ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবুধাবিতে ম্যানচেস্টার সিটির ব্র্যান্ডযুক্ত বিলাসবহুল ভিলা কিনলেন হালান্ড


আবুধাবিতে ম্যানচেস্টার সিটির ব্র্যান্ডযুক্ত বিলাসবহুল ভিলা কিনলেন হালান্ড

ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬ : আর্লিং হালান্ড, যিনি ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার হিসেবে পরিচিত, আবুধাবিতে একটি নতুন আবাসন প্রকল্পের অধীনে ম্যানচেস্টার সিটির ব্র্যান্ডযুক্ত একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিক হয়েছেন। এই তথ্য নিজেই নিশ্চিত করেছেন হালান্ড। নরওয়ের এই ফুটবলার তাঁর পরিবারের জন্য পাঁচ শয়নকক্ষের একটি ভিলা কিনেছেন।

ম্যানচেস্টার সিটি ইয়াস রেসিডেন্সেস বাই ওহানা আবাসন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে হালান্ড এই ঘোষণা দেন। ইয়াস আইল্যান্ডের পাশে ইয়াস খালের তীরে অবস্থিত এই প্রকল্পটি ১ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন বর্গমিটার জায়গাজুড়ে গড়ে উঠছে, যেখানে ২ হাজারের বেশি বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে টাউনহাউস, ডুপ্লেক্স ভিলা এবং বড় আকারের পারিবারিক বাড়িও থাকবে। বর্তমানে নির্মাণকাজ চলছে এবং ধাপে ধাপে বাড়িগুলো ২০২৯ সালের মধ্যে হস্তান্তর শুরু হবে।

প্রকল্পের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ইতিহাদ অ্যারেনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হালান্ডের এই ঘোষণা আসে। অনুষ্ঠানে ৪ হাজারের বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ফেডারেশন কাপের ম্যাচে সিটি ক্লাবকে ২-০ গোলে হারাল বসুন্ধরা কিংস

ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলাকে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত গার্দিওলা পেশাদার ফুটবলের বাইরেও দলগত কাজ, শৃঙ্খলা ও সুস্থতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক খেলোয়াড় এবং হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ডও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ওই আবাসন এলাকায় নিজের কেনা বাড়ির চাবি গ্রহণ করেন।

ম্যানচেস্টার সিটির ব্র্যান্ডিংকে কেন্দ্র করে প্রকল্পটি সাজানো হচ্ছে। পরিকল্পনায় রয়েছে একটি বিশেষ পার্ক, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ একাডেমি। পাশাপাশি ফুটবল মাঠ, টেনিস ও বাস্কেটবল কোর্ট, শরীরচর্চার সুবিধা এবং বিনোদনের বিভিন্ন জায়গা থাকবে।

প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে দুই ও তিন শয়নকক্ষের টাউনহাউস, ডুপ্লেক্স ভিলা এবং চার ও পাঁচ শয়নকক্ষের ভিলা নির্মাণ করা হবে। আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে আবাসন প্রকল্পে প্লট ও বাড়ি বিক্রি শুরু হবে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তালিকা অনুযায়ী, দুই শয়নকক্ষের টাউনহাউসের গড় দাম ৩৭ লাখ ৫০ হাজার আমিরাতি দিরহাম।

আরও পড়ুন: কোনো ইংলিশকেই ইংল্যান্ডের কোচ হওয়া উচিত: স্টিফেন ফ্লেমিং

এই ঘোষণার মাধ্যমে আবুধাবি ও ম্যানচেস্টার সিটির সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো। ক্লাবটির মালিকানার সঙ্গে আবুধাবির যোগসূত্র রয়েছে সিটি ফুটবল গ্রুপের মাধ্যমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেন্ডুলকার পরিবারে স্মৃতি মান্ধানাকে ইউনিসেফে স্বাগত জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


টেন্ডুলকার পরিবারে স্মৃতি মান্ধানাকে ইউনিসেফে স্বাগত জানালেন

ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬ : ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানাকে ইউনিসেফ ইন্ডিয়া পরিবারের নতুন সদস্য হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার। শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাটির নতুন সেলিব্রিটি অ্যাডভোকেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মান্ধানা। ভারতীয় ব্যাটারের জীবনে এই দায়িত্ব যুক্ত হলো একটি ব্যস্ত সপ্তাহের মধ্যে।

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে গত রোববার ইউনিসেফ ইন্ডিয়া মান্ধানার নিয়োগের ঘোষণা দেয়। নতুন দায়িত্বে তিনি শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগকে সমর্থন করবেন। বিশেষভাবে কিশোরীদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

টেন্ডুলকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “ইউনিসেফ ইন্ডিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাগত! মাঠে তুমি লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করো। আমার বিশ্বাস, মাঠের বাইরেও তুমি শিশুদের অধিকারের পক্ষে অসাধারণ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে।”

ভারতের সাবেক অধিনায়ক টেন্ডুলকার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি সংস্থাটির বিভিন্ন উদ্যোগকে সমর্থন করে আসছেন। ২০১৩ সালে তাঁকে দক্ষিণ এশিয়ায় ইউনিসেফের আঞ্চলিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পোলিও প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নয়নের মতো বিষয়েও তিনি প্রচারাভিযানে অংশ নিয়েছেন।

ভারতের নারী ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে মান্ধানার নাম ঘোষণার কয়েক দিন পরেই ইউনিসেফে তাঁর এই নিয়োগ এলো। তিনি হারমানপ্রিত কৌরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

২০১৩ সাল থেকে ভারতের হয়ে খেলা বাঁহাতি ব্যাটার মান্ধানার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। তাঁর নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু নারী প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) দুটি শিরোপা জিতেছে।

ইউনিসেফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন মান্ধানা। ক্রিকেটে তাঁর পথচলা তাঁকে সুযোগ ও উৎসাহের গুরুত্ব বুঝতে শিখিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মান্ধানা বলেন, “প্রতিটি শিশু ও তরুণেরই বড় স্বপ্ন দেখার এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকশিত করার সুযোগ পাওয়া উচিত।”

নতুন দায়িত্বে মান্ধানা নিজের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মেয়েদের খেলাধুলায় অংশ নিতে, নিজেদের লক্ষ্য অনুসরণ করতে এবং খেলাধুলা ও নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেতে উৎসাহিত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সদস্যরা শাড়ি ও লুঙ্গি পেয়ে আনন্দিত।

এ বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে কালিয়াকৈর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাপড়া মসজিদ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

দুই শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী ও পুরুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হবে। এবারের দুর্গাপূজা কালিয়াকৈর উপজেলায় ১৪৭টি পূজামণ্ডপে উদ্‌যাপিত হবে। প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন। এ উপলক্ষে সোমবার বিকেলে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাপড়া মসজিদ এলাকায় বস্ত্র বিতরণ করা হয়। অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৮নং শ্রমিক দলের সভাপতি ওসমান আলিফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশনের বিনোদন ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। তিনি উল্লেখ করেন, গরীব দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য তিনি সবসময় কাজ করে যাবেন। "আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন দানশীল ব্যক্তি। তার নেতৃত্বে আমরা গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে আছি।"

এ সময় বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য ফেরাতে নওগাঁয় দিনব্যাপী চিঠি উৎসবের আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য ফেরাতে নওগাঁয় দিনব্যাপী চিঠি উৎসবের আয়োজন

নওগাঁ, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ : ‘চিঠির পাতায় লেখা সত্যিকারের অনুভূতি কখনো মুছে ফেলা যায় না, মানুষ ভুলে গেলেও শব্দগুলো হৃদয়ে নিজের জায়গা করে রেখে যায়’ এই আবেগঘন প্রতিপাদ্য নিয়ে নওগাঁয় অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী ‘চিঠি উৎসব’।

নওগাঁ সরকারি কলেজ চত্বরে আজ সোমবার বাংলাদেশ ডাক বিভাগের উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া চিঠির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবে অংশগ্রহণ করেন কয়েক’শ শিক্ষার্থী।

আজ সকালে ডাক বিভাগ রাজশাহী অঞ্চলের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. রাকিব বিশ্বাস উৎসবের উদ্বোধন করেন।

উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ উপ ডাক বিভাগের পরিদর্শক মো. সানোয়ার হোসেন, নওগাঁ প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মু. হযরত আলী, বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারি সমিতির যুগ্ম মহাসচিব মো: ইদ্রিস আলী শেখ, শহর পরিদর্শক মো. সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

আজ সোমবার সকাল থেকেই নওগাঁ সরকারি কলেজ চত্বরে উৎসবের কারণে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বর্তমান যুগের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা খুদে বার্তার যুগে কাগজের পাতায় কলম ছুঁইয়ে মনের কথা প্রকাশের সুযোগটি তরুণ-তরুণীরা লুফে নেয়। ডিজিটাল যুগে চিঠির খাম ও ডাকটিকিটের চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা অনেকের কাছে ছিল একেবারে নতুন ও রোমাঞ্চকর।

দিনব্যাপী এ উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে প্রিয়জনের কাছে চিঠি পাঠানোর সুযোগ পায়। উৎসবস্থলে বসেই তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের মা-বাবা, ভাই-বোন ও ফেলে আসা শৈশবের বন্ধু কিংবা প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন চিঠি লেখেন। লেখার পর সেগুলো কলেজ চত্বরে স্থাপিত অস্থায়ী লাল ডাকবাক্সে জমা দেন।

উৎসবে অংশ নেওয়া নওগাঁ সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিয়ান শারমিন আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি কোনদিন কাগজে কলমে চিঠি লিখে কোথাও পাঠাইনি। এটিই প্রথম। আমরা তো সবসময় মেসেঞ্জারে বা ফোনে কথা বলি। কিন্তু আজ প্রথম নিজ হাতে একটা চিঠি লিখলাম। কাগজের পাতায় নিজের হাতে অনুভূতি লিখে পাঠানোর আনন্দটা যে এত বেশি হতে পারে, তা আজ চিঠি না লিখলে বুঝতেই পারতাম না।’

গণিত অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম ফয়সাল বাসসকে বলেন, ‘আমি সবশেষ ২০১১ সালে একটি চিঠি লিখেছিলাম। সেটি ছিলো প্রথম। আর আজ জীবনে দ্বিতীয়বার কাগজে চিঠি লিখলাম। চিঠি লেখার সুযোগ পেয়ে এবং বিনামূল্যে চিঠি পাঠাতে পেরে খুব ভাল লেগেছে। ডাক বিভাগের এমন আয়োজনে আমরা খুশি।’

এ সময় ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. রাকিব বিশ্বাস বাসসকে জানান, শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া চিঠিগুলো উৎসব শেষে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান যুগে দ্রুত যোগাযোগের অনেক মাধ্যম থাকলেও চিঠির গভীরতা ও চিরন্তন আবেদন অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে চিঠি লেখার এই সুপ্ত অভ্যাসকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে এবং ডাক বিভাগের সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডাক বিভাগের সেবা সমূহ ঢেলে সাজানো হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্পীড পোস্ট সার্ভিসের মাধ্যমে মালামাল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং এ সেবা গ্রহণ করে মানুষ ডাক সেবা গ্রহণে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মেডিকেলের মর্গে ৩ থেকে ৪০০ লাশের মধ্যে ছেলেকে শনাক্ত করলেন তাসলিমা আক্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


ঢাকা মেডিকেলের মর্গে ৩ থেকে ৪০০ লাশের মধ্যে ছেলেকে শনাক্ত করলেন তাসলিমা আক্তার

জুলাই বিপ্লবের উত্তাল সময়ের মধ্যে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন মোহাম্মদ ইসমাইল। এক পর্যায়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন তিনি। ঢাকা মেডিকেলে খোঁজ করতে গিয়ে মা জানতে পারেন, তার ছেলে বেঁচে নেই এবং তার লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। পরে মর্গে থাকা ৩ থেকে ৪০০ লাশের মধ্যে পোশাক দেখে তিনি ছেলেকে শনাক্ত করেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ শহীদ ইসমাইলের মা তাসলিমা আক্তারের জবানবন্দিতে এসব তথ্য উঠে আসে।

জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, "আমি শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা। আমার ছেলে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে আনুমানিক ৩টার সময় বাসা থেকে বের হয়ে আন্দোলনে যোগ দেয়।" ছেলের বন্ধু মনির ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে জানান, ইসমাইলকে আল্লাহ করিম মসজিদের সামনে দেখা গেছে এবং সে তাকে বাসায় ফিরে আসতে বলে। ছেলে বাসায় ফিরে না এসে আন্দোলনে থেকে যায়। তিনি জানান, "আমি আমার ছেলেকে ফোন করতে পারিনি, কারণ আমার ফোনে টাকা ছিল না।"

জবানবন্দিতে শহীদের মা বলেন, "পরে আমার বোন আকলিমা ছেলেকে ফোন দেয়, কিন্তু সে ফোন ধরে না।" কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তার বন্ধু কালু ফোন ধরে জানান, "ইসমাইল আপনার কে হয়।" তার বোন বলেন, "আমি তার খালা।" তখন কালু জানান, "ইসমাইল গুলি খাইছে। তাকে আমরা ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।"

তখন ঢাকা উদ্যান থেকে রিকশা নিয়ে তিনি, তার মা এবং বোনসহ ঢাকা মেডিকেলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিছু দূর যাওয়ার পর রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখে। তখন সেখানে কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ফজলে নূর তাপস ও বিপ্লব কুমার জোয়ার্দার অস্ত্রসহ উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তাসলিমা আক্তার বলেন, "আমরা রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পৌঁছাই।" তারা প্রথমে জরুরি বিভাগে যান, সেখানে গুলিবিদ্ধ বহু লোককে জীবিত ও মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তারা তলায় তলায় তার ছেলেকে খুঁজতে থাকেন। পরে একজন ডাক্তারকে তার ছেলেকে খুঁজে দিতে বললে, তিনি তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তার ছেলে নেই।

কিছুক্ষণ পর ডাক্তার মোবাইলে কিছু ছবি দেখান। ছবি দেখে তিনি ছেলেকে শনাক্ত করেন। ছেলে কোথায় আছে জিজ্ঞাসা করলে ডাক্তার তাকে মর্গে নিয়ে যান। মর্গে গিয়ে তিনি দেখেন, ৩০০ থেকে ৪০০ লাশ একটার ওপর একটা পড়ে আছে। ছেলের পরনের পোশাক দেখে তিনি চিনতে পারেন। তিনি দেখেন, তার মাথায় গুলি লেগেছে।

জবানবন্দিতে শহীদের মা আরও বলেন, "আমি ছেলের লাশ চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে, লাশ দেওয়া যাবে না। যার যার থানার ওসি এলে তারপর লাশ দেবে।" পরদিন সকাল ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর থানা থেকে সাইফুল দারোগা হাসপাতালে আসেন। এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে লাশ পেয়ে বাসায় নিয়ে আসেন। হাসপাতাল থেকে মামলা করব না, এই শর্তে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, "আমার ছেলেকে হত্যার জন্য শেখ হাসিনা, তাপস, নানক, কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, রাসেল, মোল্লা রুবেল, বিপ্লব কুমারসহ অনেকে দায়ী। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।" এ সময় সাক্ষী কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%