ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত


কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত

ভারত-পাকিস্তান আবারও বাগযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের মঞ্চে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু পানি চুক্তি, এসব তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই ইসলামাবাদকে সরাসরি নিশানা করেছে নয়াদিল্লি।

জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৬২তম অধিবেশনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় বক্তব্য তুলে ধরেন জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি অনুপমা সিং।

তিনি অভিযোগ করেছেন যে, রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে ইসলামাবাদ সন্ত্রাসীদের আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। কাশ্মীরের প্রসঙ্গে দাবি করেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, এ নিয়ে পাকিস্তানের উত্থাপিত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

অনুপমা সিং বলেন, ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি বলেন যে, ছয় দশকেরও বেশি পুরোনো এই চুক্তিকে বর্তমান রাজনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তা বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বিচ্ছিন্ন করে দেখা সম্ভব নয়।

বক্তব্যের অংশ হিসেবে তিনি রাওয়ালাকোটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ দমন, নাগরিকদের হতাহত এবং মৌলিক অধিকার হরণের অভিযোগ আনেন এবং দাবি করেন যে, সেখানে দীর্ঘদিন ধরে দমন-পীড়ন ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ চলছে।

এদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, আজাদ কাশ্মীরকে অস্থিতিশীল করার ভারতের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তার অভিযোগ, কাশ্মীরের কিছু গোষ্ঠী ভারতের নির্দেশনায় কাজ করছে এবং আজাদ কাশ্মীরের মানুষের দীর্ঘকালীন ত্যাগ ও সংগ্রামকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। একই সাথে তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের পেছনে ভারত ও আফগানিস্তানের মদদ রয়েছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে ভারত যদি কোনো ধরনের দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তাদের শক্তিশালী জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

অন্যদিকে, বারাণসীর একটি মসজিদকে ঘিরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির মন্তব্যও ভারত প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো এখতিয়ার পাকিস্তানের নেই। ভারতীয় রেলওয়ে স্টেশন সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ওই স্থাপনার জন্য উচ্ছেদ নোটিশ জারি করে এবং ২০ জুনের মধ্যে স্থান খালি করার নির্দেশ দেয়।

এই পদক্ষেপের পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৩ বছর বয়সে মাতৃত্বের সুখবর দিলেন হলিউড তারকা অ্যান হ্যাথাওয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২২ এম


৪৩ বছর বয়সে মাতৃত্বের সুখবর দিলেন হলিউড তারকা অ্যান হ্যাথাওয়ে

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে এখন মা হতে যাচ্ছেন। স্বামী অ্যাডাম শুলম্যানের সঙ্গে এটি অ্যান-এর তৃতীয় সন্তান।

শুক্রবার (১৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের গর্ভধারণের খবর জানান, যা জানানো হয়েছে ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী দ্বারা।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, সাদা পোশাক পরিহিত অ্যান হ্যাথাওয়ে ক্যামেরার সামনে আসছেন। প্রথমার্ধে তিনি দুই হাত দিয়ে পেট ঢেকে রাখছেন, তবে পরে হাত সরিয়ে নিজের বেড়ে ওঠা সন্তানের আগমনের সুখবর প্রকাশ করছেন। এরপর তিনি নিজের পেটে হাত রেখে হাসছেন এবং ভালোবাসার প্রকাশ করছেন।

ভিডিওটির সঙ্গে অ্যান লেখেন, ‘বেবি, আমি তোমার।’Capture

অ্যান হ্যাথাওয়ে ও অ্যাডাম শুলম্যান ২০১২ সালে বিবাহিত জীবন শুরু করেন। এই দম্পতির আগেই দুটি ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে জোনাথনের এখন বয়স ১০ বছর, এবং ছোট ছেলে জ্যাকের বয়স ৬ বছর।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে অ্যান এক সাক্ষাৎকারে তার পরিবার নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, দুই সন্তান নিয়ে তার সময়গুলো খুব আনন্দে কাটছে। পরিবার ও কাজ উভয়ই উপভোগ করছেন তিনি।

অভিনেত্রী অ্যান বলেন, সন্তান হওয়ার পর তিনি জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করছেন। মা হওয়ার পর উনাকে আরও পরিপূর্ণ মনে হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

হলিউডে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমার মাধ্যমে পরিচিত অ্যান হ্যাথাওয়ে এখন তৃতীয় সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের ফায়দা তুলছে চীন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


ইরান যুদ্ধের ফায়দা তুলছে চীন!

ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণে একটি নতুন অবস্থান তৈরি করছে চীন। যুদ্ধের শুরুতে বেইজিং মিত্র সরকার হারানোর আশঙ্কায় ছিল, কিন্তু এখন শান্তির মধ্যস্থতাকারী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক নেতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা চলছে।

ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরান একটি বড় সংকটের সম্মুখীন হয়, তখন চীন কৌশলগত অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। বেইজিং আশঙ্কা করেছিল, ভেনেজুয়েলার মতো তাদের আরেকটি মিত্র সরকার হয়তো পতনের মুখে। তবে কয়েক মাসের যুদ্ধ ও আলোচনার পর মাসুদ পেজেশকিয়ান সরকার টিকে গেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ওয়াশিংটনের শক্তির সীমাবদ্ধতার উদাহরণ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে আলোচিত হচ্ছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে চীন নিজেকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পক্ষে থাকা শক্তি হিসেবে প্রমাণ করতে চায়। একের পর এক বিদেশি নেতার আতিথ্য দেওয়া এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে বেইজিং তার কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

যুদ্ধের সময় চীন একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান অভিযানের সমালোচনা করেছে, অন্যদিকে তেহরানের সাথে যোগাযোগও ধরে রেখেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় নিজেকে প্রস্তুত রেখে চীনের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

ইরান সংকটের পর চীনা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে, এটি কি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন 'সুয়েজ মুহূর্ত' হতে পারে! অর্থাৎ এমন একটি মোড় যেখানে একটি সংঘাত বিশ্ব নেতৃত্বের ভারসাম্যকে পরিবর্তন করতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত চীনের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। সার্বভৌমত্ব, হস্তক্ষেপ না করা এবং রাজনৈতিক সমাধানের বার্তা দিয়ে বেইজিং অনেক দেশের কাছে বিকল্প মডেল হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাচ্ছে। তবে চীন বিশ্বে প্রধান শক্তি হয়ে উঠবে কি না, তা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?

দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে ৩ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি তারল্য রয়েছে। এর মধ্যে অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন স্কিম ঘোষণা করেছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে, বেসরকারি খাত ঋণ নিতে খুব একটা আগ্রহ দেখাবে না।

অন্যদিকে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর না হলে, কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এসএমই খাতের বিকাশ, রফতানি আয় এবং ভোগব্যয়ের সক্ষমতা অনেকাংশেই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এটি গড়ে ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল। কোভিড-পরবর্তী সময়ে দুই বছর প্রবৃদ্ধি কমে এলেও, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাবে ২০২১ সালে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছায়।

তবে ২০২৪ সাল থেকে আবারও ঋণ প্রবৃদ্ধি কমতে শুরু করে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত গড় ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, কঠোর মুদ্রানীতি, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং খেলাপি ঋণের চাপের কারণে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে পিছিয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এরই প্রভাব পড়ে শিল্প খাতে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে শিল্প খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার স্কিম চালু করেছে, যাতে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে সহায়তা হয়।

তবে, শুধু অর্থের জোগান দিলেই কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যানশিয়াল স্ট্যাবিলিটি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা কিছুটা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট। পাশাপাশি, জ্বালানির মূল্যও বেড়েছে। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে উৎসাহ পাচ্ছে না। সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো উপযুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করা। শুধু ব্যাংক খাতে তারল্য বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের ইশতেহার বাধাগ্রস্থ হবে বলে শঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অর্থনীতির প্রধান প্রতিবন্ধকতা এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট। এসব সমস্যা সমাধান না করে, শুধু ঋণ সুবিধা দেয়া হলে দুই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একদিকে উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে আগ্রহী নাও হতে পারেন, অন্যদিকে ঋণ নিলেও ব্যবসা সচল রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে তা ভবিষ্যতে খেলাপি ঋণে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

এদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ১৭ বছরে দেশের জ্বালানি খাত অদ্যাবধি আমদানিনির্ভরই রয়ে গেছে। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলেও, বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি আমদানির প্রস্তুতি রয়েছে। একই সঙ্গে, জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা বাড়াতে বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করা এবং দেশের অভ্যন্তরে নতুন জ্বালানি উৎস অনুসন্ধানে বিদেশি সহযোগিতা নেয়ার উদ্যোগও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস। প্রতি বছর ২১ জুন সারা বিশ্বে উদ্‌যাপিত হয় এই দিবসটি। পৃথিবীতে শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তাকে ছড়িয়ে দিতে এই দিবসের উদ্‌যাপন করা হয়।

সংগীত এবং সুর নির্দিষ্ট কোনো দেশের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, তাই গানের এই ভাষাকে সর্বজনীন ভাষা বলা হয়ে থাকে।

এই দিবসটির সঙ্গে ফ্রান্সের উৎসব 'ফেট ডে লা মিউজক' (বিশ্বজুড়ে সংগীতের দিন) উৎসবের যোগসূত্র রয়েছে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিখ্যাত দেশ ফ্রান্সই বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।

কারণ, ১৯৮১ সালে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী জ্যাক লাঙ এই উৎসবের একটি আন্তর্জাতিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। এরপর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ১৯৮২ সালে বিশেষ এই সংগীত উৎসবের দিনটিই 'ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এই দিবসটি উদ্‌যাপন শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রায় ১২০টি দেশের ৪৫০টি শহরে দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়।

আন্তর্জাতিক সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে গানের কনসার্ট ও গাননির্ভর বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

গান সবাইকে একসূত্রে বেঁধে রাখার ক্ষমতা রাখে। সুরে ফুটে ওঠে আবেগ, দুঃখ এবং সুখের বন্যা। তাই বিশ্ব সংগীত দিবসে মনের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্য গানকে ভালোবাসুন। তবে অনেকেই মনে করেন, এই দিনটি বাদে জীবনের প্রতিটি দিনই হওয়া উচিত সংগীতমুখর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%