সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
যশোর, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে ফিজিওথেরাপি সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে আয়োজিত উদ্বোধনী দিনে শতাধিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (পিটিআর) বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।
পিটিআর বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. ফিরোজ কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওথেরাপি বিভাগের সেবার মান উচ্চপর্যায়ের এবং এ বিভাগ ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে।
আয়োজকরা জানান, সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী দিনগুলোতে থাকছে নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারবিষয়ক প্যানেল আলোচনা, মূল অনুষ্ঠান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে সেবা ক্যাম্প এবং প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে সমাপনী অনুষ্ঠান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় এক শিক্ষার্থীকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সহপাঠী ও শিক্ষকদের সামনে নাহিদুল ইসলাম টুটুল (১৬) নামের ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাকে মুক্তি দেওয়ার সময় শর্ত হিসেবে বলা হয়, সে আর বিদ্যালয়ে যাবে না।
এই ঘটনা রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটে। ভুক্তভোগী টুটুল সদাগরকান্দি এলাকার কুয়েতপ্রবাসী সালেহ উদ্দিনের ছেলে এবং সদাগরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন একই এলাকার ইমান মিয়া ও রিফাত মিয়া।
স্থানীয় সূত্র ও টুটুলের পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ আগস্ট আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদাগরকান্দি এলাকায় সরকার বাড়ি ও ফরিদ উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
এ ঘটনায় গুলিতে সরকার বাড়ির মোমেন সরকার নিহত হন। এরপর থেকে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রবিবার দুপুরে সরকার বাড়ির সালেহ উদ্দিনের ছেলে টুটুলকে বিদ্যালয়ের দোতলার শ্রেণিকক্ষ থেকে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সামনে ধরে নিয়ে যান ফরিদ উদ্দিন গ্রুপের ইমান মিয়া ও রিফাত মিয়া। টুটুলের দাবি, এ সময় তার মাথায় পিস্তল ঠেকানো হয় এবং মারধর করতে করতে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়।
টুটুল বলেন, ‘আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মারতে মারতে দোতলা থেকে নিচে নামিয়ে আনে ইমান ও রিফাত। পরে বিদ্যালয় থেকে একটু দূরে নিয়ে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে আহত করে। আবার স্কুলে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।’
টুটুলের ভাষ্য অনুযায়ী, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হালিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। ওই শিক্ষক অভিযুক্তদের বলেন, ‘টুটুল আমার ছাত্র। টুটুলকে মারার আগে আমাকে মারতে হবে।’ পরে টুটুলকে আর বিদ্যালয়ে যেতে হবে না—এমন শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
টুটুলের মা বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ছেলেকে বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছি। সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
সদাগরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তার হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। পরে বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক গিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনেন।’
তবে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান দাবি করেছেন, মাথায় অস্ত্র ঠেকানোর অভিযোগ সত্য নয়। তিনি বলেন, ‘অস্ত্র ঠেকানোর বিষয়টি সত্য নয়। ওই শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে চড়থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পরে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের নান্দাইলে পৌরসভার অধীনে থাকা জমি ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে দেখিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের তালিকাভুক্ত দলিল লেখক আবু সাদেক (সনদ নম্বর ৫১১৩) ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভুয়া তথ্য দিয়ে এই জালিয়াতি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, গত ৪ জুন নান্দাইল সাবরেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমি বিক্রির দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়। দলিলের তথ্য অনুযায়ী, জমির ক্রেতা আউয়াল হোসেন গং এবং বিক্রেতা ইছাক মাহমুদ গং। নান্দাইল বালিয়াপাড়া মৌজার সাবেক ২৩৩০ এবং হাল ১০০৯৮ দাগের ২১ শতাংশ জমির বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা আট লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
আইন অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ের তুলনায় পৌরসভার ভেতরের জমির সরকারি মূল্য এবং দলিল সম্পাদনের আনুষঙ্গিক সরকারি চার্জ ও ট্যাক্স অনেক বেশি।
সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্রি হওয়া জমিটি নান্দাইল পৌরসভার আওতাভুক্ত হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী এর উৎসে কর আসার কথা ছিল দুই লাখ ১০ হাজার টাকা।
সাবরেজিস্ট্রারের অভিযোগ, দলিল লেখক আবু সাদেক বেশি মুনাফা ও অবৈধ সুবিধার উদ্দেশ্যে জমির প্রকৃত অবস্থান গোপন করেন। তিনি কৌশলে পৌরসভার দামি জমিকে ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভুক্ত এলাকা হিসেবে দেখিয়ে দলিল সম্পাদন করেন। ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ের কম হারের কর সুবিধা নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার ৯০০ টাকা।
সূত্রের দাবি, এর মাধ্যমে সরকারের সরাসরি এক লাখ ৯২ হাজার ১০০ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। পৌরসভার জমিকে ইউনিয়ন পরিষদের দেখিয়ে এভাবে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি ও জালিয়াতির ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জমি বিক্রেতা ইছহাক মাহমুদ স্বীকার করেন তার বিক্রি করা জমি পৌরসভার মধ্যে। তবে দলিল লেখক কিভাবে দলিল সম্পাদন করেছেন- তা তার জানা নেই। এটা তার (দলিল লেখক) ব্যাপার।
অন্যদিকে, জমির ক্রেতা আব্দুল আউয়ালের দাবি, তিনি বাড়িতে কম থাকেন। ব্যবসাসংক্রান্ত কারণে তিনি জেলা শহর ময়মনসিংহে বসবাস করেন। তিনি বলেন, বাড়ির পাশে জমি কিনতে চাইলে বিক্রেতার সঙ্গে দরদাম ঠিক করার পর দলিল সম্পাদন হয়। কিন্তু দলিল লেখক কিভাবে করেছেন, তা তার জানা নেই।
দলিল লেখক আবু সাদেকের ভাষ্য, ‘নতুন গেজেটে মনে হয় ওই জমি পৌরসভার বাইরে ছিল। তাই না দেখেই দলিল ইউনিয়ন ধরে সম্পাদন করেছি। এখন জানতে পেরেছি এই জমি পৌরসভার। এ অবস্থায় সংশোধনের ব্যবস্থা করব।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তখনকার সাবরেজিস্ট্রার শেখ আবদুস সামাদ আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি মূলত দলিলের দাগ, খতিয়ান, মৌজার নাম এবং দলিল লেখকের (মুহুরি) বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে দলিল সম্পাদন করি। তিনি (দলিল লেখক) গাদ্দারি করেছেন। বিশেষ করে তিনি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী সব কাজ সম্পাদন করেন।
আবদুস সামাদ আরো বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, তাই জেলা রেজিস্ট্রার বিষয়টি দেখবেন।’ একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে একান্তে কথা বলব পরে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেছেন যে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নৌপথে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট লঞ্চের চলাচলকে সরকার নিরুৎসাহিত করছে। পরিবর্তে, লঞ্চ মালিকদের দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট লঞ্চ পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।
এই তথ্যটি সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী প্রকাশ করেছেন। এ সময় অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ মৌসুমে উপকূলীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় নৌ-মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত ‘স্থায়ী আদেশ’ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া, ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে যাত্রীবাহী লঞ্চ বহরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বড় আকারের লঞ্চ যুক্ত হওয়ায় দুর্ঘটনার হার অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে।
দুর্ঘটনা রোধে সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে:
১. নির্দিষ্ট সময়ের আগে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য রুট ডিক্লারেশন প্রদান।
২. নৌ-সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার এবং টার্মিনালে মেগাফোনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
৩. গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দরগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা।
৪. ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই হলে যাত্রা স্থগিত করা।
৫. ফিটনেসবিহীন ও আনরেজিস্টার্ড নৌযান চলাচল বন্ধে বিআইডব্লিউটিএ’র নিয়মিত অভিযান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত-ফ্রান্স সর্ম্পকের নতুন মোড়, মন্দির উদ্বোধনে আবেগে আপ্লুত মোদি
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ভারতীয় সংস্কৃতির একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। স্বামীনারায়ণ হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধন ফ্রান্সে সম্পন্ন হয়েছে।
ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, এই মন্দিরের উদ্বোধন ভারত ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘নতুন মাইলস্টোন’। মোদি উল্লেখ করেন, এটি ভারত ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্বোধনী ভাষণে মোদি বলেন, ‘প্যারিসের এই বিশাল মন্দির উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতির প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে। দুই দেশের বন্ধুত্ব এখন কেবল কূটনীতি বা কৌশলগত সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের নিকটবর্তী বুসি-সাঁ-জর্জ ও সেন-এট-মার্ন এলাকায় এই বিশাল মন্দির নির্মিত হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ ভারতীয় স্থাপত্যরীতিতে তৈরি, তবে এর নির্মাণে ভারত ও ফ্রান্সের যৌথ প্রচেষ্টা রয়েছে। মন্দিরের জন্য ব্যবহৃত পাথরের বড় অংশ ভারতে আনা হয়েছিল, যেখানে শিল্পীরা পাথরে সূক্ষ্ম কারুকাজ করেন।
পরে সেই পাথর ফ্রান্সে নিয়ে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মন্দিরের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এই মেলবন্ধনকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, এটি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া, বিল্ট ইন ফ্রান্স’-এর একটি সুন্দর উদাহরণ। অর্থাৎ, ভারতের শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ফরাসি প্রযুক্তি ও নির্মাণ দক্ষতার মেলবন্ধন ঘটেছে এই মন্দিরে।
মন্দিরটির গুরুত্ব শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয় বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে এমন একটি মন্দির ভারতীয় সংস্কৃতি, দর্শন ও জীবনধারার সঙ্গে স্থানীয় মানুষের পরিচয় আরও বাড়াবে।’
এছাড়া, দুই দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগও আরো গভীর হবে।
ভারতীয় দর্শনের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’— এই ভাবনাকে সামনে রেখে মন্দিরটি মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বার্তা ছড়াবে বলেও জানান মোদি। ফ্রান্সে ভারতীয় সংস্কৃতির একটি স্থায়ী নিদর্শন তৈরি হওয়াকে তাই শুধুমাত্র প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য নয়, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর আশা, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের আদলে নির্মিত এই মন্দির প্রবাসী হিন্দুদের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবেগের কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ