ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হুথিদের হামলার নিন্দা, সউদীর পাশে সিরিয়া


হুথিদের হামলার নিন্দা, সউদীর পাশে সিরিয়া

সিরিয়া, সউদী আরবের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে ইয়েমেনের হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দামেস্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বেসামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোর ওপর হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।

হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা আন্তর্জাতিক আইন ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব কর্মকাণ্ড সউদী আরবের নিরাপত্তা এবং পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করছে।

মঙ্গলবার ও বুধবার হুথিরা সউদী আরবের আবহা ও রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। সউদী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় তিনজন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আবহা বিমানবন্দরে দুই নারী এবং রিয়াদের বিমানবন্দরে এক সুদানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে হত্যা: স্বামী রঞ্জিত গ্রেপ্তার

হুথিরা এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটির দাবি, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সউদীর বিভিন্ন বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। সউদী নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদে হামলায় ব্যবহৃত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণস্থল ধ্বংস করা হয়েছে।

সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সউদী আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং দেশটিতে বসবাসকারী নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিয়াদ যে বৈধ পদক্ষেপ নেবে, দামেস্ক তার প্রতি পূর্ণ সংহতি জানাবে।

সিরিয়ার এই অবস্থান এমন এক সময়ে প্রকাশ পেয়েছে, যখন দেশটির প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা চলতি সপ্তাহে রিয়াদ সফর করে সউদী যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে সিরিয়ার পুনর্গঠন, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুনর্নির্মাণ এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, নির্মাণ, শিল্প, কৃষি ও বাণিজ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হামলা চালিয়ে ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রমাণ দিচ্ছে হুথিরা

এই সফরে আহমেদ আল-শারা সউদী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে সিরিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সমন্বয় জোরদারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। একই সময়ে ইয়েমেনে সংঘাতের বিস্তার নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির কোলন শহরে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও আকুল মিয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৯ এম


জার্মানির কোলন শহরে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও আকুল মিয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ

জার্মানির কোলন শহরে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের সঙ্গে জার্মান বিএনপির সাবেক সভাপতি আকুল মিয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের মানুষের যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বর্তমানে জাতীয় সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এই কমিটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে।
জার্মানির কোলন শহরে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বের যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হিসেবে উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসর-কুয়েত-আমিরাতকে ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


মিসর-কুয়েত-আমিরাতকে ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র মিসর, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত সপ্তাহে এ বিষয়ে কংগ্রেসকে অবহিত করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে দেশটির ব্যবহৃত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মেরামত এবং প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করবে।

অন্যদিকে, মিসর যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২ হাজারের বেশি এফজিএম-১৪৮ জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সর্বোচ্চ ২০০টি জ্যাভেলিন লঞ্চ ইউনিট ক্রয় করবে। এই চুক্তির আওতায় সিমুলেশন রাউন্ড, খুচরা যন্ত্রাংশ ও মার্কিন সরকারের কারিগরি সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। চুক্তির আনুমানিক মূল্য ৮৩২ মিলিয়ন ডলার।

তবে তিন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় অস্ত্র চুক্তিটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। দেশটি সর্বোচ্চ ১০ হাজার এপিকেডব্লিউএস-২ লেজার-নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবস্থা কিনবে। আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে স্থলে—দুই ধরনের অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী এসব অস্ত্রের চুক্তির মূল্য আনুমানিক ১.০৪ বিলিয়ন ডলার।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এসব অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা সরবরাহ করার পরেও মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান সামরিক ভারসাম্যে মৌলিক কোনো পরিবর্তন ঘটবে না।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে মব সংস্কৃতির শিকার মুসলিমসহ সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


ভারতে মব সংস্কৃতির শিকার মুসলিমসহ সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ

"গরুকে রক্ষা করার জন্য একজন মানুষকে হত্যা করা হিন্দু ধর্ম এবং অহিংসার স্পষ্ট লঙ্ঘন।" — মহাত্মা গান্ধীর এই ঐতিহাসিক উক্তি দিয়ে কলামিস্ট মণি শংকর আইয়ার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর ফ্রন্টলাইন ম্যাগাজিনে নিবন্ধটি শুরু করেছেন। নিবন্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের একটি ভয়াবহ সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর দুটি নির্ভরযোগ্য ও বিস্তারিত রিপোর্ট অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে।

প্রথম প্রতিবেদনটি জাফরুল-ইসলাম খান সংকলিত ৭৫০ পৃষ্ঠার একটি সুবৃহৎ প্রতিবেদন। এতে ২০১৪ সালের মে মাসে নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত এক দশকে ঘটে যাওয়া ১ হাজার ৭৪৩টি ‘মব লিঞ্চিং’ বা গণপিটুনির ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ও সূত্র তুলে ধরা হয়েছে।

হিসাব অনুযায়ী, এই ১০ বছরের সময়ে গড়ে প্রতিবছর ১৭৪টি এবং প্রতি দুই দিনে অন্তত একটি করে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। তবে অপরাধীরা আইনি শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার ফলে এই হার দিন দিন আরও বেড়েছে এবং শেষের দিকে তা প্রায় প্রতিদিন একটি করে গণপিটুনিতে গিয়ে ঠেকেছে।

ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গণপিটুনির সিংহভাগ ঘটনাই ঘটেছে উত্তর ভারতের গঙ্গা অববাহিকা ও পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে, যেখানে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক প্রভাব অত্যন্ত প্রবল। বিপরীতে, দক্ষিণ ভারতের অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে এই রেকর্ড তুলনামূলক অনেক কম।

দ্বিতীয় রিপোর্টটি বিশিষ্ট সমাজকর্মী হর্ষ মান্দারের লেখা ২৬০ পৃষ্ঠার বই—‘ইট স্টার্টেড উইথ ওয়ার্ডস’ (শুরুটা হয়েছিল শব্দ দিয়ে)। এতে তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে ‘নয়া ভারতে ঘৃণা ভাষণের (হেইট স্পিচ) মহামারি’ ছড়িয়ে পড়েছে। হর্ষ মান্দারের মতে, প্রথমে ‘শব্দ’ বা বক্তব্যের মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানো হয় এবং পরবর্তী সময়ে সেই উসকানিতে ঘটে যাওয়া সহিংসতাকে সঠিক বলে বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।

রাজনৈতিক হিন্দুত্বের প্রসারই এই সামাজিক ব্যাধির সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিভিন্ন ঘটনায় দেখা গেছে, সংঘবদ্ধ দলগুলোকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের ২ জুন পুনেতে মহসিন শেখ নামের এক তরুণকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র সেনা’-র কর্মীরা পিটিয়ে হত্যা করে। সেটিই ছিল এই ধারার সূচনা। পরবর্তীতে বিচার বিভাগীয় নানা জটিলতা ও জামিনের পর দীর্ঘ ৯ বছর পর সব আসামি খালাস পেয়ে যায়।

একইভাবে ২০১৫ সালে উত্তর প্রদেশের দাদরির বিসাদা গ্রামে মোহাম্মদ আখলাককে ফ্রিজে গরুর মাংস রাখার গুজবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় তা গরুর মাংস প্রমাণিত না হলেও আখলাকের জীবন আর ফিরে আসেনি। এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া অন্যতম অভিযুক্ত রবি সিসোদিয়া ২০১৬ সালে মারা গেলে তার কফিনে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে সম্মান জানানো হয়েছিল এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় এক মন্ত্রী তার শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন। ১০ বছর পর সম্প্রতি রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় এবং সমস্ত আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই সহিংসতার শিকার কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ই নয়; হিন্দু, দলিত, আদিবাসী, খ্রিস্টান ও শিখদের ওপরেও আক্রমণ চালানো হয়েছে। সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে নিহত ও আহত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক হিন্দু ধর্মের নাগরিকও রয়েছেন (৭৮৭ জন নিহত ও ৩২৭ জন আহত)। তবে আহতদের সংখ্যার বিচারে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ (৬৩৪ জন আহত)।

এর একটি নিকৃষ্টতম উদাহরণ হলো রাজস্থানের উদয়পুরে কলাইয়ের কাজ করা হিন্দু দর্জি কানহাইয়া লাল তেলির নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ‘দাওয়াত-ই-ইসলামি’র দুই সদস্য একটি ১২ বছরের শিশুকে দিয়ে পুরো হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ধারণ করিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছিল। অপরাধ করে ছাড় পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি এবং শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘৃণা ভাষণ কিভাবে সমাজে নির্মমতাকে সাধারণ বিষয় বানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনা তারই সাক্ষ্য দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরু রক্ষার নামে যে নজরদারি বা ‘ভিজিল্যান্টিজম’ শুরু হয়েছিল, তা এখন যেকোনো তুচ্ছ ঘটনাতেই সহিংস রূপ নিচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বুলডোজার সংস্কৃতি, ভুয়া এনকাউন্টার এবং গণমাধ্যমের একাংশের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন।

বর্তমানে শুধু গবাদিপশু পরিবহনই নয়, কেবল ‘মুসলিম চেহারার’ হওয়ার কারণেও অনেকে হামলার শিকার হচ্ছেন। দেশটিতে গণপিটুনিবিরোধী কঠোর আইনের অভাব এই অপরাধীদের আরো বেপরোয়া করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তেলের বাজারও বোঝে আপনি মিথ্যা বলছেন’, ট্রাম্পকে আইআরজিসি কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


‘তেলের বাজারও বোঝে আপনি মিথ্যা বলছেন’, ট্রাম্পকে আইআরজিসি কর্মকর্তা

মার্কিন প্রেসিডেন্টের করা দাবি যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে তেল ও জাহাজ চলাচল করছে, তা সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসি নৌবাহিনীর উপ-রাজনৈতিক কমান্ডার আলী মোহাম্মদী যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে তেলের বাজারের পরিস্থিতিকে তাদের দাবির মিথ্যাচারের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

আলী মোহাম্মদী ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রশাসনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “যদি সত্যিই হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে তেল ও জাহাজ চলাচল করে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না কেন? বিশ্ববাজার খুব ভালো করেই বোঝে যে মার্কিন দাবিগুলো বাস্তবে মিথ্যা।”

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যে আইআরজিসি নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে, তা চ্যালেঞ্জ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আইআরজিসি নৌবাহিনী যদি ধ্বংসই হয়ে গিয়ে থাকে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী কেন হরমুজ প্রণালির দিকে না এসে ৬০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার (প্রায় ৩৭০ থেকে ৪৩৫ মাইল) নিরাপদে দূরে অবস্থান করছে?”

আলী মোহাম্মদী জোর দিয়ে জানান, পারস্য উপসাগর, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরের আকাশ ও জলসীমায় নৌযান চলাচলের ওপর আইআরজিসি নৌবাহিনীর পূর্ণ সামরিক নজরদারি এবং শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%