ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে: ডা. জিয়াউদ্দীন হায়দার


সরকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে: ডা. জিয়াউদ্দীন হায়দার

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দীন হায়দার মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সারা দেশের স্বাস্থ্য খাতে নতুন অবকাঠামো ও ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও উন্নত করে তুলবে।

আজ সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: চক্ষুসেবায় ৭ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত

ডা. এস এম জিয়াউদ্দীন হায়দার পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তিনি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ নিবিড়ভাবে তদারকি করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন, বিএনপি নেতা তবিবুর রহমান মিনিসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

পরিদর্শনের শেষে তিনি হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে ৫৫তম সমবায় দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএফআইইউ থেকে পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


বিএফআইইউ থেকে পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন বিভাগে বদলি করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন অতিরিক্ত পরিচালক এবং দুজন যুগ্মপরিচালক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। রবিবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায়, অতিরিক্ত পরিচালক মো. রোকন-উজ-জামানকে কৃষিঋণ বিভাগ-২-এ, মোহাম্মদ সানাউল আলম সমুকে ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ডিপার্টমেন্টের ডিভিশন-২-এ এবং কামরুল হাসান আজাদকে আইন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া, যুগ্মপরিচালক মো. জয়নুল আবেদীনকে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্টে এবং মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টে বদলি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলির আদেশ কার্যকর হওয়ার পর ৮ নভেম্বর কর্মদিবসের শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যভার প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিএফআইইউ দেশের আর্থিক খাতে অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন শনাক্ত এবং প্রতিরোধে কাজ করে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী ও তদন্তকারী সংস্থার কাছে প্রতিবেদন পাঠানো প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অবরোধের পরিকল্পনা শব্দের খেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অবরোধের পরিকল্পনা শব্দের খেলা

ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সম্প্রসারণ করে দেশটির স্থলসীমান্তও এর আওতায় আনার মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকে ‘শুধুই শব্দের খেলা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

রোববার (৮ নভেম্বর) কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি মন্তব্য করেছেন, ‘এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। তাদের লক্ষ্য হলো, ইরানের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেওয়া এবং দেশটির ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এর আগে ওয়াশিংটন দাবি করেছিল, দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়বে। কিন্তু আমরা দেখেছি, তেমনটি ঘটেনি।’

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তাদের ‘আয়রন গেট’ টাস্কফোর্স ইরানের স্থলপথে সরবরাহ রুটগুলোতে বাধা সৃষ্টি করবে এবং অস্ত্রের চলাচল বন্ধ করবে।

ইরানের সঙ্গে সাতটি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে। দেশগুলো হলো—ইরাক, তুরস্ক, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান। এ ছাড়া দেশটির উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুধু প্রত্যাবাসন নয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


শুধু প্রত্যাবাসন নয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একার সমস্যা নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, "শুধু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই সমাধান নয়, সেখানে তাদের নাগরিক হিসেবে পূর্ণ অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।"

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে নীতি গবেষণা কেন্দ্র আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক নীতি সংলাপে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান শুধুমাত্র বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিষয় নয়। তিনি জানান, "মিয়ানমার থেকেই এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছে এবং এর সমাধানের মূল দায়িত্বও মিয়ানমারকে নিতে হবে।" জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও রোহিঙ্গা সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবে স্থান পেয়েছে। ইউএনএইচসিআরসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও সম্পৃক্ততা প্রকাশ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকারের বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ বিবেচনায় রয়েছে। তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা, নাগরিকত্ব এবং নিজ দেশে নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণ মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই হতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করেই এসব অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, "রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমারে পাঠিয়ে দেওয়া কিংবা তাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সমাধান হতে পারে না।" প্রত্যেক রোহিঙ্গাকে নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সেখানে তাদের নাগরিকত্ব, মানবাধিকার ও শিক্ষার অধিকারসহ একজন নাগরিকের প্রাপ্য সব সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থানসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ অন্যতম প্রধান শরণার্থী গ্রহণকারী দেশ। বাংলাদেশের মতো সীমিত অর্থনৈতিক সামর্থ্যের দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার অবস্থান দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ৮২ থেকে ৯০টি শিশুর জন্ম হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের ওপর জনসংখ্যাগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সঙ্গে মানবিক বিবেচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বিষয়ও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই বিষয়টি অত্যন্ত সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ বিষয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কীভাবে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায়, তা পর্যালোচনা করা হবে।

রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনালায় উত্থাপিত দাবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাবগুলো যৌক্তিক। তবে এর পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সামাজিক বাস্তবতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এসব দিক পর্যালোচনা করেই কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যেসব দূরদর্শী উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সেসব অভিজ্ঞতা ও পথ অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও এই সংকটের একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে চায়।

নীতি গবেষণা কেন্দ্রের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি জটিল নীতিগত ও আন্তর্জাতিক বিষয়। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সরকার শিখতে এবং তাঁদের পরামর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে আগ্রহী। নীতি গবেষণা কেন্দ্রের মতো থিংক ট্যাংকগুলো সরকারের পাশে থেকে ওয়াচডগ ও দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে। এ বিষয়ে তাঁদের যেকোনো গঠনমূলক সুপারিশ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

নীতি গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. শাকিল আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গবেষক, বিশেষজ্ঞ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ প্রজেক্ট অ্যাওয়ার্ডিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ প্রজেক্ট অ্যাওয়ার্ডিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে রিসার্চ প্রজেক্ট অ্যাওয়ার্ডিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রুমা। সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজালাল খন্দকার।

অনুষ্ঠানে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৩৫টি গবেষণা প্রকল্পের আর্থিক বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত ‘অ্যানুয়াল রিসার্চ হাইলাইটস’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রকাশনাটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সমাপ্ত গবেষণা প্রকল্পের সার-সংক্ষেপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রকাশিত রিসার্চ আর্টিকেলের তালিকা (লিস্ট অব পাবলিকেশনস) সংকলিত হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, "প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েটকে একটি স্বনামধন্য ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের স্বপ্ন।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এ লক্ষ্য অর্জনে প্রচলিত শিক্ষাদান পদ্ধতির পাশাপাশি গবেষণানির্ভর জ্ঞানচর্চা, প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধানে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমান বিশ্বে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান নির্ধারণে মানসম্মত গবেষণা, গবেষণার প্রকাশনা ও উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, "ডুয়েটের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত, মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃশ্যমান করে তুলতে শিক্ষক-গবেষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।"

গবেষণা কেবল প্রকল্প গ্রহণ কিংবা গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ফলাফল যেন দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধান এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে পারে, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, "গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ, আধুনিক গবেষণাগার, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।" বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা, আন্ত:বিভাগীয় গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে মঞ্জুরকৃত গবেষণা প্রকল্পগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন, বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং মানসম্মত গবেষণা ফলাফল অর্জনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। এ ধরনের গবেষণাবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ ও আয়োজনের জন্য তিনি পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) দপ্তরকে ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. প্রকৌশলী রুমা গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি গবেষণায় আর্থিক বরাদ্দের পাশাপাশি এর যথাযথ ব্যবহার, মানসম্মত ফলাফল অর্জন এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মঞ্জুরকৃত প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন প্রকল্প পরিচালকবৃন্দের জন্য গবেষণা প্রকল্পের গাইডলাইন নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, মঞ্জুরকৃত গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও সহযোগী পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%