সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪১ পি.এম
চট্টগ্রামের পটিয়ায় রেললাইনে আটকে থাকা পিকআপের সঙ্গে চলন্ত ট্রেনের সংঘর্ষের ফলে ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পিকআপটি দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। পিকআপের চালক আহত হয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে কক্সবাজার এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি ঢাকায় যাওয়ার সময় পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের কমলমুন্সির হাট-মল্লাপাড়া সড়কের রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এবং চালক সামান্য আহত হন। দুর্ঘটনার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও সন্ধ্যার পর আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী কক্সবাজার এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি পটিয়ায় পৌঁছালে রেললাইনে আটকে থাকা একটি পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপটি অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।
পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আবদুস সালাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ পিকআপটি জব্দ করেছে। এই ঘটনার পর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পিকআপচালক সামান্য আহত হলেও ট্রেনের যাত্রীরা সকলেই অক্ষত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ৬নং উত্তর-পূর্ব চেঁচরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, শিক্ষকদের পাঠদানে অবহেলা এবং সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির পুষ্টিকর খাবার বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টির এই বেহাল দশার কারণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছেন। শিক্ষার এই চরম অবক্ষয় রুখতে এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শ্রেণীকক্ষ ফাঁকা, অলস সময় পার শিক্ষকদের: বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ৬৩ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও আজ ২১ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল মাত্র ৭ জন শিশু। এর আগের দিনও উপস্থিতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ জন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং ক্লাসে পাঠদানে চরম অবহেলার কারণে বিদ্যালয়টির সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন।
আজ সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায় এক নজিরবিহীন দৃশ্য। পুরো প্রাঙ্গণ ও শ্রেণীকক্ষ ফাঁকা পড়ে আছে। মাত্র ৭ জন শিশু বেঞ্চে বসে থাকলেও প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন হালদার, সহকারী শিক্ষিকা বিজলী রানী এবং সহকারী শিক্ষিকা মোসা. ইসরাত জাহান উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাদের পড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেননি। শিক্ষকরা ক্লাস না নিয়ে অলস সময় পার করছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "স্কুলে আজ প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন শিক্ষক উপস্থিত আছেন। অথচ ৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে আজ আসছে মাত্র ৭ জন! শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না বলেই বাচ্চারা স্কুলে আসতে চায় না। আমরা এই অব্যবস্থাপনার দ্রুত প্রতিকার চাই।
"সরকারি পুষ্টিকর খাবারের ‘হরিলুট’: শিক্ষকদের এই দায়িত্বহীনতার পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার বিতরণ নিয়ে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, কোমলমতি শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকারের বরাদ্দকৃত উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ফোর্টিফাইড বিস্কুট, সেদ্ধ ডিম, তরল ইউএইচটি দুধ, কলা ও পাউরুটি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় না। অনেক সময় এসব পুষ্টিকর খাবার বিদ্যালয়ে আসার পর তা কালোবাজারে বা বাইরে সরিয়ে ফেলা হয়। আবার কখনো কখনো অত্যন্ত নিম্নমানের, অস্বাস্থ্যকর ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সরবরাহ করা হয় এবং বিতরণের ক্ষেত্রে চরম নয়ছয় করা হয়। ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা একে সরকারি বরাদ্দের "হরিলুট" বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ: এদিকে, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অপমান-অপদস্থ করার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য শুশান্ত কুমার মিস্ত্রি বলেন, "আমার বাবা এই বিদ্যালয়ের জন্য জমি দিয়েছেন। কিন্তু সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিন আমাকে নানাভাবে অপমান-অপদস্থ করেছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বর্তমানে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বাধ্য হয়ে আমি আমার ছেলেকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছি।" এই শিক্ষকের ভয়ে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
অভিযুক্তদের বক্তব্য: অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, সার্বিক অনিয়ম ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণের দুর্নীতি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন হালদার বলেন, "যাতায়াতের রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা সময়মতো আসতে পারে না। আর এত কম শিক্ষার্থী নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ক্লাস পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আমরা শিক্ষার্থীদের অবহেলা করছি না।" স্কুল ফিডিংয়ের পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার বিতরণের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, রাস্তা খারাপ হওয়ায় খাবার স্টকে রেখে পরের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তা সমন্বয় করে বিতরণ করা হয়। তবে সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা ব্যক্তিগত অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল জানান, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে একটি পক্ষ-বিপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সঠিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে অনিয়মের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি বিস্কুট, ডিম ও দুধ চুরির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে দ্রুত একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন এবং আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগের ৫৬ দিন পর আবারও উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলেও সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৩-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।
এর আগে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২৮ জুলাই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সড়কে চলন্ত একটি মোটরসাইকেলে হঠাৎ আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মোটরসাইকেলের চালক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। আগুনে মোটরসাইকেলটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের সুরমা হাটের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলটি সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় হঠাৎ এতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় চালক দ্রুত মোটরসাইকেল থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।
পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় মোটরসাইকেলটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলটির পুরো অংশ পুড়ে যায়।
তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার আগামী বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪নং ওয়ার্ডবাসীর আয়োজনে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৪নং ওয়ার্ডের বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এই সভার আয়োজন করা হয়। এতে আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়নবাসীর সমর্থন ও খাস দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত সদস্য মো: আব্দুল মবিন নির্মল।
৪নং ওয়ার্ডের প্রায় ৫০০ সাধারণ মানুষের উপচে পড়া উপস্থিতিতে আবেগঘন বক্তব্যে মবিন নির্মল বলেন, "আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতা চাই। আপনারাই এই ইউনিয়নের মালিক, তাই আপনাদের কাছেই আমার ভোটের প্রচারণা ও সমর্থন চাই।"
তিনি আরও বলেন, "আগামীর বাঙ্গাবাড়ী হবে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত এক আদর্শ ইউনিয়ন। বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার মতো আরো সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা বিতরণে কোনো প্রকার দুর্নীতি বা টাকা-পয়সার লেনদেন হবে না। প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সবার সামনে প্রকাশ্যে আলোচনার মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হবে।"
একই সাথে প্রতিবছর অত্র ইউনিয়ন থেকে যারা পবিত্র হজে যাবেন, তাদের সম্মানে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ওয়ার্ড পর্যায়ের এই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য সহ, প্রবীণ, তরুণ ভোটারসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
উপস্থিত কয়েকজন ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের সদুত্তর সহ সমাধানের আশ্বাস দেন প্রার্থী মবিন নির্মল।
বক্তব্য শেষে উপস্থিত ৪নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ