বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫০ পি.এম
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের অভয়ারণ্য এলাকায় খালে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীরা এক দিনের ব্যবধানে ১২ জন জেলেকে আটক করেছে। এ সময় একটি ট্রলার, ৫টি নৌকা এবং ৫ হাজার ফুট চরপাটা জাল জব্দ করা হয়েছে। আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের স্মার্ট টিমের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সুপতি স্টেশন এলাকার বাদামতলা খাল থেকে একটি ট্রলার ও জালসহ ৩ জন জেলেকে আটক করে। আটককৃত জেলেরা হলেন জামাল মৃধা, হিরু মৃধা ও দীপঙ্কর। তাদের বাড়ি বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত।
অপরদিকে, মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোকিল মনি খালের পূর্ব পাড়ে বনরক্ষীরা অভিযান চালিয়ে ৫টি নৌকাসহ ৯ জন জেলেকে আটক করে। এ সময় ৫ হাজার ফুট চরপাটা জালও জব্দ করা হয়। আটক জেলেদের মধ্যে রয়েছেন কামাল সরদার, সাহেব আলী সরদার, জাবের সরদার, মোজাম্মেল ছানা, খোকন ছানা, মহসিন সরদার, বিল্লাল সরদার ও আব্দুর রব। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অবস্থিত।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো: শরিফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে জানান, অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ শিকারের দায়ে ১২ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে একটি ট্রলার, ৫টি নৌকা এবং ৫ হাজার ফুট জাল। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পোষ্ট অফিসের কাজের ঠিকাদার ৫ই আগষ্ট, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ঠিকাদারের অনুপস্থিতির কারণে অদ্যাবধি অসম্পূর্ণ কাজটি বন্ধ রয়েছে। জীর্ণ পুরাতন পোষ্ট অফিস সংস্কার প্রকল্পের আওতায় নলডাঙ্গা পোষ্ট অফিসের সংস্কার কাজ গত দুই বছরে সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে অফিসের মূল রুমের দরজা ও জানালা নেই, ফলে ভবনের অভ্যন্তর খড়ি ও সাইকেল রাখার গ্যারেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অফিসের পাশের একটি ছোট রুমে ৮ থেকে ১০ জন ডাককর্মী ঠাসাঠাসি করে অফিসের কাজ চালাচ্ছেন। এ অবস্থায় ডাক বিভাগের কর্মীরা চরম দূর্ভোগে রয়েছেন। একই সাথে, জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট অফিসটির সরকারি, বেসরকারি ও সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট গ্রহণ ও বিতরণে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ভবনটির জীর্ণ অবস্থায় নিরাপত্তারও শঙ্কা রয়েছে।
সরেজমিনে নলডাঙ্গা পোষ্ট অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, অফিসের মূল প্রবেশদ্বারে দরজা ও জানালা নেই। অফিসের ভেতরে কাঠের জালানি কাঠ এবং কর্মীদের মোটর সাইকেল রাখা হয়েছে। অফিসের সংলগ্ন ১০ বাই ১০ সাইজের ছোট রুমে ৪টি টেবিল পেতে ৮ জন ডাককর্মী কাজ করছেন। এর পাশের ৬ ফুটের ছোট রুমে উপজেলা পোষ্ট মাস্টার তার দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করছেন। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা পোষ্ট মাস্টার হাফিজুর রহমান জানান, তিনি গত এক বছর ধরে এখানে কর্মরত। কালীগঞ্জের প্রধান ডাকঘর অফিসের এই বেহাল অবস্থার কথা তিনি যোগদানের আগে থেকেই জানতেন। ভবনটি জীর্ণ হয়ে পড়ায় ২০২৩ সালে সংস্কারের জন্য টেন্ডার করা হয়েছিল, এবং তখন ঝিনাইদহের এক ঠিকাদার কাজটি শুরু করেছিলেন।
পোষ্ট মাস্টার জানান, তিনি শুনেছেন যে ৫ই আগষ্টের পর থেকে ভবনের সংস্কার কাজটি বন্ধ হয়ে গেছে এবং ঠিকাদার এখানে আসেননি। ঠিকাদার বা প্রতিষ্ঠানের নাম সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। অপরদিকে, অফিসের এক ডাককর্মী জানান, ঠিকাদার ছিলেন একজন আওয়ামী সরকারের আশির্বাদপুষ্ট ব্যক্তি, যার কারণে ৫ই আগষ্টের পর কাজ বন্ধ রেখে তিনি পালিয়ে গেছেন।
ঝিনাইদহ প্রধান ডাকঘর অফিসের পোষ্ট মাস্টার রিয়াজুল হক জানান, তিনি কয়েক মাস আগে এ অফিসে যোগদান করেছেন। কালীগঞ্জ প্রধান পোষ্ট অফিসের সংস্কার কাজ কেন বন্ধ রয়েছে বা ঠিকাদার কে ছিলেন, সে সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে পারছেন না। তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে কালীগঞ্জ পোষ্ট অফিসের মতো অনেক উপজেলার পোষ্ট অফিসের সংস্কার কাজও বন্ধ রয়েছে। জীর্ণ পুরাতন পোষ্ট অফিস সংস্কার প্রকল্পের সাব-ইঞ্জিনিয়ার তাইবুর রহমান বলেন, তিন মাস আগে তিনি কালীগঞ্জ প্রধান পোষ্ট অফিস ভবনটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালে ভবন সংস্কারের টেন্ডার হয়েছিল, তবে কাজের ব্যয় বরাদ্দ বা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম জানাতে পারেননি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ঠিকাদার পালিয়েছে বা কাজ বন্ধের বিষয়টি প্রথমবারের মতো তার কাছে এসেছে। পোষ্ট অফিসের কর্মকর্তারা কখনো সমস্যাটি তার কাছে নিয়ে আসেননি। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে একের পর এক ড্রাগন ফলের বাগানে হাজার হাজার বৈদ্যুতিক এলইডি বাতি জ্বলে ওঠে। রাতভর এই বাতিগুলি জালিয়ে রাখার কাজ করছেন ড্রাগন ফলচাষিরা।
ড্রাগন ক্ষেতের মালিকদের বিশ্বাস, দীর্ঘ সময় আলো প্রদান করলে ফলন দ্রুত এবং বেশি হয়। তবে, বাগানে ব্যাপকভাবে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারের ফলে বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে। ড্রাগন মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল, এবং এই সময়ে উৎপাদন হওয়া ফলনের তুলনায় লাইটিং পদ্ধতিতে বেশি ফলন পাওয়া যায়। এর ফলে ড্রাগন ফল চাষীরা অধিক ফলনের পাশাপাশি ভালো বাজার মূল্যও পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানসমূহ সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া, সকল প্রকার আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে বন্ধ করতে এবং সকল প্রকার আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষীদের লাইটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচে ড্রাগন চাষ করতে দেখা যাচ্ছে। যদিও ড্রাগন দেশের প্রধান অর্থকারী ফসল নয়, তবুও চাষীরা নিজেদের অধিক মুনাফার জন্য লাইটিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহারের এই সময়ে ড্রাগন চাষীদের বৈদ্যুতিক আলোয় চাষাবাদ করার বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কালীগঞ্জ উপঝেলার কৃষি অফিস জানায়, কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ১ হাজার ৭৯১ জন কৃষক ৪৪৭ হেক্টর জমিতে বর্তমানে ড্রাগন ফল চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫১ জন ড্রাগন ফলচাষি তাদের বাগানে অধিক ফলন পেতে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবহার করছেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ড্রাগন বাগানে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে অসংখ্য বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে রাখা হচ্ছে। ফলে রাতের সময় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে বলে সচেতন মহলের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ড্রাগন বাগানগুলোতে রাতভর বিপুল সংখ্যক বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানোর ফলে এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং দেখা দিচ্ছে। দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাঘাত ঘটছে।
কালীগঞ্জ শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা রহমত আলী অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে রাতে শিশু, বয়স্ক এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। এদিকে, ড্রাগন চাষে রাতের বেলায় বৈদ্যুতিক আলো ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা, বিদ্যুৎ ব্যবহারের বৈধতা এবং এর কারণে স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রকৃত প্রভাব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বালিয়াডাঙ্গা, আজমতনগর, শিবনগর, চাচড়া সহ বিভিন্ন গ্রামের মাঠে অনেক ড্রাগন চাষী রাতভর তাদের বাগানে আলো জালিয়ে রাখছেন।
সাধারণ মানুষের দাবি, যেসব ড্রাগন বাগানে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অবৈধ বা অরিয়মিত সংযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাগানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। চাচাড়া গ্রামের ড্রাগন চাষি খলিলুর রহমান বলেন, ড্রাগন গরম কালের ফল হলেও লাইটিং পদ্ধতিতে চাষ হওয়ায় শীত মৌসুমে এ ফলটি পাওয়া যায়, এবং বাজার মূল্যও ভালো পাওয়া যায়। যার কারণে কৃষকরা শীত আসার আগেই এ পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ শুরু করেছেন। আমাদের এলাকার অনেকেই এখন লাইটিং পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করছে। আমিও আমার এক বিঘা জমিতে লাইটিং করেছি শীতকালে চাষ করবো বলে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান মিয়া বলেন, ড্রাগন চাষীদের লাইটিং পদ্ধতিতে চাষের ব্যাপারে কৃষি অফিস থেকে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয় না। যেসব চাষিরা এই পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করছেন, তারা প্রত্যেকেই নিজেদের সিদ্ধান্তে করছেন।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর কালীগঞ্জ উপজেলার আবাসিক প্রকৌশলী জয়দ্বীপ সরকার বলেন, সরকারি ভাবে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহারের তালিকায় কৃষি খাতের বিষয়টি উল্লেখ নেই। তবে, ড্রাগন বাগানে রাতভর বৈদ্যুতিক আলো জ্বলার বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ড্রাগন বাগানে রাতভর এলইডি লাইট জ্বালিয়ে রাখার কারণে বিদ্যুতের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারটি খোঁজখবর নিয়ে দেখব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসংযোগ কর্মসূচিতে হামলা ও বাধার অভিযোগে প্রতিবাদ সভা এবং বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের লাঙ্গলবাঁধ বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে জামায়াত। তারা জানায়, ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা হামলা চালায়, যার ফলে জামায়াতের আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং চার-পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে (আজ) বৃহস্পতিবার দুপুরে শৈলকুপা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীরা। মিছিল শেষে শহরের চৌরাস্তা মোড়ে শৈলকূপা উপজেলা জামাতের আমির অধ্যাপক এ এস এম মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সুরাহ কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা রবিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামাতের সেক্রেটারি মোয়াজ্জেম হোসেন এবং উপজেলা জামাতের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলকারনাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বুধবারের হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, গণসংযোগ কর্মসূচিতে হামলা চালানো ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা ও হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলামকে মহেশপুর থানার পুলিশ আটক করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মহেশপুর শহরের একটি সেলুনের দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমান জানিয়েছেন, বিএনপির হুদা শ্রীপুর কার্যালয় ভাংচুরের অভিযোগে সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ