিটি ক্লাবের।
যেভাবে হবে ড্র
ড্রয়ের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, দলগুলোর প্রতিপক্ষ নির্ধারণে সরাসরি সফটওয়্যারের সাহায্য নেওয়া হবে। প্রথমে একটি দলের নাম প্রথম পাত্র থেকে তুলে নেওয়া হবে। এরপর বিশেষ সফটওয়্যার দ্রুত হিসাব করে জানিয়ে দেবে যে, সেই দলের আটটি প্রতিপক্ষ কারা হবে। একই সঙ্গে কোন দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং কোন দলের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।
এরপর পর্যায়ক্রমে অন্য পাত্রগুলোর দলগুলোর প্রতিপক্ষ নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি পাত্র থেকে একটি দল অন্য প্রতিটি পাত্র থেকে দুটি করে প্রতিপক্ষ পাবে।
অর্থাৎ, চার পাত্রের প্রতিটিতে থাকা দলগুলোর জন্য মোট আটটি করে ম্যাচ নির্ধারিত হবে। তবে ড্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধও থাকবে।
সরাসরি লিগ পর্বে ২৯ দল
ঘরোয়া লিগে গত মৌসুমের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ২৯টি দল সরাসরি লিগ পর্বে জায়গা পেয়েছে। বাকি সাতটি দল এসেছে বাছাইপর্বের প্লে-অফ থেকে।
ইংল্যান্ড থেকে আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, অ্যাস্টন ভিলা এবং লিভারপুল।
স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করছে বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, ভিয়ারিয়াল, আতলেতিকো মাদ্রিদ এবং রিয়াল বেতিস।
ইতালির দলে রয়েছে ইন্টার মিলান, নাপোলি, রোমা এবং কোমো।
জার্মানির পক্ষ থেকে বায়ার্ন মিউনিখ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, লাইপজিগ এবং স্টুটগার্ট।
ফ্রান্সের পিএসজি, লাঁস এবং লিল।
পর্তুগালের পোর্তো এবং স্পোর্তিং সিপি।
নেদারল্যান্ডসের পিএসভি এবং ফেইনুর্ড।
এছাড়া বেলজিয়ামের ব্রুগা, তুরস্কের গালাতাসারাই, ইউক্রেনের শাখতার এবং চেক প্রজাতন্ত্রের স্লাভিয়া প্রাগও সরাসরি লিগ পর্বে খেলবে।
প্লে-অফ থেকে সাত দল
বাছাইপর্বের প্লে-অফের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে লিগ পর্বের বাকি সাতটি জায়গা পূরণ হয়েছে। প্লে-অফ থেকে আসা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে সাবাহ, বোডো/গ্লিমট, লাস্ক, এইকে এথেন্স অথবা লেভস্কি সোফিয়া, ভাইকিং অথবা দিনামো জাগরেব, সেলিয়ে অথবা স্লোভান ব্রাতিস্লাভা এবং লিওঁ অথবা ফেনেরবাচে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) অক্টোবরের পরিবর্তে নভেম্বরে এই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের মতো ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভোটের নির্ধারিত তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আয়োজনের জন্য তুলনামূলকভাবে সহায়ক সময়।
তবে দুর্গাপূজা, রমজান, পাবলিক পরীক্ষা এবং বার্ষিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। পূর্বে অক্টোবর মাসে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও এখন নভেম্বরে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভোটের ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
ইউপি নির্বাচন দিয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, পৌরসভা নির্বাচনও এই সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
ইসি সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল, যা ফেরত এসেছে। তবে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আইন সংস্কারের বিষয়ে ইসির সুপারিশ এখনো পাঠানো হয়নি। কমিশন বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
গত ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্বাচন উপযোগী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য চেয়েছিল ইসি।
গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ইউপি ও পৌরসভার তালিকা কমিশনে পৌঁছেছে।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। গতকাল ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে আগামী সপ্তাহে ইসির সঙ্গে বৈঠক করা হবে। নির্বাচনের তফসিল ও ভোটের তারিখ ইসি নির্ধারণ করবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে ইসি। এর ধারাবাহিকতায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আইজিপি, বিজিবির মহাপরিচালক এবং আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
সিইসি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার প্রবণতা বেশি। তাই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রস্তুতি প্রয়োজন। আবহাওয়া, বন্যা, পূজা, পাবলিক পরীক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র ও শিক্ষকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সেটি বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন ও বিধি ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। ভোটের ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে। ভোটার তালিকা ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৩২৬টি পৌরসভা, ৫০০টি উপজেলা ও তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ