০৪:১০ পি.এম
এক এগারোর সময়ে ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) সেলে আটক হয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও।
শনিবার (০৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারকসহ আইনজীবীদের নিয়ে গোপন বন্দিশালাটি পরিদর্শনের পর একথা জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে জেআইসির একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বর্ণনা ও আমাদের তদন্তে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
জানালাবিহীন মাত্র কয়েক ফুটের অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো। দেয়ালে দেয়ালে লেখা ছিল সেই আর্তনাদ আর হাহাকার। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর সংস্কার করে নষ্ট করা হয় বেশিরভাগ আলামত, বলেও তিনি জানান।
মতভিন্নতা থাকলেই আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে বন্দিশালায় গুম-নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে।
ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জেআইসি সেলে এমন নির্যাতনের অভিযোগ। শনিবার সকালে বন্দিশালাটি পরিদর্শনে আসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিনজন বিচারক, প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের একটি অংশ হিসেবে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত জেআইসিতে আমাদের এই পরিদর্শন। এখানে মানুষকে ধরে এনে বন্দি রেখে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। সেই নির্মম চিত্র আজ এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
২৬টি সেলে শ্রেণি ভেদে রাখা হতো বন্দিদের। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর সংস্কার করে নষ্ট করা হয় বেশিরভাগ আলামত। বিচারকরা সশরীরে পরিদর্শন করায় ন্যায়বিচারে সহায়ক হবে বলেও মনে করেন তিনি।
যদিও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, আদালতে বন্দিদের সাক্ষ্যের সঙ্গে মিল খুঁজে পাননি তারা।
এর আগে র্যাবের একটি টর্চার সেল পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। শিগগিরই র্যাব-২ ও ডিবির টর্চার সেল পরিদর্শন করবেন তারা।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন