ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিবির


শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিবির

গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতার নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

রোববার (২১ জুন) রাত ১০টার দিকে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে ওই রাতে প্রথমে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীরা জড়ো হন। সেখান থেকে পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে এসে শেষ হয় এবং সেখানে সড়ক অবরোধ করেন নেতাকর্মীরা। এর ফলে মোড়ের এক দিকের যানচলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের মতো ত্যাগীদের পদত্যাগ হলে হাইব্রিডরা বিএনপির ক্ষতি করলেও টু শব্দ হয় না: জুমা

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গাইবান্ধা সাঘাটার বোনারপাড়া বাজারের (উপজেলা চত্বরে) চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কির একপর্যয়ে বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর ওপর হামলা করা হয়। হামলার পর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মাঠে থাকবে ডিএমপির ১৮ হাজার পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৭ এম


কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মাঠে থাকবে ডিএমপির ১৮ হাজার পুলিশ

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও নিঁখুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

দলটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নগরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে পুরো ঢাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে ২০০টিরও বেশি কৌশলগত স্থানে পুলিশের বিশেষ পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহানগরের সবকটি প্রবেশপথে কড়া চেকপোস্ট এবং তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার থাকবে, যাতে কোনো বহিরাগত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও নিখুঁত করতে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিএমপির বিশেষায়িত ইউনিটসমূহ। এর মধ্যে ডিবি (গোয়েন্দা শাখা) এবং সিটিটিসি (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) ইউনিট সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের আগাম নাশকতা বা ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং আইএডি (ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন) ব্যাপক গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এতে বলা হয়েছে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার জন্য মহানগরের বিভিন্ন পয়েন্টে ১৫টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হবে। এছাড়া ঢাকার ৪টি প্রধান কন্ট্রোলরুমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স স্ট্যান্ডবাই বা রিজার্ভ রাখা হবে, যাতে ডাক পাওয়া মাত্র তাদের অ্যাকশনে যেতে পারে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপির ১৮ হাজারেরও বেশি অফিসার ও ফোর্স মাঠে থেকে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এই বিশাল নিরাপত্তা কর্মযজ্ঞ কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং স্বয়ং ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরেজমিনে মাঠে উপস্থিত থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ডিউটি তদারকি ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ১,৫৩৭ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ এম


জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ১,৫৩৭ জন

রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও অপরাধ দমনে চলতি জুন মাসের ১ তারিখ থেকে গতকাল ২০ তারিখ পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মোট ১ হাজার ৫৩৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই বিশেষ অভিযানের মধ্যে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৫৪ জন চাঁদাবাজ রয়েছেন, যার মধ্যে একজন পুলিশের তালিকাভুক্ত এবং বাকি ৫৩ জন তালিকাবহির্ভূত। সেইসঙ্গে সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের ৪৬৩ জন সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি পালন করতে গিয়ে এই ২০ দিনের মধ্যে ১ হাজার ২০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির বিভিন্ন থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মহানগরের বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়তে পুলিশের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামী দিনগুলিতেও অব্যাহত থাকবে বলেও ডিএমপি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


কলকাতার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এই নামটি এখন গোপাল মুখার্জির নামে নামকরণ করা হয়েছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করা হলেও সমালোচকরা বলছেন, এই সড়কটির নাম আগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরিবর্তে তার চাচা, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও চিকিৎসক হাসান সোহরাওয়ার্দীর নামে রাখা হয়েছিল। খবরটি প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া টুডে।

এদিকে, রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ দিবসে (২০ জুন) নেয়া এই সিদ্ধান্তটি দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহাসিক ভুল সংশোধনের পদক্ষেপ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউয়ের নাম এখন গোপাল মুখার্জি রোড করা হবে।’

শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক এতদিন এমন একজনের নামে ছিল, যিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাজনৈতিক স্বার্থে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতার সময় দায়িত্বরত ছিলেন। এই মন্তব্যটি অনেকে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় মুখপাত্র সাকেত গোখলে এক্সে লেখেন, ‘এই সড়কের নাম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে রাখা হয়নি।’ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গোপাল মুখার্জির নামে সড়কটির নামকরণ করলে একজন ‘প্রকৃত রক্ষক ও ত্রাণকর্তাকে’ সম্মান জানানো হবে এবং এর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রকৃত বীরদের স্মরণ করবে, ভুল সংশোধন করবে এবং তাদের সম্মান জানাবে।’

সড়কটির নাম পরিবর্তনকে যখন শুভেন্দু অধিকারী ঐতিহাসিক অন্যায় সংশোধন হিসেবে তুলে ধরেন, তখন সমালোচকরা ভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন। তারা প্রশ্ন করছেন, সড়কটির নাম কি আদৌ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে রাখা হয়েছিল কিনা। সাকেত গোখলে প্রথমে উল্লেখ করেন, সড়কটির নাম অবিভক্ত বাংলার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে নয়; বরং তার চাচা হাসান সোহরাওয়ার্দীর নামে রাখা হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষও এক্সে লেখেন, ‘আমার মনে হয় কলকাতা পৌর করপোরেশন বড় ধরনের ভুল করেছে।’

তিনি মন্তব্য করেন, দুই সোহরাওয়ার্দী ছিলেন চাচা-ভাতিজা। তার মতে, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর বিষয়টি যাচাই করা উচিত এবং কলকাতা পৌর করপোরেশনকে নথিপত্র পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া উচিত। যদি ভুলবশত ভাতিজার বদলে চাচাকে শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে তা দুর্ভাগ্যজনক হবে।’

হাসান সোহরাওয়ার্দী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম উপাচার্য। তিনি ১৯৩০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দ্বিতীয় মুসলিম ব্যক্তি হিসেবে ইংল্যান্ডের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৪৫ সালে, মৃত্যুর এক বছর আগে, তাকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতির অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি তিনি সাইমন কমিশনের উপদেষ্টা এবং বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ১৯২৩ থেকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত তিনি কাউন্সিলের ডেপুটি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।

ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ১৯৩৩ সালে হাসান সোহরাওয়ার্দী জীবিত থাকতেই কলকাতা পৌর করপোরেশন পার্ক সার্কাস ও কসাইপাড়া লেন সংযোগকারী সড়কটির নাম তার নামে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তার বাসভবন ‘কাশানা’ ওই সড়কের সন্নিকटেই অবস্থিত ছিল। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকে, এটি ছিল ভারতের বহু শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার আড্ডাস্থল। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসেও এই সড়কের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই সড়কের একটি ঔপনিবেশিক আমলের ভবনে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। এর আগে ভবনটি পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিতে রাজধানীজুড়ে চরম ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২২ এম


৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিতে রাজধানীজুড়ে চরম ভোগান্তি

৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টির ফলে রাজধানীর অধিকাংশ সড়ক তলিয়ে যায়। এতে নগরবাসী জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টির পর রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি ঢেউ খেলে। অফিস ছুটির পর ঘরমুখো মানুষ ভয়াবহ বিড়ম্বনায় পড়ে। সড়কগুলোতে দেখা যায় তীব্র যানজট।

২৮ ঘণ্টায় কোনো এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা ভারী এবং এর চেয়ে বেশি হলে অতিভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে গণ্য করা হয়। গতকাল রাজধানী ঢাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফরিদপুর, মাদারীপুর, নীলফামারী, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার, কক্সবাজারের টেকনাফ ও কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে যথেষ্ট বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায় ৮৭ মিলিমিটার।

আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক জানান, সোমবারেও রাজধানীতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালের ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

আষাঢ়ের শুরু থেকেই রাজধানীর আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও উল্লেখ করার মতো বৃষ্টি হয়নি। এই অস্বস্তির মধ্যে গতকাল বিকাল ৫টার দিকে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তির বৃষ্টি নামে। মুষলধারে ঝরেপড়া বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসে। রাত ১০টায় রিপোর্ট লেখার সময় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল।

ভ্যাপসা গরমের পর এমন বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে আনন্দের ছোঁয়া প্রকাশ পেয়েছে। তীব্র গরমে বৃষ্টির শীতল হাওয়া একটি দারুণ উপহার হিসেবে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে রাজধানীবাসীকে বৃষ্টি ঝরানোর আনন্দ উদযাপনের ছবি ও অনুভূতি প্রকাশিত হচ্ছে।

কিন্তু বৃষ্টির এই স্বস্তি বেশীক্ষণ স্থায়ী হয়নি; এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরীর বেশিরভাগ সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। জলাবদ্ধতায় যানজট বৃদ্ধি পাওয়ায় গণপরিবহনের সংখ্যা কমায় এবং রিকশা ও সিএনজিচালকরা বাড়তি ভাড়া দাবি করার কারণে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বিভিন্ন সড়কে প্রাইভেট কার ও সিএনজি অটোরিকশা বিকল হয়ে পড়ে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে যেটুকু ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছিল, এ বৃষ্টির ফলে তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

বৃষ্টির কারণে কাজীপাড়া এলাকায় প্রধান সড়ক কোমর পানিতে থই থই। নিউ মার্কেট এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। গ্রিন রোডজুড়ে পানি থই থই পরিস্থিতি দেখা যায়। পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোড পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, মালিবাগ, মধ্যবাড্ডা, গ্রিন রোড, ধানমন্ডি ২৭, মিরপুরের শেওড়াপাড়া, মিরপুর-১০, ১৩ ও ১৪ নম্বর, সায়েদাবাদ, শনির আখড়া, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত বাইপাসসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানায়, জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনের জন্য পাঁচ হাজার ৩০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করে। প্রতি টিমে ১০ জন কর্মী দিয়ে ১০টি কুইক রেসপন্স টিম কাজ করে। হটলাইনে (১৬১০৬), আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রধান কার্যালয়ে খবরপেলে সঙ্গে সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জানায়, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ডিএসসিসির ৯১টি দল কাজ করছে। প্রতিটি দলের ৫ জন কর্মী রয়েছে। কোথাও জলাবদ্ধতার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%