০৩:৩৪ পি.এম
রাজধানীর ভাটারায় একটি আবাসনে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। ইয়াবা সংরক্ষণ ও ব্যবসার অভিযোগে মা মালা বেগম (৬২) এবং ছেলে মামুন চোকদার (৩৬) গ্রেফতার হন। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য এক কোটি দুই লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজার সংলগ্ন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। বুধবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের দুই সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যাদের নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খান।
আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড
অভিযান চলাকালে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটটি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় পশ্চিম পাশের কক্ষে রাখা চালের ড্রামের ভেতর একটি কফি রঙের কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের মধ্যে কাগজ ও স্কচটেপে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।
ঘটনাস্থল থেকে মালা বেগম ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরেক নারীকে আসামি করা হলেও তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেফতার হওয়া দুজনের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার প্রকৃত মালিক সাহিদা বেগম ইতি। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা সরবরাহ করা হতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেফতার হওয়া দুজন এবং পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চালানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন