কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৯:১২ এম
রাজনীতি শুধু পদ-পদবি কিংবা নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই প্রকৃত জনসেবার অন্যতম পরিচয়। এমন ভাবনা থেকেই অসুস্থ রোগীসহ অসহায়, দরিদ্র ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো মানুষ অসুস্থ কিংবা বিপদে পড়েছেন এমন খবর পেলে তিনি সাধ্য অনুযায়ী তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন এলাকায় ফুটবলসহ খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, অসহায়-দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।
এরই ধারাবাহিকতায় আলফাডাঙ্গার সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ দেলোয়ার হোসেন অসুস্থ হয়েছেন এমন খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে ছুটে যান অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন। সেখানে তিনি শেখ দেলোয়ার হোসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কোনো পদ-পদবির প্রয়োজন হয় না। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে পারাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। অসুস্থ মানুষের খোঁজ নেওয়া, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং যুব সমাজকে খেলাধুলাসহ ভালো কাজে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতেও এ কাজ অব্যাহত রাখতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের সুখে-দুঃখে আমি ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে ইনশাআল্লাহ সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিকের দাবি, অসুস্থ রোগী, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেনের মতো একজন মানবিক ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিকে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা প্রয়োজন।
তাঁদের মতে, জনপ্রতিনিধিত্ব শুধু একটি পদ নয়,এটি মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার বিষয়। মানুষের বিপদের সময়ে যে ব্যক্তি পাশে থাকেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে, তাঁর মতো একজন মানবিক মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে এলাকার মানুষ আরও বেশি উপকৃত হতে পারেন।
প্রচারের জৌলুসের বাইরে মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর এই ধারাবাহিকতাই অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেনকে স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্নভাবে আলোচনায় আনছে বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে সক্ষম হবে না, তবে এ নিষেধাজ্ঞাগুলো মানে দেশটির অর্থনীতি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপসহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল মুলরয়।
মুলরয় আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ওয়াশিংটনের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিস্তার শুধুমাত্র ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক এবং আর্থিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন দেশ, প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে অভিষিক্ত করা হবে।
“এগুলো হলো সেকেন্ডারি স্যাংশন।”—মুলরয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, অর্থাৎ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বা লেনদেনে যুক্ত তৃতীয় পক্ষগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। তিনি জানান, চীনসহ অন্যান্য দেশ এবং ইরানের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে।
মুলরয় জানান, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানি তেল পাচার এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া নৌবহরের দিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
তবে এসব পদক্ষেপের কার্যকারিতার একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে মনে করেন মুলরয়। তার মতে, নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো সম্ভব নয়। কিন্তু দেশটির অর্থনীতি এবং আইআরজিসির অর্থায়নে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব। এর ফলে সংগঠনটির অর্থের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।
মুলরয় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতাও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সামরিক উত্তেজনা বাড়ানোর পরিবর্তে নিষেধাজ্ঞাকে বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ জনগণ এবং জনমতের কাছে অতটা জনপ্রিয় নয়।
তবে তিনি সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ইরান যদি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মিত্রদেশ বা মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে বর্তমান অচলাবস্থা একটি সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বে জলাবায়ু পরিবর্তন এবং উন্নয়নমূলক কাজের পরিপ্রেক্ষিতে বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। এমন অবস্থার মধ্যে, আজ (সোমবার, ২৪ আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের তালিকায় ২০তম অবস্থানে রয়েছে।
ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৮০। সকালে বৃষ্টির পর বাতাসের এই অবস্থার মানকে মাঝারিমানের বলা হয়।
এটি দক্ষিণের সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) মাধ্যমে জানা গেছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় ১৮৯ স্কোর নিয়ে দূষণের শীর্ষে আছে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং। এই শহরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে নির্দেশ করা হয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যার স্কোর ১৭০। তৃতীয় অবস্থানে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা রয়েছে, যার স্কোর ১৬০। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ইরাকের বাগদাদ, পাকিস্তানের লাহোরের মতো শহরগুলো, যেগুলোও দূষণের ক্ষেত্রে উপরের দিকে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে মনে করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিন্হিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সেটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি দেশটির বাণিজ্যিক অংশীদারদের লক্ষ্য করে নেওয়া হচ্ছে।
ইরান এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে, যদি এই অর্থনৈতিক চাপ কমানো না হয়, তাহলে তারা পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেবে।
মার্কিন অর্থ দপ্তর জানাচ্ছে যে, ইরানের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বজায় রাখতে যেসব দেশ সাহায্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিধিনিষেধ আনা হবে। ১৯৭৯ সালের পর, ইরানের ওপর এটি হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় আর্থিক আক্রমণ। ওয়াশিংটনের পরিকল্পনা হলো ইরানকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা।
এদিকে মার্কিন হুমকির মোকাবেলার জন্য কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ সতর্ক করে জানিয়েছে, অর্থনৈতিক যুদ্ধ বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশে এক ফোঁটা তেলও যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। অন্য কোনও দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে সমর্থন করে, তবে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
যদিও সরাসরি যুদ্ধ সাময়িকভাবে বিরত রয়েছে, তবে দুই দেশের এই আর্থিক লড়াইয়ের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পাকিস্তান, কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। তিনি এসময় উল্লেখ করেছেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বাড়াতে সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামীতে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন হবে। সরকার শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বাড়াতে শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে এই প্রতিযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ জুন শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, সরকার শিক্ষার সব ক্ষেত্রেই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ