০৭:২২ পি.এম
নাটোরের সিংড়া উপজেলায়, বাড়ির সীমানায় টয়লেটের গর্ত খোঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই ছেলের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় মারিয়া বেগম, যিনি শরিফা নামে পরিচিত (৭৫), তার ছেলে জনাব আলীর (৫৫) বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর, মরদেহ প্রথমে গর্তে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে, দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে, বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বুধবার দুপুরে সিংড়া থানায় আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক এই তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিংড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর মোহাম্মদ আলী এবং সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পুলিশ জানায়, উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে গত ২৩ মে টয়লেটের গর্ত খোঁড়াকে কেন্দ্র করে বড় ছেলে শহিদুল ইসলাম এবং মেজ ছেলে জনাব আলীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এসময় মা মারিয়া বেগম বড় ছেলে শহিদুল ইসলামের পক্ষ নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জনাব আলী।
আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন
অভিযোগ উঠেছে যে, ২৫ মে রাত ৯টার দিকে জনাব আলী তার মাকে গলা টিপে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ টয়লেটের গর্তে ফেলে স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। প্রায় ১০ দিন পর, দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে, ৪ জুন গভীর রাতে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের কচুরিপানায় ভরা ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় জনাব আলীর ছেলে আল আমিন (২৫) সহযোগিতা করেন বলে পুলিশের দাবি।
নিখোঁজের ১৫ দিন পর, গত ৯ জুন বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে, নিহতের চার ছেলে এবং স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হয়।
সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি করলেন বাবা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন