সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
দক্ষিণ সুদানের সীমান্তের কাছে পশ্চিম ইথিওপিয়ার গাম্বেলা অঞ্চলে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু লোক আহত হয়েছে। এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) প্রকাশ করেছে।
এমএসএফ জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর ইতাং স্পেশাল ওরেডায় সংঘর্ষের পর আহতদের চিকিৎসার জন্য গাম্বেলার কুলে অবস্থিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাদের চিকিৎসক ও কর্মীরা কাজ করছেন।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, শুক্রবারের সহিংসতার পর মোট ৮৮ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আটজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পরে আরো চারজনের মৃত্যু হয়। এমএসএফের ইথিওপিয়া অপারেশন্স ম্যানেজার গুল বাদশাহ সংঘর্ষে জড়িত সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি একইসাথে বেসামরিক নাগরিকদের আরও সহিংসতা থেকে রক্ষা করার জন্যও আহ্বান জানান। তবে এই সহিংসতার জন্য দায়ী পক্ষগুলো সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
গাম্বেলা অঞ্চলে প্রায়শই আন্তঃসাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অঞ্চলে চার লাখেরও বেশি শরণার্থী বসবাস করছেন, যাদের অধিকাংশই প্রতিবেশী দক্ষিণ সুদানের নাগরিক। তারা দেশটিতে চলমান সহিংসতা থেকে পালিয়ে ইথিওপিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।
২০২৫ সালের রিফ্ট ভ্যালি ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থনৈতিক সম্পদ নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং শরণার্থীদের আগমন গাম্বেলায় সংঘাত বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি। এদিকে, ইথিওপিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দুটি অঞ্চল ওরোমিয়া ও আমহারাতেও দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যদি স্পিকারের চিঠি পাওয়া যায়, এমনটি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে ইসি সচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে। তবে স্পিকারের কাছ থেকে এখনও কোনো চিঠি আসেনি। স্পিকারের চিঠি ছাড়া নির্বাচন কমিশনের এই বিষয়ে কোনো সরাসরি দায়িত্ব নেই।
তিনি আরও জানান, সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পাওয়ার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। চিঠি প্রাপ্তির পর সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, কমিশন সভায় আলোচনা করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরবর্তী কমিশন সভার তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভার দিনক্ষণ ঠিক করবেন।
এ সময় ইসি সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) পরিবর্তনের বিষয়েও জানান সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের জন্য লেমিনেটেড কার্ডের পরিবর্তে প্রধান কার্যালয়ের মতো প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া হবে। রাজস্ব, উন্নয়ন, আউটসোর্স কিংবা দৈনিক ভিত্তিক- সব ক্যাটাগরির জন্যই এই নতুন কার্ড প্রযোজ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানায় ঘটে যাওয়া গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এই দুর্ঘটনাটি গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সংঘটিত হয়।
আজ বিজিএমইএ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। সংগঠনটি গুরুতর দগ্ধ ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘এই সংকটের মুহূর্তে আহত ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার।’
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিজিএমইএর একটি বিশেষ ক্রাইসিস রেসপন্স টিম ও প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
বিজিএমইএ জানায়, দুর্ঘটনায় কোনো নিয়মিত পোশাক শ্রমিক আহত হননি।
দুর্ঘটনায় আহত ও দগ্ধ ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা পরিস্থিতি তদারকিতে বিজিএমইএর একটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। আহতদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে প্রীতি গ্রুপ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে গ্যাস সিলিন্ডার বা গ্যাস লরি খালাসের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ত্রুটি চিহ্নিত করতে বিজিএমইএ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করছে। এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
এছাড়া দেশের সব তৈরি পোশাক কারখানায় কেমিক্যাল, গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্য পদার্থ খালাস, হ্যান্ডলিং এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে জরুরি সার্কুলার জারি করা হচ্ছে।
বিজিএমইএ বলেছে, যেকোনো শিল্প দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের জীবন রক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার।
এ সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত সাড়া ও উদ্ধার তৎপরতার জন্য বিজিএমইএ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বোরকা পরিহিত নারীদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় কটূক্তিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন (এসআইও) ছত্তিশগড় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ছত্তিশগড়ের রায়পুরের একটি স্কুলের মঞ্চ থেকে স্লোগান তোলা হচ্ছে— “দুর্গা বন, কালী বন, কভি না বোরখেওয়ালি বন” (দুর্গা হও, কালী হও, কখনো বোরকা পরিহিতা নারী হয়ো না)।
তবে ভিডিওটির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট স্কুলের পরিচয় বা অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর এসআইও ছত্তিশগড় জানায়, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে এ ধরনের স্লোগান একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “যখন একজন শিক্ষক নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় পোশাক বা পরিচয়কে হেয় করার জন্য বিদ্যালয়ের মঞ্চ ব্যবহার করেন, তখন তা কেবল ওই ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর মাধ্যমে সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও আঙুল ওঠে, যারা এই মঞ্চ ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে এমন বার্তার অনুমোদন দিয়েছে।”
এসআইও আরও মন্তব্য করে যে, শিক্ষকদের কাজ ধর্মীয় বৈষম্য ছড়ানো নয়, বরং তাঁদের উচিত সাংবিধানিক মূল্যবোধ, সমতা, মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ শেখানো। সংগঠনটি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, “বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনার প্রাতিষ্ঠানিক দায় নিতে হবে। প্রকাশ্যে এর নিন্দা জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সম্প্রদায়ের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।”
এই পুরো ঘটনার একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এসআইও ছত্তিশগড় বলে, “আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। স্কুলের কাজ মানুষের মনকে আলোকিত ও শিক্ষিত করা, ধর্মীয় কুসংসস্কার বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে বিষাক্ত করা নয়।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিওটি নিয়ে নানা ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে বিদ্যালয়টির নাম বা কোন পরিস্থিতিতে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল, সে সম্পর্কিত স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।
এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ বা স্কুল প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি দেওয়া হলে ঘটনাটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে, যতক্ষণ না সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে অস্পষ্টতা দূর করা হয়।
সংগঠনটি একই সঙ্গে দাবি করেছে, সার ডিলারদের বস্তাপ্রতি বিক্রয় কমিশন ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হোক।
আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএফএ’র চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন এসব দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলার সার ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সার ডিলারদের বিক্রয় কমিশন বাড়ানোর দাবি জানানো হচ্ছে, কিন্তু তা কার্যকর করা হয়নি। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং জীবনযাত্রার খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ২০০৮ সালে বস্তাপ্রতি পরিবহন ব্যয় ও বিক্রয় কমিশন মিলিয়ে ১০০ টাকা থাকলেও বর্তমানে পরিবহন ব্যয় বাদ দিয়েই ডিলারদের বস্তাপ্রতি প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা লোকসান হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার বস্তাপ্রতি কমিশন ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তবে এতে ডিলারদের ব্যবসা লাভ-লোকসানের কাছাকাছি অবস্থায় থাকবে। এই কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কমিশন আরও ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএফএ চেয়ারম্যান জানান, সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর বিভিন্ন ধারার অসংগতির বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছে। আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছে। তবুও দেশের বিভিন্ন জেলায় সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে নতুন ডিলার নিয়োগের কার্যক্রম চলছে।
তিনি বলেন, আদালতের রুল জারির পরও নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিএফএ আরও দাবি করেছে, নীতিমালায় বিসিআইসি ও বিএডিসির ডিলারদের একই শ্রেণির সার ডিলার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও নিয়োগের প্রক্রিয়া, অভিজ্ঞতা, নিরাপত্তা জামানত, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রশাসনিক ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন বিএফএ চেয়ারম্যান।
সংগঠনটি বলেছে, নতুন ডিলার নিয়োগের আগে বিদ্যমান ডিলারদের মর্যাদা, ডিলার ইউনিট, ডিলারের সংখ্যা ও কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দিতে হবে। এসব বিষয়ে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএফএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ