ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাটোরে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম সম্পন্ন


নাটোরে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম সম্পন্ন

নাটোর, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নাটোরে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে জেলায় ৭ হাজার ৯৫৩ জন নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

নতুন তালিকা অনুযায়ী নাটোর জেলার মোট ভোটারের সংখ্যা এখন ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৯৬১ জন। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৯০ জন, পুরুষ ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৭ জন।

জেলার ৭টি উপজেলার ৫২টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩১১ জন এবং ৮টি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১২ হাজার ৯১৪ জন।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নাটোরে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৫০৪ জন, পুরুষ ৭ লাখ ৭০ হাজার ৬৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৭ জন।

জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাহমুদ হাসান বাসস’কে জানিয়েছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেলার মোট ৬০২টি ভোট কেন্দ্র পুনঃবিন্যাস করা হলেও ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী হেলাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করার জন্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারের একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের অন্ধকার দূর করা।

 

গতকাল বুধবার রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, গোলাগুলি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, বিজিবি বা আর্মি পাঠিয়ে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা একটি সাস্টেইনেবল (টেকসই) সমাধান নয়। তিনি বলেন, যদি মানুষের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান এবং উন্নত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি ও সহিংসতা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো স্থায়ী পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়।

 

সরকার একটি আইনি, সামাজিক, শিক্ষাগত এবং অর্থনৈতিক হোলিস্টিক অ্যাপ্রোচ (সমগ্রতাবাদী পদ্ধতি) নিয়ে এগোচ্ছে।

দুর্গম এলাকায় আলো ছড়াতে ই-লার্নিং ও কোয়ালিটি এডুকেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিক্ষায় সমতা আনলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে বৈষম্য দূর হবে এবং পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষক যেন পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়, তার সুব্যবস্থা করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, স্বাবলম্বী ও সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত কোনো মানুষ সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কাজে জড়িত হতে চায় না।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূলনীতি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠনমূলক সমালোচনার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন, যা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য।

 

জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক। সমাজ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থী সব কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য অঞ্চলকে মাদকমুক্ত ও শান্তিময় হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙামাটি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই মাস আগে পদত্যাগ করা কোচকেই আবার দায়িত্ব দিল ঘানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


দুই মাস আগে পদত্যাগ করা কোচকেই আবার দায়িত্ব দিল ঘানা

কার্লোস কুইরোজ ঘানার কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণে। দুই মাস আগে পদত্যাগের পর, ঘানা আবারো তাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

 

ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (জিএফএ) আনুষ্ঠানিকভাবে কুইরোজকে নতুন মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘কার্লোস কুইরোজের সঙ্গে আবার চুক্তি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

তবে কুইরোজের সঙ্গে কত বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কুইরোজের নতুন অধ্যায় শুরু হবে ২০২৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বাছাই পর্বের মাধ্যমে।

 

২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তার প্রথম প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট। এর আগে, বিদায়ী বার্তায় ৭৩ বছর বয়সী কোচ কুইরোজ লিখেছিলেন, ‘ঘানার উদ্দেশ্যে বলতে চাই—জীবন আর ফুটবল আমাদের চিরন্তন এক শিক্ষাই দেয়; এখানে হয় আপনি জিতবেন, না হয় কিছু শিখবেন। গর্ব নিয়েই এই সফর শেষ করছি, তবে মনে সেই অতৃপ্তিটুকুও রয়ে গেছে যা মানুষকে আরো বড় কিছুর দিকে তাগিদ দেয়। একটি উচ্চতায় পৌঁছানোই কখনো শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত নয়, বরং তা হওয়া উচিত আরো বড় কোনো স্বপ্নের শুরু।’

 

’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেউতা অভিবাসী সংকট : স্পেনজুড়ে বিক্ষোভ, চাপে সানচেজ সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


সেউতা অভিবাসী সংকট : স্পেনজুড়ে বিক্ষোভ, চাপে সানচেজ সরকার

স্পেনের বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সেউতায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশের ঘটনায় সরকারের ভূমিকার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।

বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করেছে যে, সানচেজ সরকার সেউতার বাসিন্দাদের সংকটের মধ্যে ফেলে রেখেছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো অভিবাসী সংকটকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো থেকে অন্তত ৭২ হাজার অভিবাসী সেউতায় প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগকেই পরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

এখনো প্রায় ৫ হাজার মানুষ অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন। অনেকে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও সমুদ্রসৈকতে অবস্থান করছে। এই পরিস্থিতিতে সেউতায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে এটি সানচেজ সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ করছেন। তাদের দাবি, সেউতায় প্রবেশ করা অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। পাশাপাশি স্পেনের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের পুনর্বণ্টনের দাবিও উঠেছে। বুধবার স্পেনের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। এসব শহরের অনেকটিতে বিরোধী রক্ষণশীল দল পিপি এবং কট্টর ডানপন্থী ভক্স পার্টি সরকার পরিচালনা করছে অথবা দল দুটির উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন রয়েছে।

 

রাজধানী মাদ্রিদেও বড় একটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, সেখানে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভে পিপির নেতা আলবের্তো নুনিয়েস ফেইহো অংশ নেন। ফেইহো অভিযোগ করেন, সেউতাকে কার্যত দখল ও অবরুদ্ধ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে এবং স্পেন সরকার বিষয়টি আগে থেকেই জানত। ভক্স পার্টির নেতা সান্তিয়াগো আবাসকালও সানচেজ সরকারের সমালোচনা করেন। তার অভিযোগ, সানচেজ মরক্কো সরকারের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছেন। সেউতায়ও বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ‘সেউতা বিক্রির জন্য নয়, সেউতাকে রক্ষা করতে হবে’—এমন স্লোগান দেন।

সেউতার ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষক ডেভিড হার্নান্দেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, সরকারের প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট ছিল না এবং তা অনেক দেরিতে এসেছে। তার মতে, সরকার পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি। তিনি বলেন, সেউতার বাসিন্দারা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক নন এবং তাদের সীমান্তের বিষয়টি উপেক্ষা করা যাবে না। বিপুলসংখ্যক অভিবাসী সীমান্ত পার হওয়ার ঘটনায় মরক্কোর সীমান্তরক্ষীদের ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার পুলিশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সময় মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী ‘সম্পূর্ণ উদাসীনতা’ দেখিয়েছিল। স্পেনের সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর সানচেজ সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরো বেড়েছে।

জাতীয় পুলিশ বাহিনীর জাতীয় অভিবাসন ও সীমান্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে স্পেনের জাতীয় আদালতে ওই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেউতার সীমান্তের কাছে মরক্কোর পুলিশের উপস্থিতি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় স্পষ্টভাবে কম ছিল। সীমান্ত পার হওয়া অভিবাসীদের বক্তব্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের অনেকেই বলেছেন, সীমান্ত পার হওয়ার সময় মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী কার্যকর কোনো বাধা দেয়নি এবং তাদের আচরণ ছিল নিষ্ক্রিয়। তবে পুলিশের প্রতিবেদনে সরাসরি বলা হয়নি যে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে সেউতায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার পেছনে মরক্কো সরকার বা দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীই ছিল।

এর কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জোর দিয়ে বলেছিলেন, সেউতায় অভিবাসীদের প্রবেশের ঘটনায় মরক্কোকে দায়ী করা ঠিক হবে না। সানচেজের মতে, মানবপাচারকারী চক্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ সীমান্ত পার হওয়ার জন্য উৎসাহিত হয়েছেন। তবে মরক্কোও এ ঘটনায় নিজেদের কোনো ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছে। দেশটির দাবি, এত বিপুলসংখ্যক মানুষের সীমান্ত পার হওয়ার ঘটনা তারা আয়োজন করেনি এবং এর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সেউতায় অভিবাসীদের ঢলের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমান্ত পার হওয়া নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্পেনের তথ্য যাচাইকারী ওয়েবসাইট মালদিতা।

ওয়েবসাইটটির তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই বিপুলসংখ্যক অভিবাসী সেউতায় প্রবেশের ঘটনা শুরুর আগেই মরক্কোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। এসব বার্তায় মরক্কো ও সেউতার মধ্যকার সীমান্তের বেড়াকে নিরাপদ এবং সহজে পার হওয়া সম্ভব বলে দেখানো হয়েছিল। জুনে স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পর এসব বার্তা আরও ছড়িয়ে পড়ে বলে জানানো হয়েছে। সেউতার মেয়রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের বেড়া এড়িয়ে সাঁতরে সেউতায় যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ১০০ জন মারা গেছেন। এদিকে সেউতা ও পাশের আরেক স্প্যানিশ স্বায়ত্তশাসিত শহর মেলিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে মরক্কো।

এই দুই শহরকে ঘিরে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক টানাপড়েন বিদ্যমান। ফলে সেউতায় সাম্প্রতিক অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে সেউতায় কয়েক হাজার অভিবাসী অবস্থান করছেন। তাদের একটি অংশ অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে থাকলেও অনেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে আছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে একদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের চাপ, অন্যদিকে বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়েছে সানচেজ সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার
‎
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের আকশুকনা গ্রামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুকান্ত ঘোষ (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অপর এক আসামি পলাতক রয়েছে।
‎
‎বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে আকশুকনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে জানা গেছে। ভুক্তভোগী ১৪ বছর বয়সী ওই ছাত্রী  নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
‎
‎পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে দোকানে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত সুকান্ত ঘোষের বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে নিয়ে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। পরে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে সুকান্ত ঘোষ ধ'র্ষণ করে ও তার এক সহযোগী ধ'র্ষণ কাজে সহযোগিতা করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
‎
‎এদিকে দীর্ঘ সময় মেয়েটি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে সুকান্ত ঘোষের ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ডাকাডাকি করলে দরজা খোলা হয়। এ সময় ওই ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে সুকান্ত ঘোষ ও তার সহযোগীকে পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা জানান। পরে স্থানীয়রা সুকান্ত ঘোষকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনা স্থানে পৌছানোর আগেই ধ'র্ষণ কাজে সহযোগি বন্ধু পালিয়ে যায়।
‎তবে ঘটনার সময় সুকান্ত বিশ্বাস এর বাড়ির অন্য সদস্যরা বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গেছে।
‎
‎বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব তালুকদার জানান, খবর পেয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাঞ্চন মিয়াকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে অভিযুক্ত সুকান্ত ঘোষকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়।
‎
‎এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়ের বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ৭/৯(১)/৩০ ধারা ধারায় বালিয়াকান্দি থানায় মামলা করেছেন। মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সুকান্ত ঘোষ আকশুকনা গ্রামের নিশিকান্ত ঘোষের ছেলে।
‎
‎পুলিশ জানায়, মামলার দ্বিতীয় আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাকে ঘটনার সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎
‎পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%