ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন


জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ওলামা সামিটের মাধ্যমে পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এবং সেক্রেটারি মুফতি রেজাউল করীম আবরারসহ প্রাথমিক কমিটি প্রকাশ করা হয়।

রোববার বিএমএ মিলনায়তনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদ্রাসায় শিক্ষালাভ করেছেন অথবা মাদ্রাসা ও উলামায়ে কেরামের সঙ্গে যুক্ত—এমন ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

তিনি আবারও বলেন, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মাদ্রাসার সঙ্গে বা উলামায়ে কেরামের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা অত্যন্ত কম। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর) দেশে ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৬টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে উলামা ও মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য, বললেই চলে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সমাজে অপরাধ দমনে উলামায়ে কেরামের ভূমিকা কতখানি ব্যাপক। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামগ্রিকভাবে উলামায়ে কেরামকে গণহারে দোষারোপ করা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ একই সঙ্গে উলামায়ে কেরামকে সতর্ক করে বলেন, ‘সাদা পোশাকে দাগ বেশি দেখা যায়। সে কারণে মাদ্রাসা ও উলামায়ে কেরামকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা মানুষের মনে আলেম সমাজের শান বা মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় প্রকল্পে অনিয়ম, ৬ কর্মকর্তা ও ২ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


খুলনায় প্রকল্পে অনিয়ম, ৬ কর্মকর্তা ও ২ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

খুলনায় শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)-এর ছয় কর্মকর্তা এবং দুই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুদকের খুলনার উপসহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, খান লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও প্রকল্পের লিড পার্টনার মো. আতাউর রহমান, মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকল্পের পার্টনার শেখ মাহাবুব রহমান, কেডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সাবিরুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরমান হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন, সহকারী প্রকৌশলী বাসুদেব কুমার বিশ্বাস এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ ওয়াহিদুজ্জামান।

এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন না করেও সম্পন্ন দেখিয়ে বিল প্রদান এবং প্রায় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছে দুদক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলে নির্বিঘ্ন চলাচল সেতুতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


দুর্গাপূজায় বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলে নির্বিঘ্ন চলাচল সেতুতে

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেলেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও টানেল, যেমন পদ্মা ও যমুনা সেতু, এ সময় যান চলাচল ছিল নির্বিঘ্ন।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎসবকালীন সময়ে বড় ধরনের যানজট বা দুর্ঘটনা ছাড়াই যানবাহন পারাপার নিশ্চিত করেছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের নির্দেশনায় সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আজ রোববার সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনে পদ্মা সেতুতে এক লাখ ৬০ হাজার ৬১৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ১৭ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার ২৫০ টাকা।

গত বছর একই সময়ে সেতুটি দিয়ে এক লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ১৫ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা।

এখন দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় এবার পদ্মা সেতুতে ২৩ হাজার ৬৪৬টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। যানবাহন পারাপার বেড়েছে প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। একই সঙ্গে টোল আদায় বেড়েছে এক কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা।

এদিকে, যমুনা সেতুতেও যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় বেড়েছে। ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনে এ সেতু দিয়ে এক লাখ ৭৩ হাজার ৪০১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এতে টোল আদায় হয়েছে ১৪ কোটি ৮২ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা। গত বছর একই সময়ে এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ১২ কোটি ৮৩ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা।

গত বছরের তুলনায় এবার যমুনা সেতুতে ২৩ হাজার ৯৩৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় বেড়েছে এক কোটি ৯৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

তবে কর্ণফুলী টানেলে যানবাহন পারাপার কিছুটা কমেছে। এবারের দুর্গাপূজার ছয় দিনে টানেলটি দিয়ে ২৭ হাজার ৯১৩টি যানবাহন চলাচল করেছে।

এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ৭৯ লাখ ২৪ হাজার ৬৫০ টাকা। গত বছর একই সময়ে ২৯ হাজার ৮৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ৮০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫০ টাকা।

অন্যদিকে, মুক্তারপুর সেতুতে যানবাহন পারাপার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনে সেতুটি দিয়ে ৭৮ হাজার ৭৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৪০ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৫ টাকা। গত বছর একই সময়ে ৫৮ হাজার ৯৪৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ৩৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৫ টাকা। অর্থাৎ, এবার সেতুটিতে ১৯ হাজার ৭৯৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

উৎসবকালীন সময়ে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সেতু ভবনে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়। সেখান থেকে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভির মাধ্যমে সেতু ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প এলাকার যান চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট সাইট অফিসগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখা হয়। সেতুর ওপর কোনো যানবাহন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে থেমে গেলে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সিসিটিভির মাধ্যমে তা শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট সাইট অফিসকে অবহিত করা হতো।

পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে যানবাহন সচল করা এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নিতেন। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে ০১৭০০৭১৬৪৬৫ নম্বরে একটি হটলাইনও চালু করা হয়।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে যান চলাচল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যমুনা সেতুর অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। এ সময় তিনি দেখতে পান, যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও যমুনা সেতু এলাকায় উল্লেখযোগ্য যানজট সৃষ্টি হয়নি।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যাত্রীদের যাতায়াত স্বস্তিদায়ক করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এ ছাড়া পদ্মা ও যমুনা সেতুর পাশাপাশি ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল, বিআরটি প্রকল্প এবং মুক্তারপুর সেতু ও পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় সার্বক্ষণিক তদারকি করা হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট সাইটগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন।

সেতু কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এবারের দুর্গাপূজায় যানবাহনের চাপ সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি, সার্বক্ষণিক নজরদারি, দ্রুত জরুরি সেবা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সাইট অফিস, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং টোল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।

উৎসবকালীন সময়ে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের পরিসংখ্যান দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও টানেলের পরিচালন সক্ষমতা এবং বাড়তি যানবাহনের চাপ মোকাবিলায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এসপি তানিয়া বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এসপি তানিয়া বরখাস্ত

পুলিশ সুপার ড. তানিয়া আনসারী, যিনি কানাডায় অবস্থান করছেন, তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বিভাগীয় মামলার পর, যেখানে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার আওতায় পড়ে।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ড. তানিয়া আনসারী বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন এবং তিনি পূর্বে ঢাকা পুলিশ টেলিকমে পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তানিয়া আনসারীকে ২০২৫ সালের ১০ মে থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি ও মানবসেবায় লাল-সবুজের পতাকা উজ্জ্বল করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি ও মানবসেবায় লাল-সবুজের পতাকা উজ্জ্বল করছেন

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : সিয়েরা লিওন, হাইতি, দক্ষিণ সুদান এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতকবলিত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

জাতিসংঘের পতাকার পাশে লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ, প্রকৌশল সহায়তা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ করছেন।

তাঁদের মানবিক উদ্যোগগুলো স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

জাতিসংঘের দক্ষিণ সুদান মিশনের (ইউএনএমআইএসএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চে ওয়াউ এলাকায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা চার শতাধিক বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

চিকিৎসা ও ওষুধ পেতে সেখানে রোগীদের দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

এর আগে, ২০১৭ সালে একই এলাকায় আরেকটি চিকিৎসা কার্যক্রমে ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত তিন শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দাকে চিকিৎসা প্রদান করেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা।

এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংঘাতকবলিত মানুষের জরুরি প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দলে সদস্য পাঠানোর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও এ কার্যক্রমে যুক্ত হয়।

এরপর থেকে আফ্রিকা, এশিয়া এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের সদস্যরা।

সিয়েরা লিওন, হাইতি, লাইবেরিয়া, সোমালিয়া, কম্বোডিয়া, আইভরি কোস্ট, সুদান, দক্ষিণ সুদান ও কঙ্গোসহ বিভিন্ন দেশে তাঁদের অবদান রয়েছে।

সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধের পর শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (এএফডি)-এর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত জাতিসংঘের ৪৩টি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ৫ হাজার ৫৬৮ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।

এছাড়া, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মোট ১ হাজার ৯৭৭ জন নারী সদস্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

ওয়েবসাইটে বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে বর্তমানে নিয়োজিত ২৮৮ জন নারী সামরিক সদস্যের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ২৭৪ জন, নৌবাহিনীর সাতজন এবং বিমানবাহিনীর সাতজন রয়েছেন। তবে, এসব তথ্য সর্বশেষ কবে হালনাগাদ করা হয়েছে, তা ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়নি।

অন্যদিকে, হাইতিতে বাংলাদেশ পুলিশের ১৬০ সদস্যের নারী পুলিশ ইউনিট ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তা কার্যক্রম, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুনর্গঠন-সংশ্লিষ্ট কাজে অবদান রাখেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ১ হাজার ৯৭৭ জন নারী সদস্য এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়েছেন।

বর্তমানে ২৮৮ জন নারী সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন বলে ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ২৭৪ জন, নৌবাহিনীর সাতজন এবং বিমানবাহিনীর সাতজন রয়েছেন। তবে তথ্যগুলোর সর্বশেষ হালনাগাদের তারিখ উল্লেখ নেই।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুই নারী কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না-ই-লুৎফী কঙ্গোতে জাতিসংঘ মিশনে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় নারী ও শিশুদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ চিহ্নিত করতে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে ফিমেল এনগেজমেন্ট টিম চালু করে।

শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান এসেছে ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের বিনিময়ে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে বহু বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন।

তাঁদের পেশাদারিত্ব, সাহস এবং মানবিক সেবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা সুদৃঢ় করেছে।

সংঘাতবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাঁরা আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলছেন।

বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের হাতে বহন করা লাল-সবুজের পতাকা তাই শুধু জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক নয়; এটি বিশ্বশান্তি, মানবিক সংহতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%