ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান হলে বড় লংমার্চের আয়োজন করতো সরকার: মীর শাহে আলম


গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান হলে বড় লংমার্চের আয়োজন করতো সরকার: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, যদি লংমার্চের মাধ্যমে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হতো, তাহলে সরকারই সবচেয়ে বড় লংমার্চের আয়োজন করতো।

তিনি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত ১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "লংমার্চ করে যদি গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হতো, তাহলে সবচেয়ে বড় লংমার্চ আমরাই করতাম। লংমার্চ আর ফাঁকা সিলিন্ডার দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ আমাদের পাঁচ বছর সময় দিয়েছে।"

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎমন্ত্রী: গত আট মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

তিনি হুমকি-ধমকি ও আন্দোলনের পথে না গিয়ে সংসদে এসে সরকারকে পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানান।

গবেষকদের মূল্যায়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে মেধাবী ব্যক্তিরা গবেষক হন। কিন্তু আমরা তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারি না। অথচ দেখা যায়, ক্লাসের তিন-চার নম্বর বেঞ্চে বসা ব্যক্তিরা মহাপরিচালক (ডিজি) হন।" তিনি জানান, গবেষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়টি সরকার ভাবছে।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পর দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, "মেলা ও বাজার ব্যবস্থাপনা অনেক মানুষকে একত্রিত করে এবং পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে সহযোগিতা করে। বিগত সরকারের সময়ে সঠিক জরিপ না হওয়ায় দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা, পরিবারের সংখ্যা ও কৃষকের সংখ্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।"

তিনি কৃষিক্ষেত্রে আমদানিনির্ভরতা কমছে বলেও মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "টমেটো, কাঁচামরিচ, চিনি ও সয়াবিন তেল ছাড়া তেমন কিছুই আমদানি করতে হয় না। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে সারে সরকারকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।"

আরও পড়ুন: পোশাকশিল্পে অস্থিরতায় অর্থায়নের অভিযোগ, ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খননের বিষয়ে তিনি বলেন, "গত ২০ বছরে কেন নতুন কোনো গ্যাসকূপ খনন করা হয়নি, সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি আগে কেন ভাবা হয়নি। বর্তমানে ভোলার সঙ্গে গ্যাসের সংযোগ তৈরিতে কাজ চলছে। এ ছাড়া নতুন করে ৫২টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।"

নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, "রাতে ভোট করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচন করার ইচ্ছা তারেক রহমানেরও নেই। সফল হয়েই ২০৩১ সালের নির্বাচনে জনগণের কাছে যাবো।"

তিনি জানান, বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলকে অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "পুষ্টিগুণ বাড়াতে ফর্টিফাইড বা পুষ্টিসমৃদ্ধ আটা-ময়দা বাজারজাতের জন্য নীতিমালা করা হচ্ছে। ভোজ্যতেলে ভিটামিন এ যোগ করা হয়। একইভাবে চাল ও আটাকেও পুষ্টিসমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।"

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট শক্তি: তাহেরুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


শ্রমিক আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট শক্তি: তাহেরুল হক

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান মন্তব্য করেছেন, চলমান ঘটনাবলীকে শ্রমিক আন্দোলন বলা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি পুলিশকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে। এই শক্তি শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো কার্যক্রমে লিপ্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান আরও বলেন, বর্তমানে একটি অপশক্তি পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ শ্রমিক আন্দোলনের অন্তর্ভুক্ত নয়। আন্দোলনের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলা করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের লাঠি হাতে পুলিশের সঙ্গে থেকে পোশাকশ্রমিকদের প্রতিহত করার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, একসময় পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দেখা যেত। তবে বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের পুলিশের সঙ্গে থেকে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করতে দেখা যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী। রাষ্ট্রের জানমাল রক্ষা করা এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাই পুলিশের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনো সরকারি দলের নেতাকর্মী বা অন্য কেউ গুন্ডামি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে, পুলিশ সেটিকে কখনোই উৎসাহিত করে না। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে টানা কয়েকদিন শ্রমিকদের আন্দোলনের পর বেশিরভাগ তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন কারখানা শ্রমিকরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সকাল থেকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত বেশিরভাগ কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে মানিকপক্ষ। এসব কারখানায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা ময়মনসিংহ ও ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সহিংস আন্দোলন ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার আগে মার্কিন দূতদের সঙ্গে কথা বলেছেন জেলেনস্কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার আগে মার্কিন দূতদের সঙ্গে কথা বলেছেন জেলেনস্কি

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভ ও মস্কোর প্রতিনিধিদের মধ্যে নির্ধারিত বৈঠকের পূর্বে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বৈঠকের মাধ্যমে এই আলোচনা শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

মাদ্রিদ সফরের সময় বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, ‘স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আমাদের মাত্রই দেড় ঘণ্টাব্যাপী অত্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইউক্রেন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে যে আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বর আবুধাবিতে তাদের আলোচকরা বৈঠকে বসবেন।

গত ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম তিন পক্ষের মধ্যে এমন আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপের বাজার ধরে রাখতে এফটিএসহ দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কৌশলের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


ইউরোপের বাজার ধরে রাখতে এফটিএসহ দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কৌশলের প্রয়োজন

বাংলাদেশকে ইউরোপের বাজারে রফতানি ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কৌশল গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে, যা শুধুমাত্র শুল্কমুক্ত সুবিধার ওপর নির্ভরশীল নয়। এলডিসি উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত তিন বছর এ প্রস্তুতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। তবে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা, আমদানিনির্ভরতা এবং রফতানিতে তৈরি পোশাকের একক আধিপত্য নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) পাশাপাশি পণ্যের বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে এখনই জোর দেওয়ার তাগিদ রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানির ৪৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ বাজারে রফতানির পরিমাণ ২০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার হবে, যার প্রায় ৯২ শতাংশ তৈরি পোশাক খাতের।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ‘বৈশ্বিক সংকট, অর্থনৈতিক একীভূতকরণ এবং বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ শীর্ষক আলোচনায় অর্থনীতিবিদরা উল্লেখ করেন, ইইউর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বাজার নিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। তবে এফটিএর পাশাপাশি পণ্যের বৈচিত্র্য, প্রযুক্তির উন্নয়ন, শ্রমমান এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির মন্তব্য করেন, ‘আমরা এখন চামড়াসহ অনেক পণ্য রফতানি করছি। ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে অনেক সুযোগ রয়েছে। তৈরি পোশাক, কৃষিপণ্য ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এসব খাতে কর্মসংস্থানও বাড়বে। আইটি খাতেও অনেক সুযোগ রয়েছে। এলডিসি উত্তরণ পেছানোর কারণে এফটিএ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ।’

আলোচকরা জানান, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রফতানি বাজার ধরে রাখতে কার্যকর বাণিজ্য কৌশল এখনই গ্রহণ করা প্রয়োজন। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণের জন্য পাওয়া বাড়তি তিন বছর নিজেদের প্রস্তুত করার সময়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সংস্কারের মাধ্যমে রফতানি খাতকে টেকসই করতে না পারলে জিএসপি প্লাস সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দরকষাকষিও বাড়াতে হবে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। ভূরাজনৈতিক বিভক্তি ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি কোন দিকে যাবে, তা এখনই বলা কঠিন। দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৫৭ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রফতানি ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে। বাণিজ্য ঘাটতিও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রফতানি বাজারে শুল্ক বা বাণিজ্য বাধা তৈরি হলে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ পড়বে।

আলোচকরা আরও বলেন, ইবিএর আওতায় ইউরোপীয় বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার থাকলেও এফটিএ দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি বিনিয়োগ, সেবা খাতের সম্প্রসারণ এবং ইউরোপের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি নিশ্চয়তা দিতে পারে এ চুক্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতলক্ষ্যা নদী দূষণ: ৩০ দিনের মধ্যে আর্থিক ক্ষতির প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


শীতলক্ষ্যা নদী দূষণ: ৩০ দিনের মধ্যে আর্থিক ক্ষতির প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে বর্জ্য ফেলে পানি দূষণের ফলে কতটা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরিবেশ সচিব এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে কোনো ধরনের ব্যর্থতা ছাড়াই এই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।

শুনানির সময় সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন অনুযায়ী ছাড়পত্র বা ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ছাড়া কোনো শিল্পকারখানা পরিচালনা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের অনেক শিল্পমালিক আইন অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে ইটিপি ছাড়াই বর্জ্য ফেলে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি ও আশপাশের পরিবেশ ধ্বংস করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আদালত পরিবেশ ক্ষতির হিসাব নির্ধারণের জন্য প্রায় এক বছর আগে নির্দেশ দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও তা আদালতে দাখিল করেনি।

এর আগে, শীতলক্ষ্যার তীরে অবস্থিত বিভিন্ন শিল্পকারখানার দূষিত বর্জ্যে নদী দূষণের চিত্র তুলে ধরে মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ (এইচআরপিবি) জনস্বার্থে একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। ওই পিটিশনের শুনানির পর ২০২৫ সালের মে মাসে হাইকোর্ট রুল জারি করে দূষণকারী কারখানাগুলো মনিটরিং করতে একটি কমিটি গঠন এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

নদী দূষণের অভিযোগে অভিযুক্ত কারখানাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আর এস কে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিড ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইয়িং অ্যান্ড প্রসেসিং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এম আর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লাহ নিড ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং এবং হাজী রাসুল ডাইং।

মামলায় এইচআরপিবির পক্ষে পিটিশনার হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট রিপন বারই। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে নৌপরিবহন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশ, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক এবং অভিযুক্ত ১১৭টি শিল্পকারখানার মালিককে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%