সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫০ পি.এম
শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের লোচনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চরম অবকাঠামোগত সংকটে রয়েছে। পুরোনো স্কুলঘরটি নিলামে বিক্রি করার পর নতুন পাকা ভবনের আশায় দিন কাটাচ্ছে বিদ্যালয়টি। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ এলেও নানা জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। ফলে, শিক্ষকরা পাশের কবরস্থান থেকে টিন এনে একটি ছাওনি তৈরি করে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুরোনো ভবনটি নিলামে বিক্রি করা হয়। নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টি প্রায় সম্পূর্ণ অবকাঠামোহীন অবস্থায় রয়েছে। ২০২৪ সালে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দরপত্র আহ্বান করা হলে আব্দুস সোবহান ডাবলু নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। তবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পাওয়ার পরও নির্মাণকাজ শুরু করেনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় মালামাল পরিবহনে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কায় ঠিকাদার গড়িমসি করায় কর্তৃপক্ষ কার্যাদেশটি বাতিল করে দেয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমানে কবরস্থানের টিনের ছাওনি শ্রেণিকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জরাজীর্ণ ও অনিরাপদ পরিবেশে গাদাগাদি করে পাঠদান করতে হচ্ছে। রোদ-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার সময় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও মানসিক স্বস্তি কমছে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
অভিভাবকরা দ্রুত বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও উপযোগী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, শিশুদের শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে নূন্যতম নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। পুরোনো ভবন সরিয়ে নেওয়ার পর নতুন ভবন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
শাহজাদপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) রাহাত ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় নির্মাণসামগ্রী পরিবহনে অতিরিক্ত ব্যয় হওয়ার আশঙ্কা ছিল। বিদ্যালয়ের জায়গার স্বল্পতা, পাশে বড় খাল এবং যমুনা নদীর ভাঙনের ঝুঁকিসহ কয়েকটি সমস্যা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না এমন পরিস্থিতিতে দরপত্র আহ্বানের প্রায় ছয় মাস পর নির্মাণকাজের টেন্ডারটি বাতিল করা হয়। বরাদ্দের অর্থও ফেরত চলে যায়।
তিনি আরও জানান, যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিদ্যালয়টি হওয়ায় বহুতল পাকা ভবন নির্মাণের সুযোগ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। নতুন করে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণে ‘পাইলট ডিজাইন’ অর্থাৎ স্টিলের ফ্রেমের ওপর সেমিপাকা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন ছুটিতে থাকায় মুঠোফোনে জানান, বিদ্যালয়টির ভবন নির্মাণের জন্য আগে একটি টেন্ডার হয়েছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালামাল পরিবহনসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে সেটি বাতিল হয়েছে। বর্তমানে একটি সেমিপাকা ঘর নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নতুন করে ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, যমুনার ভাঙন ও যোগাযোগব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়টির জন্য উপযোগী ও টেকসই অবকাঠামোর ব্যবস্থা দ্রুত করা হোক। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদের উদ্বেগও কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে হাসপাতালে নেওয়ার পর পুলিশের একজন সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) মৃত্যু ঘটে। মৃত পুলিশ সদস্যের নাম মো. ফখরুল ইসলাম (৪২), যিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত ছিলেন।
ফখরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার পাঁচথুবী ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামের মৃত সানাউল হকের পুত্র। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিআইডিতে পোস্টিং পান। এর পূর্বে, তিনি ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, এএসআই মো. ফখরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থিত সিআইডি অফিসে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহসান হাবিব এ বিষয়ে জানান, ওই পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। তার মৃত্যু কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদ্রোগের কারণে হয়ে থাকতে পারে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা বলেন, সিআইডিতে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তার মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা মাস্টারহাট এলাকায় মহিউদ্দিন নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ইব্রাহিমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে করা হয়। কর্ণফুলী থানার এসআই নুরুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শিকলবাহা মাস্টারহাট এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে দুই যুবকের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। একপর্যায়ে মহিউদ্দিনের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন।
এদিকে ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন হামলায় অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় আগুনে একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর মহিউদ্দিনের বড় ভাই মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের করেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলাটির নম্বর ২৭। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর মামলার চার নম্বর আসামি মো. ফারুক (৩৩) নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর মোহাম্মদ বলেন, মহিউদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ইব্রাহিমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে থানায় এনে মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে রাবেয়া বেগম (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার শহরদীঘি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাবেয়া ওই এলাকার হালিম খাঁ’র স্ত্রী ছিলেন।
নিহতের স্বামীর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ জানায় যে, রাবেয়া বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তিনি নিয়মিতভাবে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এক পর্যায়ে তিনি রেললাইনের উপর উঠে পড়েন। তখন সান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের এসআই বাবলুর রহমান বলেন, নিহত নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনা, চাঁদাবাজি, জমি ও বাড়ি দখলের ঘটনা অহরহ ঘটে চললেও রাতের আঁধারে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-১-এর ভাঙচুর ও গুঁড়িয়ে দেওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার এবং সালমান মুক্তাদির স্টুডিও পরিদর্শন শেষে তিনি এই সব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে এর আগে ঘটেনি। বিভিন্ন দেশে এমন ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা দেখা গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে একটি জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান পর্যন্ত চিকিৎসা ও টিকাদান সেবা পেয়ে আসছেন। এটি বিদেশি দাতা সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্যকেন্দ্র। এমন একটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া শুধুমাত্র একটি স্থাপনার ওপর হামলা নয়; এটি জনস্বাস্থ্য ও সাধারণ মানুষের অধিকারকে আঘাত করার শামিল।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন জাতিসংঘ সফরে ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে রাজধানীতে একটি ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এ ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও একজন মহিলা এমপির সম্পৃক্ততার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে আগাম রায় দিতে চাই না। তবে গণমাধ্যমে যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। সরকারকে অবিলম্বে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, সারারাত ধরে হামলা ও ভাঙচুর চলেছে। ট্রাকে করে বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পাশে পুলিশ অবস্থান করলেও তারা লুটপাট প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ব্যর্থতার দায় অবশ্যই নির্ধারণ করতে হবে।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনার দুই দিনের মধ্যে ইসিবি চত্বরে তরুণ প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদাবরে দিনদুপুরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, মুগদায় জমি দখলের অভিযোগ এবং আশুলিয়ার একটি মাদ্রাসায় চাঁদার দাবিতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সবকিছু মিলিয়ে দেশে যেন লুটপাট ও দখলের এক মহড়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের একজন পরিচিত ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান যদি এভাবে হামলার শিকার হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার অবস্থা কী! তা সহজেই অনুমেয়। রাষ্ট্র যদি নাগরিকের জানমাল, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের ভাবমূর্তি ও জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তিনি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুনর্নির্মাণ করে জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আবদুল ওহাব মিনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, আলতাফ হোসাইন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রব জামিল, যুব পার্টির উত্তরের সদস্য সচিব ইশরাত জাহান, বরিশালের নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ, মিরপুর মডেল থানার আহ্বায়ক শেখ মনিরুজ্জামান, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, বরিশাল জেলা নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলাম, মোঃশাকিল, বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রপক্ষ আহ্বায়ক আইয়ুব নবী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ