ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান সংকটে ট্রাম্পের কঠিন সমীকরণ


ইরান সংকটে ট্রাম্পের কঠিন সমীকরণ

হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্র করার বিষয়ে একটি সমঝোতার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে স্বস্তিদায়ক অগ্রগতি অর্জন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যদিও, ইরান সংকটে তিনি এখনো জটিলতার মধ্যেই রয়েছেন। ট্রাম্প এমন একটি কৌশল খুঁজছেন, যা তাকে এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখাবে- কিন্তু সেই পথ এখনো অধরা।

এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: এনসিপির কমিটিতে ৩০ বছরের নিচে কাউকে রাখা হবে না

পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের ফলস্বরূপ, ট্রাম্পের কৌশলগত বিকল্পের সুযোগ খুবই সীমিত হয়ে পড়েছে। তার কর্মকাণ্ড থেকে এমন ধারণা প্রতিফলিত হচ্ছে যে, তিনি পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়েই বারবার পরিকল্পনা বদলাচ্ছেন।

বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে আসন্ন হামলার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের খুব কঠোরভাবে আঘাত করব, কারণ এবার আঘাত করার পালা আমাদের।’ তিনি জর্ডানে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলার প্রতিশোধ হিসাবে এসব হামলার সম্পর্কে কথা বলেন।

ট্রাম্পের প্রচেষ্টা ইরানকে বিমান হামলার মাধ্যমে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সফল হতে পারেনি, যার ফলে এই প্রচেষ্টার সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ইরাক থেকে সৌদি আরব, এমনকি মিসর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার কারণে এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এক ধরনের অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছেন।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে

শুক্রবার মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিড প্রেসিডেন্সিয়াল রিট্রিটে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেখানে কৌশল পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত দেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে হোয়াইট হাউসের একটি বৈঠকে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং যুদ্ধ শেষ করার সীমিত বিকল্প নিয়ে তিনি ‘হতাশ’ ছিলেন।

বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করছে তেহরানের ওপর।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানে হামলা শুরু করে। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। তবে এরপর পরিস্থিতি ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়নি।

আরও পড়ুন: ‘জুলাইয়ের আন্দোলনে শেখ হাসিনা ও জাতীয় মসজিদের খতিব পালিয়ে গেছেন’

‘দ্রুত সমাধান নেই’

যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প বলেছিলেন, এই অভিযান চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তার দাবি ছিল, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করাসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে বর্তমানে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ। এখানে জাহাজে হামলার মাধ্যমে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌ চলাচল ব্যাহত করেছে।

এই পরিস্থিতি ওয়াশিংটনকে অপ্রস্তুত করে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ১৭ জুন যুদ্ধবিরতির যে চুক্তি হয়েছিল, তাও ইতোমধ্যে ভেঙে গেছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ১৯ আসন নিয়ে কিংমেকার ফিলিস্তিনি দলগুলো

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক হামলা চালিয়েছে। পাল্টা জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী অঞ্চলটির মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে সবচেয়ে কঠোর বোমা হামলাগুলোর একটি চালানোর পরিকল্পনা করছে। একাধিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা সম্ভবত সপ্তাহান্তে চালানো হতে পারে, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং শান্তি আলোচনা শুরু হলেও তা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। এর পর গত মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ফের হামলা শুরু করে। ইরান মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে। দুই সপ্তাহের টানা বিমান হামলার পর গত সপ্তাহে হামলা হঠাৎ স্থগিত করে মার্কিন বাহিনী।

তবে সিবিএস নিউজ জানাচ্ছে, এখন ওয়াশিংটন নতুন করে ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা করছে। একাধিক মার্কিন সূত্রের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেল শোধনাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালানোর আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ও মার্কিন অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাবের কথা মাথায় রেখে সোমবার আর্থিক বাজার খোলার আগে অভিযান সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে হামলা কখন শেষ হবে সে সম্পর্কে এখনও কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্কিন সূত্র সমূহ বলছে, পরিকল্পনার বিষয়ে ইসরায়েলকে একবারে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমন্বয় করছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও হামলাকে চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি।

যদি যৌথ অভিযান শুরু হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইল আবারও সরাসরি সামরিক অভিযানে ফিরে আসবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত জুলাইয়ে দফতরের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু হওয়ার পরও ইরান ইসরাইলে হামলা চালায়নি।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেন, পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক বিষয়ক কয়েকজন উপদেষ্টা এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন বলেও জানানো হয়।

সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানব। এক সময় তারা বলবে, আমরা আর সহ্য করতে পারছি না।’ কূটনৈতিক উদ্যোগ পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু জিততে চাই।’

সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেল শোধনাগারসহ ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য হতে পারে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র জিতবে এবং তার প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না।’

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল জানান, প্রেসিডেন্ট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে প্রতিরক্ষা দফতর কোনো মন্তব্য করবে না। তবে তিনি এই তথ্যও জানান, ‘প্রতিরক্ষা বিভাগ প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা কার্যকর করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।’

এক সাবেক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার উদ্দেশ্য হবে দেশটির সামরিক বাহিনীর সেবা প্রদানের সক্ষমতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকারিতা দুর্বল করা।

গত সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকে নেতানিয়াহু যুদ্ধসংক্রান্ত তিনটি সম্ভাব্য কৌশল তুলে ধরেন। এর মধ্যে স্থলপথে রসদ সরবরাহের রুটে সামরিক হামলার প্রস্তাব ছিল, বলে এক জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান। পরে তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এমন কয়েকটি সেতুতে হামলা চালিয়েছে, যেগুলো সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া শুক্রবার তেহরানের বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়েও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও তখনকার মতো সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে কোনো জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। যদিও পরে এ ধরনের হামলা চালানো হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ কোটি মানুষের আশা-প্রত্যাশার কেন্দ্র বর্তমান সংসদ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


১৮ কোটি মানুষের আশা-প্রত্যাশার কেন্দ্র বর্তমান সংসদ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, জনগণের প্রতি বর্তমান সংসদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি চোখ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের ওপর নিবদ্ধ হয়ে আছে।

মানুষ চায় সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ও গঠনমূলক সমালোচনা এবং যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক।

তিনি বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই সংসদের অধিকাংশ সদস্য অতীতে কষ্টের শিকার হয়েছেন যেমন ফাঁসির মঞ্চ, গুম, নির্যাতন, নির্বাসন কিংবা জেল-জুলুম। ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশই এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। তাই এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের ইতিহাসেও ব্যতিক্রমধর্মী একটি সংসদ।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে এই সংসদ এবং ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি চোখ এই সংসদের কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জ্ঞানগর্ভ আলোচনার মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।

তিনি বলেন, সংসদে আমাদের ভূমিকা সর্বদা ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। যতদিন পর্যন্ত এই সংসদ পরিচালনার সুযোগ থাকবে, ততদিন আমি ন্যায়পরায়ণতা ও সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য সচেষ্ট থাকব।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও দায়িত্ব নেওয়া উচিত। আমাদের পূর্বপুরুষরা স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, তাই সকলের উচিত একত্রে সেই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে চেষ্টা করা।

তিনি বলেন, দেশের সকল বিষয়ের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে এই মহান জাতীয় সংসদ। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন। আইন পাস করে নির্বাহী বিভাগ আইন প্রয়োগ করে এবং বিচার বিভাগ সেই আইনকে পরীক্ষা করে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক চর্চার ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করা উচিত। সরকারি দল এবং বিরোধী দল উভয়ই গঠনমূলক সমালোচনার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো দুইটি পক্ষ থাকবে এবং তারা একে অপরের গঠনমূলক সমালোচনা করবে। বিভিন্ন দেশের সংসদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে সব বিষয়ই আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জাতীয় সংসদ দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের কেন্দ্রবিন্দু হবে এবং শহীদ ও আহতদের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল মানবাধিকার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, কিন্তু স্বাধীন হওয়ার পর জনগণ প্রতারিত হয়েছে।

১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হওয়া ও গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন। এরপর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ওয়ান ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে প্রশ্নবোধক একটি নির্বাচন হয়, এবং পরবর্তীতে একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার শেষ হয়ে যায় এবং ২০২৬ সালে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এই নির্বাচন ইতিহাসে জনগণের অংশগ্রহণের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন ছিল। গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে এবং এই অভিযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে এই মহান জাতীয় সংসদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেললাইনের পাশে মিলল অর্ধগলিত মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


রেললাইনের পাশে মিলল অর্ধগলিত মরদেহ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহাডাঙ্গা এলাকায় রেললাইনের পাশে একটি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা ওই মরদেহটি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি সেখানে দীর্ঘদিন পড়ে থাকার কারণে অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। ঘটনাস্থল থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে, ব্যাগে কিছু পোশাক ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের সামগ্রী পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বলেন, মরদেহটি সাত থেকে আট দিন আগের বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখনও নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি হত্যার পর সেখানে ফেলে রাখা হতে পারে। আবার রেলের ধাক্কা দিয়ে তার মৃত্যু ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমান চোখে চোখ রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেছেন: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


তারেক রহমান চোখে চোখ রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেছেন: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেছেন। তিনি এ কথা বলেন, যখন তিনি শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউটে স্কুল ও কলেজ শিক্ষক কর্মচারী সমিতির অভিষেক ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একজন নেতা যিনি অন্য কোনো দেশের রাষ্ট্রনীতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য রাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেছেন।

এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত পাঁচ মাসে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কেউ গুম হয়নি। রিজভী বলেন যে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে না এবং ব্যাংক লুটের ঘটনা নেই।

দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে রিজভী উল্লেখ করেন, কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি জাতিকে আমরা কারিগরি শিক্ষার ভিত্তিতে দাঁড় করাতে না পারি, তাহলে আমরা নিদারুণ শোষণের শিকার হবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%