ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাগরিককে চড়-থাপ্পড় বা লাঠিপেটার ক্ষমতা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেই: আসক


নাগরিককে চড়-থাপ্পড় বা লাঠিপেটার ক্ষমতা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেই: আসক

ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের বালুর ঘাটে, ইজারাদারের এক কর্মীকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্তৃক চড়-থাপ্পড় ও লাঠি দিয়ে মারধরের ঘটনার পর আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) তীব্র প্রতিবাদ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আসক’র সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদের কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গত ১২ আগস্ট কালীরবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযানের সময় ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী ইজারাদারের এক ব্যবস্থাপককে পরপর দুটি থাপ্পড় মারেন এবং লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। পরে আহত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন বলেও সংবাদে উল্লেখ রয়েছে।

আরও পড়ুন: জিয়ানগরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল জলিল শেখের সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ ও পথসভা

আসক মনে করে, আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা একজন সরকারি কর্মকর্তার হাতে একজন নাগরিকের এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয়। যদি কোনো ব্যক্তি আইন লঙ্ঘন করেছে বলেও সন্দেহ থাকে, তবে তাকে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আইন প্রয়োগের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ কারোর নেই।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর কোনো বিধানেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের চড়-থাপ্পড়, লাঠিপেটা বা শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা নেই। মোবাইল কোর্ট আইনের অধীনে নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক বিচার এবং আইনে নির্ধারিত শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তবে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করা বা লাঞ্ছিত করা সেই ক্ষমতার অংশ নয়।

যখন একজন সরকারি কর্মকর্তা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগের দায়িত্ব পালন করেন, তখন তার আচরণে আইন প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সংযম প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। তার হাতে অর্পিত ক্ষমতা নাগরিককে অপমান বা শারীরিকভাবে দণ্ডিত করার ক্ষমতা নয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা একটি অনুগ্রহ নয়, এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

এ অবস্থায় আসক প্রশ্ন উঠছে, কোন আইনি এখতিয়ারের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ইউএনও একজন নাগরিককে চড় মারলেন এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করলেন? মোবাইল কোর্টের কোন বিধান তাকে এ ধরনের শারীরিক শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা দিয়েছে? যদি এমন কোন আইনগত ক্ষমতা না থাকে, তাহলে এ ধরনের আচরণকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার অংশ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে ৯ মাসে ‘মব’ সহিংসতায় নিহত ১৮৭ জন

আইন ও সালিশ কেন্দ্র মনে করে, ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। শুধু ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের জন্য অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটনার তদন্ত করা। ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্যসহ সব প্রমাণ সংরক্ষণ করে তদন্ত করা উচিত। একই সাথে তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ বছর ধরে পত্রিকা পড়াই নেশা, সকাল হলেই কাউখালীতে ছুটে আসেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা খলিলুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


৩০ বছর ধরে পত্রিকা পড়াই নেশা, সকাল হলেই কাউখালীতে ছুটে আসেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা খলিলুর রহমান

পত্রিকা পড়া যেন বিশাল এক গ্রহণযোগ্য অভ্যাস। দীর্ঘ তিন দশক ধরে জাতীয় ও আঞ্চলিক নানা পত্রিকা নিয়মিত পড়ছেন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কুমিয়ান গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা খলিলুর রহমান (৭০)। তিনি প্রতিদিন পত্রিকা না পড়লে এক ধরণের অস্বস্তিতে থাকেন। তাই তাঁর কাছে বয়স কিংবা অবসর—কোনোটিই পত্রিকা পড়ার এই অভ্যাসে বন্ধুক হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যেই তিনি নিজের বাড়ি থেকে কাউখালী উপজেলা সদরে চলে আসেন। এরপর তিনি তাকি নিউজ এজেন্সি অফিস থেকে নিজের পছন্দের পত্রিকা কিনে ফেরেন। পত্রিকার প্রথম পাতা থেকে শুরু করে শেষ পাতা পর্যন্ত খুঁটিনাটি পড়া তাঁর রোজকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে তাঁর পছন্দের জাতীয় দৈনিক হলো দৈনিক নয়া দিগন্ত এবং আঞ্চলিক দৈনিক আজকের পরিবর্তন। তিনি দেশ-বিদেশের খবর, রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষা, কৃষি, অর্থনীতি এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদসহ প্রতিটি বিষয়ের ওপর মনোযোগ দিয়ে পড়েন।

অবসর প্রাপ্ত এই শিক্ষক জানালেন, পত্রিকা পড়া তাঁর কাছে শুধুই সময় কাটানোর একটি মাধ্যম নয়, বরং এটি জ্ঞান অর্জনের এক গুরুত্বপূর্ণ উপায়। প্রতিদিন নতুন খবর জানা ছাড়াও, সমাজ এবং দেশের নানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা পেতে পত্রিকার দিকে তিনি নির্ভর করেন।

মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, "প্রায় ৩০ বছর ধরে নিয়মিত পত্রিকা পড়ছি। শিক্ষকতা জীবনে যেমন পত্রিকা পড়তাম, অবসরের পরও সেই অভ্যাসটিকে আমি ধরে রেখেছি। পত্রিকা পড়লে দেশের এবং বিশ্বের নানা ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়। নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যায়, জ্ঞান বাড়ে। তাই প্রতিদিন পত্রিকা না পড়লে কেমন যেন অস্বস্তি লাগে। মন-মেজাজও ভালো থাকে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতকে হুমকি দিয়ে সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


ভারতকে হুমকি দিয়ে সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদের একটি বক্তব্য ঘিরে দেশটির রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে।

একটি জনসমাবেশে নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবার (এলইটি) প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাঈদের প্রশংসা করে তিনি নিজেকে তার ‘গোলাম’ বা সেবক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একই সময়ে ভারতকে লক্ষ্য করে হুমকি দেন এই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

শেখ রশিদ আহমেদ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে আওয়ামি মুসলিম লীগের (এএমএল) নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে তিনি লস্কর-ই-তাইয়েবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একই মঞ্চে রয়েছেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর ভারতের বিরুদ্ধে তার হুমকি এবং হাফিজ সাঈদের প্রতি আনুগত্যের বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

“আমি হাফিজ সাহেবের গোলাম,” অনুষ্ঠানে বক্তব্যের সময় এই সমর্থন জানিয়ে বলেন তিনি। এরপর দাবি করেন, তার মোবাইল ফোনে হাফিজ সাঈদের ফোন নম্বর থাকার কারণে তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।

তবে এই দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। হাফিজ সাঈদ পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তাইয়েবার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতের কাছে ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের একজন হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘও তাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

সাঈদের নেতৃত্বাধীন সংগঠনটি ভারতে একাধিক সন্ত্রাসী হামলায় অভিযুক্ত।

ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি প্রদানের সময় শেখ রশিদ আহমেদ বলেন, “ভারত যদি পাকিস্তানের দিকে তাকায়, তাহলে আল্লাহ দেশটিকে ধ্বংস করে দেবেন।”

তিনি আরও বলেন, “ভারতে কোনও পাখি ডাকবে না, কোনও মন্দিরে ঘণ্টা বাজবে না।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ভারতে পাকিস্তানবিরোধী কোনও ধরনের কার্যক্রম ঘটতে দেওয়া হবে না বলেই দাবি করেন।

শেখ রশিদ আহমেদ বলেন, “আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে, আমরা হাফিজ সাঈদের সঙ্গে।”

তার এই মন্তব্য পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অবস্থান ও দেশে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শেখ রশিদকে লস্কর-ই-তাইয়েবার জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও পাকিস্তান মারকাজি মুসলিম লীগের (পিএমএমএল) সভাপতি খালিদ মাসুদ সান্ধুর সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যায়।

এছাড়াও ক্বারি মুহাম্মদ ইয়াকুব শেখ নামক আরেক ব্যক্তিতে উপস্থিতি সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি ওই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। লস্কর-ই-তাইয়েবার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে বহুদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে।

শেখ রশিদের মতো একজন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সমালোচকেরা।

শেখ রশিদ আহমেদ পাকিস্তানের রাজনীতির একজন পরিচিত মুখ। তিনি ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইমরান খান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যদিও তিনি নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামি মুসলিম লীগের নেতৃত্ব দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার বক্তব্য দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ওপর নানা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে শেখ রশিদের বিতর্কিত মন্তব্য নতুন নয়। ২০২২ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি দাবি করেন, আজমল কাসাবের পাকিস্তানের ফারিদকোটের ঠিকানা ভারতকে জানিয়েছিলেন নওয়াজ শরিফ।

এই প্রেক্ষাপটেই তার বক্তব্য সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদবিষয়ক নীতি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবার সামনে এনেছে।

ইসলামাবাদ বরাবরই পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ে রাষ্ট্রের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

তবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তানি ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে।

লস্কর-ই-তাইয়েবা এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুর বিষয়।

হাফিজ সাঈদকে ঘিরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার দায়িত্ব সহ পাকিস্তানের সরকারি অবস্থানের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই প্রশ্ন নতুন করে উঠেছে।

বিশেষ করে লস্কর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি এবং ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি দেওয়ার বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

শেখ রশিদের বক্তব্য শুধুমাত্র একজন রাজনীতিকের বিতর্কিত মন্তব্য হিসেবেই নয়, বরং পাকিস্তানের রাজনীতি, উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চলমান বিতর্কের আরেকটি উদাহরণ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম বিস্তৃতি করতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম বিস্তৃতি করতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে গণিত চর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে, ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে, তা প্রদান করা হবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (আইএমও) এবং ইউরোপীয় বালিকা গণিত অলিম্পিয়াডের (ইজিএমও) বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে, প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে পদকজয়ী শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং গণিত অলিম্পিয়াডে তাদের অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জনের জন্য শুভকামনা জানান।

এ সময় বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে, তৃণমূল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

স্কুল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলে, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে অর্থায়নে তাৎক্ষণিক সম্মতি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির (বিডিএমও) পক্ষ থেকে, স্কুল পর্যায়ে অ্যাকটিভিটি ওরিয়েন্টেড ম্যাথমেটিকস চালুর প্রস্তাব করা হলে, প্রধানমন্ত্রী তাতেও সম্মতি জানান।

স্কুল শিক্ষকদের গণিত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ের আইইএলটিএস পরীক্ষার আদলে একটি পৃথক গণিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা চালুর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের জাতীয় কোচ মাহবুবুল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশনের চেয়ার প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী এবং বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য মো. আব্দুল হাকিম খান।

আরও উপস্থিত ছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদক এবং ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মনামী জামান, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও রৌপ্য পদকজয়ী মো. রায়হান সিদ্দিকী, ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মোহাম্মদ মারজুক রহমান, আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী তাহসিন খান, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী এম. জামিউল হোসেন, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী সাজি সেহনাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন তেহরানের হাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন তেহরানের হাতে

হরমুজ প্রণালির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন তেহরানের হাতে রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, হরমুজ ‘যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ থাকার এক দিন পরই এই সংবাদটি জানাল ইরান।

ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ ইউনিটের প্রধান হোসেইন তায়েব বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। আধা-সরকারি ফারস নিউজের বরাতে এ তথ্য জানা যায়। হোসেইন তায়েব জানান, এ প্রণালিতে যুদ্ধ বাধিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মূলত অঞ্চলে ইরানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। এমনকি যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল যে, ইরানের কোনো বিমান বা নৌবাহিনী নেই, তবুও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই পরাস্ত হয়েছে। ইরান সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে নিজেদের পথে অগ্রসর হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এদিকে, এই যুদ্ধ যত দীর্ঘকাল চলতে থাকবে, ইরানের অভিজ্ঞতা তত বেশি বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কীভাবে লড়তে হয়, সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এর আগে আমরা কখনো এমন আসল যুদ্ধ দেখিনি। তবে গত পাঁচ মাসে আমরা সেই কৌশল খুব ভালোভাবে রপ্ত করেছি।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে আপাতত কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। গত ১৭ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ১৪ দফার যে অন্তর্বর্তী চুক্তি সই হয়েছিল, তা সম্পূর্ণরূপে স্থবির হয়ে আছে। ৮ জুলাই ট্রাম্প হঠাৎ জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিটি ‘ভেঙে গেছে’। এর ফলস্বরূপ, তেহরানও সেই সমঝোতা স্থগিত করে। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করছে, প্রতিশ্রুতি অনুসারে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়নি। পাল্টা জবাবে ইরান বলছে, বন্দর অবরোধ প্রত্যাহার ও জব্দ সম্পদ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র রেখেছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%