ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি অনুদানে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের জন্য চেষ্টা করা উচিত: গয়েশ্বর


সরকারি অনুদানে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের জন্য চেষ্টা করা উচিত: গয়েশ্বর

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সমাজ থেকে দারিদ্র্য নিরসন সম্ভব, সকলের যৌথ প্রচেষ্টায়।

তিনি আরও বলেছেন, যে আর্থিক সহায়তা বা ভিজিডি, নারী কার্ড ও ফার্মার্স কার্ড দেওয়া হচ্ছে, তা সদ্ব্যবহার করার প্রয়োজন রয়েছে। এই অর্থ কেবল সাময়িক খরচের জন্য ব্যয় না করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে।

আজ দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের মানবিক কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে জিআর কর্মসূচির নগদ টাকার চেক হস্তান্তর এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ, সড়ক পাকা না হওয়ায় কৃষকদের সমস্যা

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরো বলেন, ‘জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে যে আস্থা ও বিশ্বাস বজায় রেখেছে, তা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভরসাকে সম্মান জানিয়ে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।’

সরকারি সহায়তার অর্থ বণ্টনে স্বচ্ছতার ওপর তাগিদ দিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও উপজেলা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘সকলের যৌথ প্রচেষ্টায় সমাজ থেকে দারিদ্র্য নিরসন সম্ভব। যে আর্থিক সহায়তা বা ভিজিডি, নারী কার্ড ও ফার্মার্স কার্ড দেওয়া হচ্ছে, তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। কেবল সাময়িক খরচের জন্য এই অর্থ শেষ না করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। এ কারণে আত্মীয়-স্বজন বা রাজনৈতিক পরিচয় দেখে নয়, কেবল পাওয়ার যোগ্য ও প্রকৃত দুস্থদের কাছে এই সাহায্য পৌছাতে হবে। যারা প্রয়োজন নেই তারা যেন হিংসা না করে, বরং অন্যদের পাওয়ার সুযোগ করে দেয় - এই মানসিকতা আমাদের বজায় রাখতে হবে।’

পরিবেশ রক্ষা ও পারিবারিক সঞ্চয়ের জন্য বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে গয়েশ্বর বলেন, ‘বাড়ির খালি জায়গায় যদি গাছ লাগানো হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতের পুঁজির মতো কাজ করবে। গাছ আমাদের বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, পরিবেশ সতেজ রাখে এবং বিপদের সময়ে আর্থিক সহায়তাও জোগায়। তাই প্রত্যেকের উচিত বেশ করে ফলদ ও বনজ গাছ রোপণ করা।’

কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক, সহায়তায় প্রতিমন্ত্রী টুকু

সভা পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে উপকারভোগীদের হাতে সহায়তার চেক ও গাছের চারা তুলে দেন অতিথিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বিকেলে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুকের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি সাক্ষাৎ করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে। বিগত বছরগুলোতে এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম আমাদের দুই দেশের মধ্যে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে কল্যাণকর কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে কোরিয়ার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ইপিএস-এর অন্যতম প্রধান প্রেরক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ সময়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উল্লেখ করেছেন, কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ, কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণ এবং কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করতে তারা আগ্রহী।

এছাড়া, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ অতিরিক্ত কিছু খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সদয় বিবেচনা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আলোচনাকালে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুক জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া মূলত ইপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে কর্মী গ্রহণ করে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে তারা যেমন আন্তরিক, তেমনই কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়াটি যেন শতভাগ স্বচ্ছ হয় সে বিষয়েও তারা সমান সতর্ক। ইপিএস পদ্ধতির এই স্বচ্ছতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খেলোয়াড়দের জন্য হাইড্রেশন ব্রেক অব্যাহত রাখতে চায় ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


খেলোয়াড়দের জন্য হাইড্রেশন ব্রেক অব্যাহত রাখতে চায় ফিফা

বিশ্বকাপের ম্যাচের মাঝে একটি হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পানের বিরতি দেওয়া হয়েছে। এআই দ্বারা বানানো একটি প্রতীকী ছবির সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে খবরটি। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেকের জন্য প্রতি অর্ধে তিন মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিরতি থেকে বিপুল অর্থ রোজগার করেছে। সেইসাথে, ২০৩০ ও ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপেও এই বিরতি রাখা নিয়ে ফিফার চিন্তা ভাবনা চলছে—এমনটি রিপোর্ট করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

বিশ্বকাপ ম্যাচের মাঝপথে তিন মিনিটের নির্ধারিত বিরতি মূলত ফুটবলারদের পানি পান করার এবং শরীর ঠান্ডা রাখার উপায় হিসেবে গন্য হয়েছে। তবে, এটি ফিফার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সুযোগও সৃষ্টি করেছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্বের নতুন চুক্তিতে প্রতি অর্ধে বাধ্যতামূলক ভাবে তিন মিনিটের বিরতিকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে ফিফা। এই কারণে, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ম্যাচের মাঝপথে নির্ধারিত সময়ের জন্য খেলা থামতে দেখা যাবে।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ফিফা প্রতিটি ম্যাচের দুটি অর্ধে তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক বাধ্যতামূলক করেছে। এটি আবহাওয়া বা তাপমাত্রার উপর নির্ভর না করে প্রত্যেক অর্ধে একটি বিরতি দেওয়ার নিয়ম সৃষ্টি হয়েছে। ফিফার বক্তব্য, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে, এই বিরতি সম্প্রচারকদের জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব প্রাপ্ত ফক্স স্পোর্টস এই বিরতির সময়ে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ব্যাপক অর্থ আয় করেছে, এমনটাই বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র এই তিন মিনিটের বিরতিতে ফক্সের বিজ্ঞাপন আয় প্রায় ২৫ কোটি ডলার (৩ হাজার ৮৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা) হতে পারে। ম্যাচের গুরুত্ব অনুযায়ী ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম ২ লাখ (২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার (৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে।

অতএব, খেলোয়াড়দের জন্য স্বস্তির মাধ্যম হিসেবে শুরু হওয়া এই বিরতি এখন সম্প্রচার ব্যবসার জন্য একটি মূল্যবান বিজ্ঞাপনের সময় হয়ে উঠেছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফার প্রধান বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়ন কর্মকর্তা আর্সেন ওয়েঙ্গার জানিয়েছিলেন যে, হাইড্রেশন ব্রেকের কারণে ম্যাচের ফল বা খেলার প্রবাহে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি।

তবে, ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থা থাকবে কি না, সেটির সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। বর্তমান প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলছে যে বাণিজ্যিক দিকটি ফিফার চিন্তাভাবনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রচারস্বত্বের নতুন চুক্তির শর্ত হিসেবে হাইড্রেশন ব্রেক অন্তর্ভুক্ত করা হলে সম্প্রচারকারীরা আগে থেকেই নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করতে পারবে।

২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব নিয়ে এরই মধ্যে বড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারস্বত্বের বাজারে নেটফ্লিক্স, ডিজনি এবং ইউটিউব আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমাজন এবং অ্যাপলও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে আলোচনা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিটি বিশ্বকাপের জন্য সম্প্রচারস্বত্ব ক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ১৫০ কোটি ডলার (১৮ হাজার ৫১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) থেকে ২০০ কোটি ডলার (২৪ হাজার ৬৮২ কোটি ৫২ লাখ টাকা) পর্যন্ত বাজেট নির্ধারণ করেছে।

ফিফা এবার যুক্তরাষ্ট্রের ইংরেজি এবং স্প্যানিশ ভাষার সম্প্রচারস্বত্ব একসঙ্গে বিক্রির বিষয়টিও ভাবছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই সম্প্রচারস্বত্বের দাম আরো বাড়তে পারে।

অর্থাৎ, বিশ্বকাপ এখন কেবল মাঠের লড়াই নয়; বরং এটি সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন এবং বিপুল অর্থেরও খেলার জায়গা। সেই বাণিজ্যিক সমীকরণে ম্যাচের মাঝের তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, ২০২৬ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা সত্যিই সেটির প্রমাণ দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে মৌলভীবাজারে ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে মৌলভীবাজারে ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা

মৌলভীবাজারে ‘মাইন্ড ম্যারাথন কুইজ প্রতিযোগিতা-সিজন ০৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়।

এটিতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে জ্ঞানচর্চায় আগ্রহ বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হয়।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা একাডেমি, বাজার মডেল স্কুল ও হাফিজা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এই প্রতিযোগিতায় সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন রাখা হয়।

মুখস্থনির্ভর জ্ঞানের পরিবর্তে জানার আগ্রহ, দ্রুত চিন্তা করার সক্ষমতা এবং যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে জ্ঞান অর্জনে উৎসাহিত করা ও তাদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এছাড়াও, শিশু-কিশোরদের আত্মবিশ্বাসী, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা হবে।

ফুলকুঁড়ি আসর মৌলভীবাজার শহর শাখার পরিচালক রেদোয়ান মাহবুব তাহমিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, বরং জ্ঞান, যুক্তিবোধ ও দেশ-সমাজ সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'

তিনি আরও বলেন, ‘মাইন্ড ম্যারাথনের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করবে।'

অন্যদিকে, ‘মাইন্ড ম্যারাথন কুইজ প্রতিযোগিতা-সিজন ০৩’ এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়াবে।

এটি শিশু-কিশোরদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি এবং ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব বিকাশেও সাহায্য করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে কলম্বিয়ার স্বীকৃতির তীব্র নিন্দা সিরিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে কলম্বিয়ার স্বীকৃতির তীব্র নিন্দা সিরিয়ার

সিরিয়া কলম্বিয়ার স্বীকৃতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যা অধিকারিত সিরীয় গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের দাবির সাথে সম্পর্কিত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কলম্বিয়ার এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে কলম্বিয়ার অবস্থানকে ‘দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা’ করার একটি আহ্বান জানিয়েছে। তারা একই সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গোলান মালভূমির ওপর সিরিয়ার অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘দ্য সিরিয়ান গোলান’ শিরোনামের একটি প্রস্তাবের পক্ষে যে ভোট দেওয়া হয়েছে, তা ২০২৪ সালের ৯৭ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১২৩ হয়েছে।

দামেস্কের দাবি, এই বৃদ্ধিটি গোলান মালভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে সিরিয়ার অধিকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সমর্থনেরই প্রতিফলন।

এছাড়া, সৌদি আরবও কলম্বিয়ার এই সিদ্ধান্তের জন্য নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অধিকৃত সিরীয় গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বকে কলম্বিয়ার স্বীকৃতি ‘আন্তর্জাতিক আইন ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বৈধতার প্রস্তাবগুলোর পরিপন্থী’।

সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, এটি ১৯৮১ সালের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ৪৯৭ নম্বর প্রস্তাব লঙ্ঘন। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল যে, সিরিয়ার গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রয়োগ ‘অকার্যকর এবং আইনগত কোনো প্রভাব নেই’।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ‘সৌদি আরব জোর দিয়ে বলছে, এ ধরনের অবস্থান শান্তি প্রতিষ্ঠায় কোনো অবদান রাখে না। বরং এগুলো অধিকৃত সিরীয় গোলান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুতি।’

১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে, ইসরাইল সিরিয়ার কাছ থেকে গোলান মালভূমির অধিকাংশ দখল করে নেয়। পরে ১৯৮১ সালে অঞ্চলটি নিজেদের ভূখণ্ডের সাথে একীভূত করার ঘোষণা দেয়। তবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশই এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি দেয়নি।

গত সোমবার (১০ আগস্ট) কলম্বিয়া ইসরাইলের গোলান মালভূমির ওপর সার্বভৌমত্বের দাবিকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এর আগে ২০১৯ সালে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরাইলের এই দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রই এতদিন একমাত্র দেশ ছিল, যা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি স্বীকার করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%