ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম


উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম

উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নো কোয়াং চোলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, দেশের সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, শনিবার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সামরিক নেতৃত্বের ‘কাঠামোগত পুনর্গঠন পরিকল্পনা’ অনুমোদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ভারত সমর্থিত আট সন্ত্রাসী নিহত

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ হারানোর পাশাপাশি নো কোয়াং চোল ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বেও পদাবনতি ঘটেছে।

বর্তমানে তাকে দলের অস্ত্রশিল্প বিভাগের প্রথম উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোরিয়ান পিপলস আর্মির জেনারেল পলিটিক্যাল ব্যুরোর পরিচালক কিম সং গি নিয়োগ পেয়েছেন।

একই সময়ে, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পাক জং চোনকে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে এবং তাকে ক্ষমতাসীন দলের পলিটিক্যাল ব্যুরোর সদস্যও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও বিনা মূল্যে চশমা বিতরণ শুরু

এছাড়া সামরিক ও দলীয় নেতৃত্বে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার পদোন্নতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

কেসিএনএ একটি আলাদা প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার এক অনুষ্ঠানে কিম জং উন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য বিজ্ঞানী, গবেষক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেছেন এবং তাদের রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

কেসিএনএর ভাষ্য অনুযায়ী, পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ‘নতুন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরিতে যুগান্তকারী গুরুত্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধানে’ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে কী ধরনের অস্ত্রব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

কেসিএনএ প্রকাশিত একটি ছবিতে কিম জং উনকে একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির বুকে পদক পরিয়ে দিতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি দমন কমিশনের বিরুদ্ধে সাবেক এমপি কামারুল আরেফিনের মামলা

দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণা কেন্দ্র সম্প্রতি কিছু ‘বিশেষ প্রযুক্তি’ উদ্ভাবন করেছে, যা যুদ্ধ করার সক্ষমতা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে কেসিএনএ দাবি করেছে। তবে ওই প্রযুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

কেসিএনএ জানায়, এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তার সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ‘অনন্য উন্নয়নের পথ’ তুলে ধরেছে।

জুনের শেষ দিকে কিম জং উন নতুন একটি দূরপাল্লার একাধিক রকেট নিক্ষেপ ব্যবস্থা এবং কামানের পরীক্ষা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।

তিন দেশের যৌথ সামরিক মহড়া

আরও পড়ুন: আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে : শিবির সভাপতি

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার পরপরই উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্বে এই পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে।

পিয়ংইয়ং নিয়মিত এসব সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ায় হামলার প্রস্তুতি হিসেবে নিন্দা করে আসছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর মহড়াটি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পর এটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

ট্রাম্প এসব সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি উসকানিমূলক বলে সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ারও কঠোর সমালোচনা করেছেন।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনেরও প্রশংসা করেছেন। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে দুবার বৈঠক করেছিলেন এবং এবার তিনি আবারও কিমের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছেন। চলতি বছরেই এমন বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কাপ্তাই হ্রদ থেকে পাথরে বাঁধা যুবকের লাশ উদ্ধার, নৌকা মালিক আটক

তবে ট্রাম্পের এসব উদ্যোগের প্রতি উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়নি। দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমিত পরিসরের সামরিক মহড়ারও নিন্দা করেছে।

এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন এবং উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করার কর্মসূচিতে অর্থায়নের পরিকল্পনারও নিন্দা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

এদিকে, ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান আগামী ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর ‘ফ্রিডম এজ’ নামে ত্রিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের পূর্ব ও দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১৫ পুণ্যার্থী নিহত

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির মোকাবিলা এবং এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিন দেশের এ বার্ষিক মহড়া একটি প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অনুশীলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা

নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে এখনও ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। এই কারণে নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে। দেশের আবহাওয়া বিভাগ জানায়, অন্তত সোমবার পর্যন্ত ওই অঞ্চলে বৃষ্টির জন্য ইয়েলো এলার্ট জারি করা হয়েছে।

নেপালের আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কার্যকর থাকবে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার আকস্মিক বন্যার পর থেকে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের সন্ধান এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন।

নেপালের আবহাওয়া বিভাগের জারি করা ইয়েলো এলার্ট তাদের তিন স্তরের সতর্কবার্তার মধ্যে সর্বনিম্ন। এর উপরে রয়েছে রেড এলার্ট। ওই অঞ্চলে চলমান উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমে বৃষ্টি বাড়তি বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, ৮১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, ৮১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার

নেপালে আকস্মিক বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। রবিবার সংবাদমাধ্যম

 

এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এসব মরদেহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত হয়েছে। চিতাওয়ানে সর্বাধিক ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি মরদেহ পাওয়া গেছে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পশ্চিম নাওয়ালপারাসি থেকে। গোর্খায় ৫৮টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নুয়াকোটে এ সংখ্যা ৫২, ধাধলিংয়ে ৫০, তানাহুনে ৩৬ এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন অথবা চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।

নেপাল নিউজ জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে মোট ১৯ হাজার ৮৯৫ জন নিরাপত্তা সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন। নেপালি সেনাবাহিনী ২,৯৭৪ জনকে উদ্ধার করেছে, নেপাল পুলিশ ২,৬৯৯ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ২,৫১৩ জনকে উদ্ধার করেছে। হেলিকপ্টার অভিযানের মাধ্যমে জলবিদ্যুৎ টানেল থেকে ২৭৯ জন শ্রমিক এবং ২২৭ জন বিদেশি নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। ৩৭টি ট্রাক ও ৭টি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিশেষায়িত সার্জিক্যাল মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় সরকারগুলোর মাধ্যমে নগদ সহায়তাও বিতরণ শুরু হয়েছে।

এদিকে, প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম

সিএনএন

তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

নিখোঁজদের তালিকায় সরকারি ও নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে এড়াতে হবে যে ভুলগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৯ এম


সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে এড়াতে হবে যে ভুলগুলো

মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের কাছে সঞ্চয়পত্র একটি নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। হাতে কিছু সঞ্চিত অর্থ থাকলেই অনেকে সঞ্চয়পত্র কেনার দিকে ঝুঁকেন।

 

অর্থের প্রয়োজন হলে, যেমন শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা সংসারের জরুরি প্রয়োজনে, অনেকের জন্য এই সঞ্চয়পত্রই হয়ে ওঠে শেষ ভরসা।

তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ছাড়া এগোনো হলে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাওয়া সম্ভব হয় না, বরং লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়। সঞ্চয়পত্র কেনার পূর্বে মেয়াদ, অর্থের প্রয়োজন এবং মুনাফার নিয়ম সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব ভুল সাধারণত ঘটে—

জরুরি টাকা আটকে ফেলা

আপৎকালীন তহবিল কিংবা চিকিৎসার মতো জরুরি প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় অর্থ দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা উচিত নয়।

 

সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য অর্থ সঞ্চয়পত্রে আটকে থাকে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভাঙালে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাওয়া সম্ভব হয় না। তাই যদি কয়েক মাসের মধ্যে টাকার প্রয়োজন হয়, তাহলে সঞ্চয়পত্র না কেনাই ভালো।

বিনিয়োগের স্তর না বোঝা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে মুনাফার হার।

 

সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার ধাপে ধাপে কমে যায়। তাই বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম ও সীমা না বুঝে এক নামে সঞ্চয়পত্র কেনা উচিত নয়। পরিবারের সদস্যদের নামে বৈধভাবে বিনিয়োগের সুযোগ থাকলে সেটিও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কার নামে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, অর্থের মালিকানা এবং করসংক্রান্ত বিষয়গুলো আগে পরিষ্কারভাবে জেনে নেওয়া জরুরি।

আয়কর সংক্রান্ত ভুল

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে উৎসে কর কাটা হয়।

 

কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) এবং আয়করসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে না দিলে মুনাফার ওপর বেশি হারে কর কাটার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে নিজের করসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন।

ভুল স্কিম বেছে নেওয়া

আপনার কখন মুনাফার অর্থ প্রয়োজন, সেটি না ভেবেই সঞ্চয়পত্র কেনা একটি বড় ভুল। বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রে মুনাফা পাওয়ার ধরন ও সময় আলাদা। যেমন পরিবার সঞ্চয়পত্রে মাসিক ভিত্তিতে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আবার কিছু সঞ্চয়পত্রে তিন মাস অন্তর মুনাফা পাওয়া যায়। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে ঠিক করতে হবে- মাসে, তিন মাস অন্তর নাকি মেয়াদ শেষে মুনাফা প্রয়োজন। নিজের আর্থিক প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে স্কিম নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

সব সঞ্চয় এক জায়গায় বিনিয়োগ

ভবিষ্যতের সব সঞ্চয় এক খাতে, যেমন শুধুমাত্র সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা’ নীতি অনুসরণ করা ভালো। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ ভাগ করা উচিত। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারযোগ্য অর্থ সহজে উত্তোলনযোগ্য জায়গায় রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা করা হলে আর্থিক চাপ কমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেনিসের হল অব ফেমে রজার ফেদেরার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


টেনিসের হল অব ফেমে রজার ফেদেরার

সুইজারল্যান্ডের কিংবদন্তি টেনিস তারকা রজার ফেদেরার আন্তর্জাতিক টেনিস হল অব ফেমে স্থান পেয়েছেন। এই অনুষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের নিউপোর্টে ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়। ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম জেতা ফেদেরার আবেগময় বক্তব্য প্রদান করেন এই অনুষ্ঠানে। বক্তব্যের সময় তার চোখে জল আসার ঘটনা ঘটে বেশ কয়েকবার।

চ্যানেল নিউজএশিয়ার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফেদেরারের সঙ্গে হল অব ফেমে স্থান পেয়েছেন সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার মেরি কারিলো। ফেদেরার জানান, এই সম্মান তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের মধ্যে একটি। তিনি বলেন, ‘খ্যাতি কখনোই আমার লক্ষ্য ছিল না। আমি চেয়েছিলাম এমন কিছুর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে, যা আমি ভালোবাসি। আর সেই ভালোবাসা যাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়, তাদের পাশে থাকতে চেয়েছিলাম।’

২০২২ সালে ফেদেরার অবসর গ্রহণ করেন। অবসরের সময় পর্যন্ত তিনি জিতেছেন ১০৩টি এটিপি ট্যুর শিরোপা। উইম্বলডন তিনি আটবার জিতেছেন, যা পুরুষদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ছয়বার, ইউএস ওপেন পাঁচবার এবং ফ্রেঞ্চ ওপেন একবার জিতেছেন তিনি। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে তিনি মোট ৩১০ সপ্তাহ অবস্থান করেছেন।

৪৫ বছর বয়সী এই তারকা তার কোচ, চিকিৎসক এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী মিরকা ফেদেরার ফেদেরারের সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি জানান, মাঠের বাইরে একজন স্বামী, বাবা এবং বন্ধু হিসেবে ফেদেরার কেমন মানুষ।

ফেদেরার নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়া একটি বিশাল সৌভাগ্য। এই তালিকায় আছেন আন্দ্রে আগাসি, লেটন হিউইট, অ্যান্ডি রডিক, রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচ।’

খেলা থেকে অবসর নিলেও টেনিসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভিন্নভাবে বজায় থাকবে। ফেদেরার বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে সময় শেষ হলেও টেনিসের সঙ্গে পরিবার, বন্ধুত্ব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার যোগ থেকেই যাবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%