০৩:৫০ পি.এম
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর লঙ্ঘনের কারণে গত এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৭টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সময়ে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) শনিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ৯ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে, ঢাকা এবং অন্যান্য জেলায় এ অভিযানগুলি পরিচালিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা মহানগরে গত এক সপ্তাহে ৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযানের কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয় এবং তিনটির বিরুদ্ধে মামলা হয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ
এছাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, ঢাকা এবং মানিকগঞ্জের চারটি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সেখানে চারটি মামলা করা হয়। সব মিলিয়ে, রাজধানী এবং বিভিন্ন জেলা মিলে ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মোবাইল কোর্টের পাশাপাশি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য সারাদেশে ১৩০টি খাদ্যপ্রতিষ্ঠানে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদারকি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৪ আগস্ট জয়পুরহাটে ‘খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় অংশীজনদের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন। তিনি এ সময় কর্তৃপক্ষের মোবাইল ল্যাবরেটরি ভ্যানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গত এক সপ্তাহে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ট্রান্সফ্যাট প্রথায় ১৪ মিনিট এবং বাংলাদেশ বেতারে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক তিনটি আলাদা বার্তা ৩৫ মিনিট প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিরাপদ খাদ্য নিয়ে ছবি, রিলস এবং ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: চলতি মাসেই সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন বড় সুখবর
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সাক্ষাৎকারে বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আইন প্রয়োগ, নিয়মিত মনিটরিং, মোবাইল কোর্ট, গবেষণা এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা একত্রে পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম আরও ব্যাপক ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন