০১:১৮ এম
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা। শোকাহত পরিবারগুলোর অপেক্ষার প্রহর ঘোচাতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। পরিচয়হীন মরদেহগুলোর নিখুঁত পরিচয় নিশ্চিতে কাজ শুরু করেছেন ডিএনএ বিশেষজ্ঞরা।
ইতিমধ্যে জৈবিক নমুনা বা বায়োলজিক্যাল স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য ১০ সদস্যের একটি মাঠপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল নেপালে পৌঁছেছে। সেখান থেকে উদ্ধারকৃত নমুনাগুলো পাঠানো হবে ভারতের গুজরাটে অবস্থিত ন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স ইউনিভার্সিটিতে (এনএফএসইউ)। এ কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এরই মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
গুজরাটের গান্ধীনগরে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও ওয়েট ল্যাব টেকনিশিয়ানদের সমন্বয়ে গঠিত ১৫ সদস্যের একটি কারিগরি দল সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নেপাল থেকে উদ্ধার হওয়া নিহতদের দাঁত ও হাড়ের ধ্বংসাবশেষ আসামাত্রই যেন কাজ শুরু করা যায়, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গবেষণাগারের বিশেষায়িত অবকাঠামো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নেপাল থেকে নমুনার প্রথম চালান পৌঁছানো মাত্রই এই দল দিনরাত ২৪ ঘণ্টা ডিএনএ মেলানোর কাজ চালিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এনএফএসইউ-এর ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন ডিএনএ ফরেনসিকস’ একসঙ্গে এক হাজারেরও বেশি নমুনা বিশ্লেষণের সক্ষমতা রাখে। শোকাহত পরিবারগুলো যেন দ্রুত তাদের স্বজনদের শনাক্ত করতে পারে, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবিলম্বে ডিএনএ প্রোফাইলিং শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে।
বড় ধরনের সংকটে এনএফএসইউ-এর অতীত অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগছে। এর আগে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত তারা সফলভাবে করেছিল। সেবার দ্রুততম সময়ে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করার যে অত্যাধুনিক প্রক্রিয়া তারা তৈরি করেছিল, নেপালের এই উদ্ধার অভিযানেও ঠিক একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
আরও পড়ুন: বর্জন ভেঙে কেন নির্বাচনে ভোট দিলাম: ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকের অভিজ্ঞতা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন