০৯:২৩ পি.এম
দেনাদারের বাড়ির সামনে ফেস্টুন ঝুলিয়ে অনশন করে পাওনা টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন আল আমিন নামের একজন পাওনাদার।
চার বছর ধরে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত না পেয়ে অভিনব প্রতিবাদ হিসেবে তিনি দেনাদারের বাড়ির সামনে ফেস্টুন ঝুলিয়ে প্রতীকী অনশনে বসেছেন।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকায় ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আল আমিন জানান, তিনি চার বছর ধরে পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দেনাদারের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং পাওনা টাকা ফেরতের দাবিতে তিনি এই প্রতীকী অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
প্রবাসে থাকার সময় তাঁর বিয়াই মিজানের মাধ্যমে জানতে পারেন, শাহরিয়ার পলাশ একটি দোকান বিক্রি করবেন। দোকানটি কেনার জন্য চার বছর আগে মিজানের মাধ্যমে শাহরিয়ার পলাশকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন তিনি।
টাকা দেওয়ার পর দোকানটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য পলাশকে বারবার তাগাদা দেন আল আমিন। কিন্তু পলাশ বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
একপর্যায়ে আল আমিন জানতে পারেন, যে দোকটি বিক্রির কথা বলা হয়েছিল, সেটির মালিকানা নিয়ে শরিকদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে এবং পলাশ এককভাবে দোকানটির মালিক নন।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার
এরপর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শাহরিয়ার পলাশ নানা কৌশলে তাঁকে ঘুরাতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন আল আমিন।
তিনি বলেন, ‘দেশে এসে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার এক পায়ে অপারেশন করে রড দেওয়া হয়েছে। পায়ুপথেও অপারেশন করা হয়েছে।
বর্তমানে আমি চরম অর্থকষ্টে রয়েছি। এমন অবস্থায় বারবার চেষ্টা করেও টাকা আদায় করতে না পেরে এ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।’
আরও পড়ুন: মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআইকে কারাগারে পাঠাল আদালত
এ বিষয়ে শাহরিয়ার পলাশ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শরিকদের কারণে আল আমিনদের কাছে দোকানটি বিক্রি করতে পারেননি। এমনকি অন্য কারো কাছেও দোকানটি বিক্রি করতে পারছেন না। দোকানটি অন্যত্র বিক্রি করতে পারলে পাওনাদারের টাকা ফেরত দেবেন বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন