ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কি স্বাভাবিক? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা


ঘুমের মধ্যে কথা বলা কি স্বাভাবিক? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কেন ঘটে তা অনেক মানুষের পরিচিত অভিজ্ঞতা। কিছু মানুষ বিড়বিড় করেন, আবার কেউ স্পষ্ট বাক্য বলেন এবং অনেক সময়ে হাসিও করে। অনেকের মধ্যে ধারণা আছে যে, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলো মনের গভীরে লুকানো গোপন সত্য অথবা অব্যক্ত ইচ্ছার প্রকাশ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবতা ভিন্ন।

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কোনো ধরনের রোগ নয়, বরং এটি মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক আচরণ। যদিও এটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, কিন্তু যেকোনো বয়সের মানুষ ঘুমের মধ্যে কথা বলতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের মধ্যে কথা বলাকে 'সোমনিলোকুই' বলা হয়। এটি ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটে। মাঝে মাঝে পুরো বাক্য, কখনও অস্পষ্ট শব্দ এবং কখনও হাসি বা চিৎকারের মতো শব্দ শোনা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের কোনো না কোনো সময়ে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ঘুমের মধ্যে কথা বলেন এবং শিশুদের মধ্যে এই হার আরো বেশি, প্রায় অর্ধেক শিশু ঘুমের মধ্যে কথা বলে।

আমেরিকান ঘুমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ জেনিফার মার্টিনের মতে, বেশিরভাগ শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সেও এটি ফিরে আসতে পারে।

অনেকে বিশ্বাস করেন, ঘুমের মধ্যে কথা বললে মনের গোপন কথাগুলো বেরিয়ে আসে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

বিজ্ঞানী গবেষকদের মতে, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলোর বেশিরভাগই অসংলগ্ন এবং এর সাথে বাস্তব জীবনের গোপন সত্যের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই।

আরও পড়ুন: ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

একটি গবেষণায় জানা গেছে, ঘুমের মধ্যে বলা প্রায় অর্ধেক কথাই স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না এবং গবেষণায় রেকর্ড করা কথাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ হলো 'না'।

শিশুদের মধ্যে ঘুমের মধ্যে কথা বলার প্রবণতা বেশি কেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মস্তিষ্ক তখনও বিকাশের পর্যায়ে থাকে এবং ঘুমের বিভিন্ন ধাপ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াও তখন সম্পূর্ণ পরিণত হয় না। এর জন্য শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এর কারণ কী? গবেষণা অনুযায়ী, ঘুমের মধ্যে কথা বলার পেছনে বংশগত কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় একই পরিবারের একজনের মধ্যে এই অভ্যাস দেখা যায়।

এছাড়া কিছু ঘুমজনিত সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে, বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ব্যক্তির ঘুমের ব্যাঘাত অথবা অন্যান্য ঘুমসংক্রান্ত সমস্যার কারণে এ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন: প্রেম খুঁজতে ফিনল্যান্ডে বিনা খরচে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন কারা?

গবেষকরা জানান, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলো কখনও কখনও স্মৃতির অংশ হতে পারে, যা ঘুমানোর সময় মস্তিষ্ক প্রক্রিয়াকরণ করে।

অর্থাৎ, ঘুমের মধ্যে উচ্চারিত শব্দ বা বাক্য সব সময় সচেতন চিন্তা অথবা ইচ্ছার প্রতিফলন নয়। এটি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ।

এটা কি উদ্বেগের কারণ? বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে কথা বলা ক্ষতিকর নয় এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু একই বিছানায় বা পাশের মানুষের জন্য এটি কিছুটা বিরক্তিকর হতে পারে।

জেনিফার মার্টিনের পরামর্শ হলো, কেউ ঘুমের মধ্যে কথা বলতে শুরু করলে তাকে আলতোভাবে স্পর্শ বা হালকা ধাক্কা দিলে অনেক সময় তা বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: ইলন মাস্কের সাফল্য নিয়ে ৮টি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি

তাহলে ঘুমের মধ্যে কথা বললে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটা সাধারণত মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক আচরণ, যা সাধারণত গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দেয় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুস্থ থাকতে কোন শাক কতটা উপকারী? জেনে নিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ এম


সুস্থ থাকতে কোন শাক কতটা উপকারী? জেনে নিন

কোন শাক কেন খাবেন, জানুন মহৌষধি গুণ। ছবি: সংগৃহীত। বাঙালির খাবারের পাত থেকে শাক যেন হারিয়ে যাওয়ার নয়। ভাতের সঙ্গে এক মুঠো শাক শুধু স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের জন্যও বয়ে আনে নানা উপকার। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন শাক এখনো স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

লালশাক, পুঁইশাক, কলমিশাক, কচুশাক কিংবা পালংশাক—প্রতিটি শাকের রয়েছে আলাদা পুষ্টিগুণ। কারও মধ্যে রয়েছে রক্ত বাড়ানোর উপাদান, কেউ আবার হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। জেনে নেওয়া যাক কোন শাকে কী উপকার।

পুঁই শাক: হজমে সহায়ক।

পুঁই শাকের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পানি ও আঁশ। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ও প্রোটিন রয়েছে। শাকভাজা, চচ্চড়ি বা সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।

হেলেঞ্চা শাক: শরীর পরিষ্কারে উপকারী।

হেলেঞ্চা শাক রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করতে এবং যকৃতের সুস্থতায় সহায়ক বলে পরিচিত। এটি বদহজম, বুকজ্বালা, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা সমস্যায় উপকারী হতে পারে। ভাজি বা বড়া করে খাওয়া যায় এই শাক।

সরিষা শাকে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা সালফার শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতে এবং যকৃত ভালো রাখতে সহায়তা করে।

কচু শাক: রক্ত ও চোখের জন্য ভালো।

কচুশাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ভিটামিন এ ও ক্যালশিয়াম। এটি রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে উপকারী। নারকেল, ছোলা বা মাছের মাথা দিয়ে রান্না করা যায় এই শাক।

কলমি শাক: সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

কলমি শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালশিয়ামসহ নানা পুষ্টি উপাদান। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, হজমে সাহায্য করতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

লাল শাক: আয়রনের ভাণ্ডার।

লাল শাকে প্রচুর আয়রন, ফলেট, ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন এ ও সি রয়েছে। রক্তস্বল্পতা দুর করতে এটি উপকারী। ভাজি বা ডালের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।

মেথি শাক: ডায়াবেটিসে উপকারী।

মেথি শাকে রয়েছে আঁশ, আয়রন, ক্যালশিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে অনেকের কাছে জনপ্রিয়। অল্প তেলে রান্না করে খাওয়া ভালো।

পালং শাক: শরীরের শক্তি বাড়ায়।

পালং শাকে রয়েছে আয়রন, ফলেট, ভিটামিন এ ও সি। বিশেষ করে রক্তস্বল্পতায় ভোগা মানুষের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।

ঢেঁকি শাক: হৃদযন্ত্র ও চোখের যত্নে।

ঢেঁকি শাকে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন এ ও সি। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

মুলা শাক: রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

মুলা শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

কুমড়ো শাক: ত্বক ও চোখের জন্য ভালো।

কুমড়ো শাকে থাকা ভিটামিন এ ও সি চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁত শক্ত রাখে।

লাউ শাক: হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক।

লাউ শাকে রয়েছে ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় থাকলে এটি হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী হতে পারে।

পাট শাক: হজমে সাহায্য করে।

পাট শাকে রয়েছে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন সি ও আয়রন। এটি হজমশক্তি বাড়াতে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

শাক শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে যেকোনো খাবারের মতোই পরিমাণ বুঝে এবং পরিষ্কারভাবে রান্না করে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। নিয়মিত খাবারের তালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাক রাখলে শরীর পেতে পারে নানা প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তমালের নাম উচ্চারণ করতেই আলোচনায় প্রভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ এম


তমালের নাম উচ্চারণ করতেই আলোচনায় প্রভা

ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা বুধবার (১৭ জুন) বলেন, কিছু সংবাদমাধ্যম কোনো কিছু না বুঝেই তাকে নিয়ে খবর উপস্থাপন করেছে। তিনি নিজেকে নিয়ে কোনো কিছু বলেননি। মূলত তৌফিক আহমেদ তমাল নামে একজন মাউন্টেনারের বিরুদ্ধে তার বক্তব্য ছিল।

ভিডিওতে প্রভা বলেন, খোদা আমাকে ধৈর্য দাও। জার্নালিস্ট আর কিছু লোক- তাদের আসলে প্রথমে ভেরিগুড লিসেনার হওয়া উচিত।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন- কোথায় পড়াশোনা করেছেন। আপনাদের স্কুল-কলেজের নাম বলেন তো একটু। আদৌ পড়াশোনা করেছিলেন। আমি একটা লোকের ব্যাপারে কথা বলছিলাম- তার নাম হচ্ছে তৌফিক আহমেদ তমাল। তমাল একজন মাউন্টেনার- মানে এই যে ট্র্যাক করে করে হেঁটে হেঁটে অনেক উপরে যায় না- এ রকম অনেক মানুষের হবি থাকে। নেপালে অন্নপূর্ণা নামে পর্বতে যান; আবার অনেকে এভারেস্ট পর্যন্ত হেঁটে হেঁটে যান। এদেরকে বলে মাউন্টেনার। এই লোকটা ট্যুরের আয়োজনও করে। তো এই লোকের নাম হচ্ছে তৌফিক আহমেদ তমাল। যাকে নিয়ে আমার মূল কথাটা ছিল।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক শুনে রাখেন- আপনাদের বলছি হ্যাঁ; জার্নালিস্টরা আমি আসলে তৌফিক আহমেদ তমালকে নিয়ে বলছি। আমি জানি এটা নিয়ে আপনারা লিখলে আপনাদের ভিউ হবে না। তাই আপনারা এটা নিয়ে লেখেন না। কিন্তু এটা একটা লজ্জার বিষয়। ওই তৌফিক আহমেদ তমাল কাঠমান্ডুতে গিয়ে বিভিন্নদেশী (মালয়েশিয়ান) একটা মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারণ করেছে। এটা বেআইনি। এটা সমগ্র বিশ্বে বেআইনি; শুধু বাংলাদেশ নয়- এমন কোনো দেশ নাই কারো অনুমতি ছাড়া তার প্রাইভেসি নষ্ট করতে হয়। আপনারা যারা যারা জানেন না আমি কেন এই পোস্টটা করেছি- আমি আমাকে রিলেট করে কিছু বলি নাই। আমি বলেছি যে ক্রাইম করে সেই ক্রিমিনালকে ধরলে এই তমালদের নতুন করে জন্ম হতো না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবারির জাদুতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর দারুণ জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


সাইবারির জাদুতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর দারুণ জয়

ইসমায়েল সাইবারির একমাত্র গোলের মাধ্যমে স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করেছে মরক্কো, যাকে চলমান বিশ্বকাপে 'ডার্স হর্স' তকমা দেওয়া হয়েছে।

ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী শনিবার ভোরে ১-০ গোলে মরক্কো জয়ী হয়ে বর্তমানে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে।

ম্যাচ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাঁশি বাজার পরপরই গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে ফাঁকি দিয়ে জোরাল শটে জালে বল পাঠান সাইবারি। মাত্র ৭১ সেকেন্ডের মধ্যে পিএসভি এইন্দহোফেনের এই ফরোয়ার্ড গোলটি করেন। বিশ্বকাপের এবারের আসরে এটি তার দ্বিতীয় গোল, কারণ এর আগে গত সপ্তাহে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচেও তিনি লক্ষ্যভেদ করেছিলেন।

গোল হজমের পর স্কটল্যান্ড ম্যাচে ফেরার চেষ্টা শুরু করে। বিশেষ করে ম্যাচের শেষের দিকে তারা আক্রমণের চাপ বৃদ্ধি করে। এক পর্যায়ে তারা দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায়। কিন্তু রেফারি কোনোটিই গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

সর্বশেষ, স্কটল্যান্ড সমতায় ফিরতে সক্ষম হয়নি। ফলে তিন পয়েন্ট নিয়ে মরক্কো স্কটল্যান্ডকে টপকে গ্রুপ সিতে শীর্ষে উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাদশে দুই পরিবর্তন, জয়ের লক্ষ্যে মাঠে ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


একাদশে দুই পরিবর্তন, জয়ের লক্ষ্যে মাঠে ব্রাজিল

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি। এই ম্যাচটি দুই দলের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, কারণ নকআউট পর্বের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হবে।

গত সপ্তাহে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি ব্রাজিল। মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয় সেলেসাওদের।

ফলে এক পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে গ্রুপের শীর্ষ দুই দলের বাইরে অবস্থান করছে ব্রাজিল। হাইতির বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই।

অন্যদিকে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বসেছিল হাইতি, তাই পয়েন্টশূন্য অবস্থায় থাকা দলটির জন্যও এ ম্যাচটি বাঁচা-মরার লড়াই।

ব্রাজিলের বিপক্ষে হারলে নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে যাবে হাইতির।

কাগজে-কলমে ব্রাজিল স্পষ্ট ফেভারিট হলেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। এবারের বিশ্বকাপে ছোট দলগুলো বড় দলকে চমকে দেওয়ার নজির তৈরি করছে।

এ কারণে হাইতির বিপক্ষে সতর্ক থেকেই মাঠে নেমেছে ব্রাজিল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম জয়ের পাশাপাশি গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান শক্ত করার লক্ষ্য থাকবে সেলেসাওদের। অন্যদিকে, ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা হাইতি চাইবে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় অঘটন ঘটাতে।

সব মিলিয়ে ‘সি’ গ্রুপে নকআউট পর্বের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে ব্রাজিল ও হাইতির মধ্যকার এই ম্যাচ।

ব্রাজিলের একাদশ : আলিসন (গোলরক্ষক), দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, দগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারাইস ও লুকাস পাকেতা, রাফিনিয়া, মাতেউস কুনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%