০৫:৪৮ পি.এম
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া বংশিরচর গয়টাপাড়া ও ইজলা মারি সীমান্তের মাধ্যমে ২ শিশুসহ ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এদের মধ্যে রয়েছে ৬ জন পুরুষ, ১ জন নারী এবং ২ জন শিশু।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৬টার দিকে ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের নিকটবর্তী গয়টাপাড়া বংশিরচর বটতলা সীমান্ত দিয়ে ২ শিশু, ১ জন নারী এবং ৩ জন যুবককে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। এসময় একই সঙ্গে ইজলামারী সীমান্ত দিয়েও আরও ৩ জন পুরুষকে বাংলাদেশে ঢুকানোর চেষ্টা করা হয়।
বিএসএফের দাবি, সীমান্তে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কাংশী গ্রামের বাসিন্দা। তবে, তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর ঘটনার কারণে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন: কোনো পরাশক্তির কাছে মাথা নত করবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এমপি খোকন
ঘটনার খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে চলে আসে। পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেন। পুশইনের ঘটনা প্রতিহত করার জন্য সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে টহল ও পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রৌমারী সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিজিবি এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে গয়টাপাড়া ও ইজলামারী সীমান্ত এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অপতৎপরতা ঠেকাতে বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা কোম্পানি পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের পর বিএসএফ ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানালে এখন পর্যন্ত অধিনায়ক পর্যায়ে কথাবার্তা চলছে। তবে, সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন: বরিশাল সদর উপজেলার কাউনিয়া থানার স্বনামধন্য ইনচার্জ সনজিত চন্দ্র নাথ সততার সহিত দীর্ঘদিন কাজ করে আসছেন আর কাজে কাউনিয়া থানার আশপাশের জনগণ খুব খুশি হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন