ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানের পর্বতমালায় তুষারধস: প্রখ্যাত নেপালি পর্বতারোহীসহ ১০ জনের খোঁজ নেই


পাকিস্তানের পর্বতমালায় তুষারধস: প্রখ্যাত নেপালি পর্বতারোহীসহ ১০ জনের খোঁজ নেই

পাকিস্তানের কারাকোরাম পর্বতমালায় বিশ্বের ১২তম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ‘ব্রড পিক’-এ একটি ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ ঘটনায় নিখোঁজ হয়ে গেছেন বিশ্বরেকর্ডধারী প্রখ্যাত নেপালি পর্বতারোহী নির্মল পূর্জা। তিনি যে দলে ছিলেন, সেই দলের ১০ সদস্যের পুরো দলটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অ্যালপাইন ক্লাব অব পাকিস্তান (এসিপি) বৃহস্পতিবার রাতে এই উদ্বেগজনক খবরটি সবাইকে জানিয়েছে। এসিপি থেকে জানানো হয়েছে, ৮,০৪৭ মিটার উচ্চতার ওই পর্বতের চূড়ায় আরোহণের সময় দলের সদস্যরা হঠাৎ করেই তুষারধসের কবলে পড়েন। নিখোঁজ দশজনের দলে রয়েছে নেপালের পাঁচজন এবং পাকিস্তান, ওমান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একজন করে আরোহী। এছাড়া, অপর এক বিদেশি আরোহীর জাতীয়তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এই ঘটনার পর থেকে পুরো দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তবে আবহাওয়া ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে দ্রুততম সময়ে হেলিকপ্টার ও প্রয়োজনীয় সব মাধ্যমে উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের স্থান নেই: বিএনপির এমপি শাহজাহান

৪৩ বছর বয়সী নির্মল পূর্জা পর্বতারোহণের জগতে ‘নিমস দাই’ নামে পরিচিত ও পরিচিত। তিনি ২০১৮ সালে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী থেকে অবসর নিয়ে পেশাদার পর্বতারোহী ও গাইড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর থেকে তিনি একের পর এক রেকর্ড ভাঙতে থাকেন। ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে মাত্র ৬ মাস ৬ দিনে আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার ১৪টি শৃঙ্গ জয় করে নতুন এক রেকর্ড গড়েন। ২০২১ সালে তিনি নয়জন নেপালি আরোহী নিয়ে শীতকালে প্রথম কে-টু (K2) জয়ের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে সংঘর্ষ ও কারফিউর মধ্যে শান্তির বার্তা প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


নেপালে সংঘর্ষ ও কারফিউর মধ্যে শান্তির বার্তা প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনায় অন্তত তিনজনের মৃত্যুর পর দেশবাসীকে শান্ত থাকার জন্য জোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ। গত মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শাহ দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন থেকেই জনসম্মুখে তিনি খুব একটা আসেননি। তবে, বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি জাতির উদ্দেশ্যে এই প্রথম বড় ধরনের ভাষণ দেন। এক আবেগঘন বার্তায়, তিনি দেশের সকল নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত অস্থিতিশীলতার মেঘ দূর করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।

স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ভারত সীমান্তবর্তী সুনসারি জেলার একটি গ্রামে গত রবিবার একটি হিন্দু শোভাযাত্রায় উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং ধর্মীয় পতাকা টানানো নিয়ে হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়, যা সহিংসতার জন্ম দেয়। পুলিশ গুলি চালালে স্থানীয় বলছে, সেখানে দুজন নিহত হন। পুলিশ মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে নিশ্চিত করেছেন। এরপর, বৃহস্পতিবার পার্শ্ববর্তী সিরাহা জেলায় কারফিউ জারির পরও সহিংসতার কারণে আরও একজন তরুণের মৃত্যু ঘটে। নতুন করে সংঘাত এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে বর্তমানে সুনসারি এবং এর সংলগ্ন পুরো জেলাগুলোর জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য কঠোর কারফিউ বলবৎ রাখা হয়েছে।

পরিস্থিতির সার্বিক দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ বলেন, আমি সরকারের পক্ষ থেকে সকল সাধারণ নাগরিক, সুশীল সমাজ, ধর্মীয় সম্প্রদায়, শ্রদ্ধেয় নেতৃবৃন্দ, সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাছে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করার এবং দেশের শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। তিনি একই সাথে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার আশ্বাসও ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ নজরদারিতে রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে পুলিশ মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে জানান, আমরা মাঠপর্যায়ে কর্তব্যরত সমস্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছি। জনগণের জানমাল রক্ষা করা এবং যেকোনো ধরনের সংঘাতময় পরিস্থিতি প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে ন্যূনতম শক্তি প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, নেপালের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশই হিন্দু ধর্মাবলম্বী, কিন্তু দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলিম জনগোষ্ঠী বসবাস করে। বর্তমানে পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন শান্তি ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সংকটে ব্রিকসের বড় পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


ইরান সংকটে ব্রিকসের বড় পরীক্ষা

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক সংঘাত এখন আর কেবল সাময়িক সংকট হিসেবেই দেখা যাচ্ছে না। বরং এটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির এক স্থায়ী বাস্তবতায় পরিণত হতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরেশিয়া অঞ্চলে উদ্ভূত এই নতুন অস্থিরতা আগামী বহু বছর ধরে গোটা বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করতে চলেছে।

ইরানের এই সংকট কেবল তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং ইরান ব্রিকস এবং সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। রাশিয়ার সাথে পশ্চিমা বিশ্বের সংঘাত যেমন ইউক্রেন যুদ্ধের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে প্রতিফলিত হয়, তেমনটি ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরিতা সরাসরি প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে একটি বিভক্ত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ব্রিকস ও এসসিওর মতো সংস্থাগুলো কতটুকু এবং কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

উভয় জোটের জন্ম হয়েছিল দুই হাজারের দশকের শুরুতে পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থার সংকটের ফলস্বরূপ। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পরিচালিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং ইরাক আক্রমণ যখন বিশ্ববাসীকে বুঝতে সক্ষম করে দেয় যে একমেরুর বিশ্বব্যবস্থা স্থিতিশীলতা বা নিরপেক্ষ নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ, তখনই ইউরেশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য ২০০১ সালে এসসিও এবং ২০০৯ সালে ব্রিকস আত্মপ্রকাশ করে।

যাহোক, কোন জোটই সরাসরি পশ্চিমাবিরোধী বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করে না। এ সংযম দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথমত, পশ্চিমাদের প্রতি ভিন্ন মত পোষণকারী দেশগুলোকে এক ছাতার নিচে রাখা। দ্বিতীয়ত, গ্লোবাল মেজরিটির যেসব দেশ একই সাথে চীন-রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চাইছে, তাদের দূরে না ঠেলাও ছিল। ফলে ব্রিকস ও এসসিও সাধারণ ঐক্যমতের নীতিতে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে এসেছে।

তবে এই মধ্যপন্থার কৌশল এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি করেছে। যদি পশ্চিমারা কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারতো, তবে এমন জোট গঠনের প্রয়োজনই হতো না। তাই বিলম্বিত হলেও সংস্থা দুটিকে উত্তর-পশ্চিম ব্যবস্থার প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা ইরান সংকটকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

এই সংঘাত জোটের ভেতরের মতপার্থক্যও সামনে নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কেবল রাশিয়াই স্পষ্ট নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে চীন, ভারতসহ অন্যান্য সদস্যরা অনেক বেশী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে, যা সমন্বিত কোনো রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে।

একই সময়ে সংঘাতটি কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। প্রথমত, পার্সি উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জ্বালানি পরিবহনের দীর্ঘদিনের স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির সম্মুখীন। রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো নিজস্ব সম্পদ সমৃদ্ধ কোনো দেশের জন্য এটি সামাল দেওয়া সহজ হলেও চীন ও ভারতের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।

দ্বিতীয়ত, পরিবহন এবং লজিস্টিকস খাতে নতুন সংকট হানা দিয়েছে। রাশিয়াকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সাথে যুক্ত করার জন্য আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডোরে ইরানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত পর্যায়ক্রমে এই অঞ্চলে বিনিয়োগ এবং পরিকল্পনার জটিলতা তৈরি করবে। এর সাথে যদি ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে, তবে মধ্য এশিয়ার অর্থনৈতিক কৌশলগুলোও পুনর্বিন্যাস করতে হবে।

তৃতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যে আঞ্চলিক মিত্র ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে চাপ বাড়ছে। মার্কিন বৈরিতার ফলে অঞ্চলটির ধনী উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো নিজেদের ইসরায়েলের মতো সম্পূর্ণ সামরিকীকৃত সমাজে পরিণত করতে চাইছে না। ফলে তাদের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে।

তবে এই সংঘাত ব্রিকস ও এসসিওর জন্য একটি সুযোগও তৈরি করে। যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্ব এখন আর বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বা উন্নয়নের কাণ্ডারি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। বরং অনেকেই তাদের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার উৎস হিসেবে দেখছে। ওয়াশিংটনের উপর ইরানকেন্দ্রিক দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত তাদের কূটনৈতিক মনোযোগকে ক্ষয় করবে এবং একাধিক সংকট একসাথে সামলানোর সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এর সুবিধা নেয়ার জন্য ব্রিকসকে কোনো কঠোর উগ্র জোট হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রতিটি দেশের ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থ থাকা সত্ত্বেও নমনীয়তার সাথে কাজ করাই এই সংস্থাগুলোর আসল শক্তি। পশ্চিমা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যেভাবে কমছে, তাতে ব্রিকস ও এসসিও কৃত্রিম ঐক্য তৈরির চেষ্টা না করে নিজেদের নমনীয় ও সমন্বয়বাদী কাঠামো বজায় রাখলেই তাদের প্রাসঙ্গিকতা ও প্রভাব ভবিষ্যতে স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

আরটির বিশ্লেষণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে বেরোবি উপাচার্যের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে বেরোবি উপাচার্যের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিকসহ সব ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে 'জিরো টলারেন্স' নীতির ঘোষণা দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।


বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত 'পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ' শীর্ষক প্রকল্পের কিক-অফ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে  নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার আদর্শ স্মরণ করে উপাচার্য  বলেন, "বেগম রোকেয়া বিশ্বাস করতেন যে, ভীতি, বৈষম্য বা সহিংসতায় সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী পিছিয়ে থাকলে অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাঁর দেখানো আদর্শকে পাথেয় করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"


তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি সমাজেরই একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু ব্যক্তি উদ্যোগ নয়, প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন। আমরা অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, গোপনীয় এবং ভুক্তভোগীবান্ধব করতে কাজ করছি।"


শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, "আমাদের লক্ষ্য একটাই—ক্যাম্পাসে যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোনো ধরনের ভয়, বৈষম্য বা হয়রানি ছাড়াই পড়াশোনা, কাজ এবং নিজেদের বিকাশের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স।"


অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক মোসা. জেসমিন পারভীনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএন উইমেন, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


জোরারগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা-পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার আসামি সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় গত ৩০ জুলাই সকাল ১০টার দিকে আবুরহাট এলাকা থেকে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ইছাখালী ইউনিয়নের পূর্ব ইছাখালী গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম (৩২) ও মোঃ শেখ কামাল (২৮), মিঠানালা ইউনিয়নের রহমতাবাদ গ্রামের মোঃ আলমগীর (৩০) এবং কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর গ্রামের মোঃ রাসেল (২৬)। তাঁদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৫১১ ধারায় নিয়মিত মামলা (মামলা নম্বর-২৩, তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬) রয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতে জোরারগঞ্জ থানার এসআই মোঃ সাদ্দাম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ নাইট ডিউটি করার সময় বারইয়ারহাট বাজারের রেলগেইট সংলগ্ন এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা অবস্থায় মোঃ জহির উদ্দিন (২৮) নামের আরেক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। তিনি ইছাখালী ইউনিয়নের চরশরৎ বাংলা বাজার এলাকার বাসিন্দা। তাঁকেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানা-পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%