ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫.৭ বিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রি


৫.৭ বিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রি

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিখ্যাত স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা ‘ইজিজেট’ এখন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রাইভেট ইক্যুইটি জায়ান্ট অ্যাপোলো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের কাছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা দর কষাকষি এবং লড়াইয়ের পর, ৫.৭ বিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ৭.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবে ইজিজেট কর্তৃপক্ষ সম্মত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ইজিজেট বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে অ্যাপোলো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের এই অফারটি গ্রহণ করার ঘোষণা দেয়। আমেরিকান বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাসেললেক বিডিং প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরপরই এই চুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অ্যাপোলো প্রতি শেয়ারের জন্য ইজিজেট শেয়ারহোল্ডারদের ৭.১৫ পাউন্ড নগদ প্রদান করবে। এই মূল্য ইজিজেটের গত মে মাসের শেয়ারমূল্যের তুলনায় প্রায় ৮১ শতাংশ বেশি। ইজিজেটের পরিচালনা পর্ষদ এই প্রস্তাবকে অত্যন্ত লাভজনক এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আকর্ষণীয় হিসেবে বর্ণনা করেছে। অধিগ্রহণের পর ইজিজেটকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে তালিকাচ্যুত করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। তবে ইজিজেটের প্রতিষ্ঠাতা স্যার স্টেলিওস হাজি-আইয়ানু এবং তার পরিবার এয়ারলাইনটিতে তাদের বিনিয়োগ বজায় রাখবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিয়মান চলাচলসংক্রান্ত মালিকানা বিধিমালা অনুসরণ করতে বিশেষ কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাপোলোর কাছে থাকবে সর্বোচ্চ ৪৯.৯ শতাংশ শেয়ার, ইউ ট্রাস্টের কাছে ৫ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিবারসহ বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছে বাকি ৪৫.১ থেকে ৪৯.৯ শতাংশ মালিকানা থাকবে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসএএফএনের অনারারি সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারের ৩ ইউনিয়ন বিচ্ছিন্ন না করার দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০০ এম


সাভারের ৩ ইউনিয়ন বিচ্ছিন্ন না করার দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ

সাভার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেঁতুলঝোড়া, ভাকুর্তা ও আমিনবাজার—এই তিনটি ইউনিয়নকে সাভার থেকে বিচ্ছিন্ন করে কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাথে যুক্ত করার চক্রান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ফুঁসে উঠেছেন। এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন এই তিন ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দা।

গতকাল জুম্মার নামাজ শেষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় একটি বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ। তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা হাজী জামাল উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে তিনটি ইউনিয়ন থেকে খ- খ- মিছিল নিয়ে শত শত মানুষ সমাবেশস্থলে সমবেত হন। বিক্ষোভের কারণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ থাকা অবস্থায় প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহনের চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকে। ফলে মহাসড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রী ও চালকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সমাবেশে বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানকে ইঙ্গিত করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কৌশলে ফর্মে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে জানা গেছে, ওই ফর্মগুলো মূলত এই তিন ইউনিয়নকে সাভার থেকে কেটে কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার প্রস্তাবনা ছিল।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা জীবন দেব, তবুও আমাদের জন্মভূমি তেঁতুলঝোড়া, ভাকুর্তা ও আমিনবাজার ইউনিয়নকে কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত হতে দেব না। এটি এলাকাবাসীর আবেগের সাথে এক ধরনের প্রতারণা।

সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে নেতারা জানান, অবিলম্বে এই চক্রান্ত বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, এলাকাভিত্তিক গণস্বাক্ষর অভিযান এবং লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন আয়োজকরা।

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা হাজী জামাল উদ্দিন সরকার ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শ্যামলী কার্ড দেওয়ার কথা বলে সাধারণ জনগণকে ভুল বুঝিয়ে ফর্মে স্বাক্ষর নিয়েছেন। আমাদের ইউনিয়নকে ঢাকা-২ আসনের সাথে যুক্ত করিয়াছেন। এবার তিনটি ইউনিয়নকে কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার যে ষড়যন্ত্র করছেন তা হতে দেবো না। প্রয়োজন হলে রক্ত দেবো। আন্দোলন করবো এবং প্রয়োজন হলে পুনরায় এই ইউনিয়নগুলো ঢাকা-১৯ আসনে যুক্ত করার জন্য আন্দোলনে নামবো। এ সময় আব্দুর রহমান, এডভোকেট দিন ইসলাম, নয়ন সরকার, যুবদল নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার (শাওন সরকার), আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াইহাজারে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০২ এম


আড়াইহাজারে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে 'হানি ট্র্যাপ'-এর মাধ্যমে লোকজনকে অপহরণ, মারধর এবং বিকাশ-নগদের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের শীলমান্দি গ্রামের মো. শ্যামল ভূঁইয়া, সুমন এবং ইউসুফ। তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে তাদের জেলহাজতে রাখার আবেদন করেছেন। একই সাথে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথক রিমান্ডের আবেদনও করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের শীলমান্দি গ্রামে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার উল্লেখ করেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র যা নারীকে ব্যবহার করে 'হানি ট্র্যাপ'-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করতো। এ ঘটনায় বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ এম


বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’

আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটি ও ছনের ঘর হারিয়ে যাচ্ছে। জায়গা দখল করছে ইট-পাথরের দালান ও টিন। শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই মাটির ও ছনের ঘর বেশ আরামদায়ক। এই ঘরগুলো গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন এবং ছায়া ঘেরা শান্তির নীড় ছিল। এর আগের সময়ে এই ঘরগুলো গ্রামের মানুষের কাছে ‘গরিবের এসি বাড়ি’ নামে পরিচিত ছিল। তবে কালের বিবর্তনে এই ঐতিহ্যের মাটির ঘর হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়া মাটির ঘরের জায়গায় এনে দিচ্ছে ইটের বাহারী দালান।

মানুষের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা, প্রযুক্তির উন্নয়ন, রুচিবোধের পরিবর্তন এবং পারিবারিক নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষার কারণে আজকাল আর কেউ মাটি ও ছনের ঘরে থাকতে চান না। সচ্ছলরা ঝুঁকে পড়েছেন পাকা দালানের দিকে। তবুও মানুষ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাকা দালান কোঠা তৈরি করছেন। এই কারণেই আধুনিকতার ছোঁয়া এবং সময়ের পরিবর্তনে গ্রাম বাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি ঘর আজ বিলুপ্তির পথে।

একদিন হয়তো সেই মাটিও ছনের ঘরের স্থান হবে ইতিহাসে অথবা যাদুঘরে। মানুষের আর্থিক সামর্থ্য এবং রুচির পরিবর্তনের ফলে গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মাটি ও ছনের ঘর।

কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানে এখনো কিছু মাটির ঘর দেখা যায়। তবে সেগুলোও বেশিদিন থাকবে না। আধুনিকতার ছোঁয়া পৌঁছে গেছে বাগানগুলোতেও। প্রায় সব বাগানেই দালানকোঠা তৈরি হচ্ছে। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এখন অনেকে ইটের ঘর তৈরি করছে, ফলে মাটির ঘর ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। তাদের ছেলে-মেয়েরা যেন মাটির ঘর দেখতে পারে, তাই অনেকে গ্রামে কিছু ঘর রেখে দিয়েছেন। তবে সেটাও বিরল। বর্তমানে মাটিও ছনের ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির কাছাকাছি। হয়তো খুব দ্রুতই সেদিন আসবে, যেদিন মাটির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মের কাছে মাটি ও ছনের ঘর রূপকথার গল্পের মতো মনে হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আলীনগর চা বাগানের বিভিন্ন টিলায় মাটির ঘর এখনও রয়েছে। চা শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিজস্বভাবে বসবাস করছেন। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন ভালো নয়, তাই আধুনিকতার ছোঁয়া সেখানে লাগেনি। তবে তারা জানান, আগের তুলনায় এখন মাটির ঘর খুব কম রয়েছে। হয়তো সেটাও থাকে না। হয়ে যাবে দালান কোঠা। পরবর্তী প্রজন্ম তাদের কাছে মাটির ঘরের গল্প, কবিতার ছন্দে বা সাহিত্যর পাতায় দেখা ছাড়া কিছুই থাকবে না। নতুন প্রজন্মের কাছে নাটক, সিনেমা ও গল্প কাহিনী রয়ে যাবে।

মাটির ঘরের কারিগর শাহীন, রুস্তম ও কনা মিয়া বলেন, মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন থেকে চার মাসের অধিক সময় লাগতো। মজুরি হিসাবে একটি ঘরের জন্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা নিতেন। এখন আর কেউ মাটির ঘর নির্মাণ করে না। তাই আমাদেরও আগের মতো কাজ নেই। এখন অন্য কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।

আনু মিয়া বলেন, মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের বিবর্তনে অধিকাংশ মানুষ মাটির ঘর ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও কম জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের জন্য ইটের ঘরকে প্রথম পছন্দের তালিকায় নিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, মাটির ঘর শীত গরম উভয় মৌসুমে বেশ আরামদায়ক।

বেলা নামের একজন জানান, যুগ যুগ ধরে তারা মাটির ঘরে বসবাস করছেন। তাদের তেমন টাকা পয়সা নেই পাকা ঘরে থাকার। আরামের জন্য মাটির ঘরই ভালো। তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের বাগানে মাটির ঘরের স্থান দখল করেছে ইট, সিমেন্ট, বালি ও রডের তৈরি পাকা ঘর। মাটির ঘরগুলো বন্যা ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয় বলেই মানুষ ইট সিমেন্টের ঘরবাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন। প্রতি বছর মাটির ঘরে খরচ না করে একবারে বেশি খরচ করলেও পাকা ঘরবাড়িই নির্মাণ করছেন। তবে এখন মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির কাছাকাছি। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন মাটির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মের মানুষের কাছে মাটির ঘর রূপকথার গল্পের মতো মনে হবে।

মাটির ঘর কেন কমে যাচ্ছে সে ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জের লেখক, গবেষক আহমদ সিরাজ বলেন, মানুষ এখন কর্মমুখী। মানুষের আয়-রোজগার বাড়ার কারণে মানুষ দিন দিন শৌখিন হয়ে উঠছেন। জেলার প্রচুর মানুষ বিভিন্ন দেশে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়েছেন। প্রবাসীরা ও সচ্ছল ব্যক্তিরা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে মাটির ঘরে থাকতে চাইছেন না। এ জন্য মাটির ঘর ভেঙে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করে পাকা দালানকোঠা নির্মাণ করছেন। বর্তমানে মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির কাছাকাছি। হয়তো সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন মাটির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মের মানুষের কাছে মাটির ঘর রূপকথার গল্পের মতো মনে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১২ এম


শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে

প্রতিদিন মানুষের কিছু না কিছু কেনাকাটার প্রয়োজন হয়। মানুষ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতেও যায়। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে গিয়ে যদি দেখেন যে ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। এর সঙ্গে সময়ও নষ্ট হয়।

এই কারণে, বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নেয়া জরুরি যে শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

শহরের বিভিন্ন জায়গার মধ্যে শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার।

অন্যদিকে, নিম্নলিখিত মার্কেটগুলোও বন্ধ থাকবে: ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%