বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৩ পি.এম
বগুড়ায় বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কখনো মাঝারি আবার কখনো মুষলধারে হওয়া এই বৃষ্টির ফলে মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে। সাতমাথা সহ শহরের প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ময়লা পানি সড়কে উপচে পড়ছে। ফলে চলাচলরত পথচারীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল তিনটা থেকে রাত পর্যন্ত শহরে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে, জলাবদ্ধতার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। তার সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জলাবদ্ধ কবলিত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি দেখেন এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শনের পর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন জলাবদ্ধতার বর্তমান অবস্থা এবং নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। তিনি বলেন, "শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিহ্নিত করে সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে।"
পর্যবেক্ষণে জানা যায়, বৃষ্টির তীব্রতা এবং ড্রেনগুলোর পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ থাকায় শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা, শেরপুর রোড, বড়গোলা, সূত্রাপুর, চকসূত্রাপুর, কান্দাপাড়া, পার্ক রোড ও নারুলিসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। অনেক স্থানেই রাস্তাঘাট পানির নিচে চলে যাওয়ায় রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এসব কারণে, অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
এম আর ইসলাম স্বাধীন জানান, বগুড়া মহানগরে জলাবদ্ধতা ও যানজট একদিনের সমস্যা নয়। এই সমস্যা প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছরের চলমান বিষয়। তিনি নগরবাসীর কাছে এই সমস্যার সমাধানের জন্য তিন মাসের সময় চেয়েছেন, এবং বলেন যে, "এর মধ্যেই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।" তিনি আরও বলেন, মহানগরের অধিকাংশ ড্রেন ফাস্টফুডের পরিত্যক্ত প্যাকেটে ভরপুর হয়ে রয়েছে। এর কারণে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা জলাবদ্ধতা তৈরি করছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে যানজট ও জলাবদ্ধতা দূর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০ দিনের সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দেশে। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, ফিলিপাইনের ম্যানিলা এবং পরে মালদ্বীপ সফর করবেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রথমে নিউ ইয়র্ক যাবেন। সেখানে ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন। নিউ ইয়র্ক সফর শেষে তিনি ম্যানিলায় অনুষ্ঠেয় আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামে (এআরএফ) যোগ দেবেন।
এরপর তিনি যাবেন মালদ্বীপ।
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা ৩০ জুলাই, মালে থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও দলটিকে ঘিরে বিতর্ক থেমে নেই। বিশেষ করে মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের রেফারিং, টুর্নামেন্টজুড়ে সর্বোচ্চ পেনাল্টি প্রাপ্তি এবং ফাউলের তুলনায় খুব কম হলুদ কার্ড দেখার কারণে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, আর্জেন্টিনা কি বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। এই বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিবিসি কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।
শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পর মিশরের কোচ হোসান হাসান অভিযোগ করেন, ম্যাচে তার দল অবিচারের শিকার হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতেই রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার পক্ষে গেছে। পরবর্তীতে মিশর ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক একটি অভিযোগও জমা দেয়।
তবে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এসব অভিযোগের জবাবে বলেন, মাঠে রেফারি যা দেখেননি, প্রয়োজন হলে ভিএআর সেটি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানায়। একই ধরনের সব পরিস্থিতিতে একই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আগে বল স্পর্শ করা এবং স্বাভাবিক সংস্পর্শের ক্ষেত্রে ফাউল নাও হতে পারে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে ফাউলের তুলনায় আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় সর্বনিম্ন হলুদ কার্ড দেখেছে। ৫৯টি ফাউলের বিপরীতে তারা পেয়েছে মাত্র তিনটি হলুদ কার্ড। প্রতি ১৯ দশমিক ৭ ফাউলে একটি করে কার্ড দেখেছে দলটি। এই তালিকায় তাদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে শুধুমাত্র নরওয়ে।
অন্যদিকে চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত স্বীকৃত তিনটি পেনাল্টি পেয়েছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে দুটি পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি। ইংল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড দুটি করে এবং বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নরওয়ে একটি করে পেনাল্টি পেয়েছে।
টুর্নামেন্টের শুরুতে আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্দির সঙ্গে মেসির একটি ট্যাকল নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সমালোচকদের দাবি, ঘটনাটি ভিএআরে পর্যালোচনা করা হয়নি এবং মেসি কোনো কার্ডও দেখেননি। পরে একই ধরনের কোনও ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগুন লাল কার্ড দেখায়, যা কারণে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বিশ্বকাপের ড্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিবিসি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দলকে চারটি আলাদা কোয়ার্টারে রাখায় আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড তুলনামূলকভাবে সহজ পথ পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও শেষ ষোলোর দুই ম্যাচেই কেপ ভার্দে ও মিশরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে কঠিন জয় পেয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
এই বিতর্ক আরও বেড়িয়ে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচের রেফারি নিয়োগ ঘিরে। এই ম্যাচে প্রধান রেফারি, দুই সহকারী, চতুর্থ কর্মকর্তা এবং রিজার্ভ কর্মকর্তাগণ সবাই আর্জেন্টিনার রয়েছেন, যত কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ফিফার কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র কোরআনের নির্দেশনার আলোকে পৃথিবীর সব সৃষ্টির যত্ন ও পরিচর্যার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে, তিনি বক্তব্যের একস্থানে পবিত্র কোরআনের সুরা আল-বাকারার ২৯ নম্বর আয়াতের উল্লেখ করে তা অনুসরণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবসমাজের সম্পর্ক পরিবেশের ভারসাম্য বা ইকো সিস্টেমের সঙ্গে একেবারে অবিচ্ছেদ্য।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে পবিত্র কোরআনের সুরা আল-বাকারার ২৯ নম্বর আয়াত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তিনি সেই সত্তা, যিনি পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সব তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন।’
এই আয়াতের গভীর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের চারপাশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ যেমন নদী-নালা, গাছপালা, কীট-পতঙ্গ, বন্য কিংবা গৃহপালিত প্রাণী—আল্লাহর সকল সৃষ্টি মানুষের উপকারের জন্য।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, প্রকৃতি থেকে শুধু সুবিধা নিলেই হবে না, বরং এর সুরক্ষায় মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আল্লাহর সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে চাই, তাহলে মানুষ হিসেবে আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। প্রকৃতির সব সৃষ্টির যথাযথ যত্ন ও পরিচর্যা মানবসমাজের নৈতিক দায়িত্ব।’
বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের অভাবনীয় উৎকর্ষের প্রসঙ্গ টেনে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান আজ প্রমাণ করেছে যে, মানবসমাজের সঙ্গে ইকো সিস্টেমের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। এই ইকো সিস্টেমের নিরাপদ লালন ও বিকাশের সঙ্গে মানবসমাজের নিরাপদে বেড়ে ওঠা জড়িত। তাই পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের অস্তিত্বের একটি অঙ্গ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণ না হলেও একটি অনন্য কীর্তি গড়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে মেক্সিকো। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় হলেও ফিফার অফিশিয়াল র্যাঙ্কিং অনুযায়ী এবারের বিশ্বকাপে নবম সেরা দলের স্থানটি অর্জন করেছে ‘এল ত্রি’রা। এতে টুর্নামেন্টের শীর্ষ ১০ দলের তালিকায় স্থান পাওয়ার পাশাপাশি ফুটবল পরাশক্তিরা যেমন ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির মত দলের তুলনায় তাদের অবস্থান উন্নত হয়েছে।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর খেলা পর্ব শেষে, ফিফা বিদায় নেওয়া দলগুলোর একটি চূড়ান্ত তালিকা ও অবস্থান প্রকাশ করে। সেই তালিকায় মেক্সিকোকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে দেখানো হয়েছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে অর্জিত মোট পয়েন্ট, গোল ব্যবধান এবং গোলসংখ্যা এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। হাভিয়ের আগুইরের শিষ্যরা গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয় নিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট অর্জন করে। এরপর তারা শেষ বত্রিশের ম্যাচে ইকুয়েডরকে হারিয়ে নিজেদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। টুর্নামেন্টে মোট ৩টি গোল হজম করে এবং প্লাস সেভেন গোল ব্যবধান থাকার ফলেই মেক্সিকো এই মর্যাদাপূর্ণ নবম স্থানটি নিজেদের করে নিয়েছে।
এই তালিকায় মেক্সিকোর নিচে অবস্থান করছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল। সেলেসাওরা শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপের দুই পরাশক্তি নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি শেষ বত্রিশের ম্যাচেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ায় তারা মেক্সিকোর তুলনায় বেশ পিছিয়ে পড়েছে।
ঘরের মাঠে ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় মেক্সিকান সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা হতাশা থাকলেও ফুটবল বিশ্লেষকরা এই অর্জনকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে এটি মেক্সিকোর সেরা পারফরম্যান্স। বিদায়ের পর ফুটবলার হেসুস গ্যালার্দোকে মারিয়াচি ব্যান্ড দলের সঙ্গে ফ্যানদের গান গেয়ে বিদায় জানানোর দৃশ্যই প্রমাণ করে যে, দেশটির মানুষের ওপর দলের প্রতি আস্থা কতটা বেড়েছে। এই নবম স্থান مেক্সিকোর ফুটবলের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে, যা আগামী দিনে তাদের বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্যের স্বপ্ন দেখাবে।
সূত্র: মার্কা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ