রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৯:০৯ এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে এক মনোরম পরিবেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের আঙিনায় সুপারি গাছের চারা রোপণ করেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।
বৃক্ষরোপণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক তানভীর আহমেদ, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি সবুজ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক।
এছাড়াও সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ, সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাবেক সভাপতি এনামুল হক সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এবং প্রাঙ্গণ সবুজায়নে বৃক্ষরোপণের তাগিদ দেন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,
"শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুন্দর ও সবুজ রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজকে আমরা এই চারা রোপণ করেছি। সুপারি গাছ যেমন এলাকাটির ঐতিহ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তেমনি পরিবেশ রক্ষায়ও এটি ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীরা যাতে সুন্দর ও সুস্থ পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বদা সচেষ্ট থাকব। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এভাবে বৃক্ষরোপণ ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন,
"আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় শুভকাজের অংশ হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় চারা রোপণ করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যবর্ধন ও সুন্দর পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত গাছের যত্ন নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুচিন্তিত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।
প্রধান শিক্ষক তানভীর আহমেদ বলেন,
"আমাদের স্কুলের আঙিনায় এই চারা রোপণ করায় আমি উপজেলা প্রশাসন ও উপস্থিত অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সবুজ ও সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ শিক্ষার সুষ্ঠু আবহ তৈরি করে। আমরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে রোপণ করা চারা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার মানবপাচার রোধে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকায় জাতিসংঘ হাউজে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপমহাপরিচালক (ডিডিজি) উগোচি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইওএম উপমহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের পর্যালোচনার জন্য। সেইসাথে ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মানবপাচার রোধ, অভিবাসন গভর্নেন্স, অভিবাসীদের সুরক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা দীর্ঘ দুই দশক ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে বিদ্যমান এ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুসংহত এবং সুদূরপ্রসারী হবে।
আইওএম উপমহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলস বাংলাদেশ সরকারের সাথে আইওএম-এর দীর্ঘদিনের টেকসই অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, আইওএম নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশকে যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত।
একই সাথে তিনি মানবপাচার রুখতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, মানবপাচার হল জঘন্যতম অপরাধ। বেশিরভাগ মানুষ লোভ, অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে এর শিকার হয়ে থাকে।
তিনি বলেন, আমরা মানবপাচার রোধে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে কাজ করছি। এর ফলে সীমান্ত অপরাধ ও মানব পাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার হবে।
মন্ত্রী আইওএম’র কাছে পাচারকারী চক্রের তালিকা আছে কিনা জানতে চাইলে সংস্থাটির ডিডিজি জানান, আমরা নিশ্চিতভাবে পাচারকারী চক্রকে শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারি। আমাদের এবং ইন্টারপোলের কাছে মানব পাচারের ট্রেন্ড বা প্রবণতা সম্পর্কিত তথ্য রয়েছে, যা আমরা শেয়ার করে থাকি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে পাঁচ দিনের (১ থেকে ৫ আগস্ট) সফরের অংশ হিসেবে আইওএম-এর উপমহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলস এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বাংলাদেশে আইওএম-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডেসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রশাসকদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে দ্রুত চালু করা হবে প্রস্তুত থাকা ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’। একই সাথে, সরকার দেশের সব ৩০ এবং ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মিলনায়তনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব খাতে পরিচালিত গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রশাসকদের ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে। একই সাথে, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া জন্য জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার প্রচুর গুরুত্ব দিচ্ছে। উলেখ্য, শুধু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক নিয়োগ দিলেই হবে না, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় এবং কোনও উপায় নেই।
তিনি আরও জানান, দেশের সব ৩০ এবং ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল ভিত্তি, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এই পর্যায়কে শক্তিশালী করা যায় তবে স্বাস্থ্যসেবার অনেক সমস্যার সমাধান ঘটানো সম্ভব হবে।
ড. এম এ মুহিত বলেন, জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি মাঠপর্যায় থেকেও প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করা প্রয়োজন।
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাছাই করে তিন থেকে ছয় মাস প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হলে দেশে দক্ষ গবেষক তৈরি হবে এবং মানসম্মত গবেষণার পথ আরও সহজ হবে।
জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার এখনই ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নয়। তিনি সিদ্ধান্ত নিতে চান ডিসেম্বর পর্যন্ত, সান্তোসে থাকবেন, নতুন ক্লাবে যোগ দেবেন নাকি ফুটবলকে বিদায় জানাবেন, এ সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁর অপেক্ষা আছে।
সাও পাওলোতে নেইমার জুনিয়র ইনস্টিটিউটের দাতব্য নিলাম অনুষ্ঠানে তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানান যে, ডিসেম্বর পর্যন্ত সান্তোসের সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তি রয়েছে এবং তিনি সেই চুক্তির পূর্ণ সম্মান রাখতে চান।
নেইমার বলেন, "আমি জানি না আর কত দিন খেলব। অবসর নেওয়ার কথা এখনো ভাবিনি, তবে কত দিন খেলতে পারব সেটাও জানি না। ডিসেম্বর পর্যন্ত সান্তোসের সঙ্গে আমার চুক্তি আছে। আমি সেই চুক্তি শেষ করতে চাই এবং এরপর সিদ্ধান্ত নেব এখানেই থাকব, অন্য কোথাও যাব, নাকি খেলা ছেড়ে দেব।"
তিনি আরো জানান, আপাতত ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমানেই মনোযোগ দিতে চান। তাঁর ভাষায়, "ডিসেম্বর আসতে এখনো অনেক সময় বাকি। তাই আমি এক ম্যাচ করে এগোতে চাই। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এখন আমি শারীরিকভাবে ভালো অনুভব করছি।"
এদিকে আজ বেলেমে গিয়ে সান্তোস দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে নেইমারের। কোপা দো ব্রাজিলের শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে সান্তোস রেমোর মুখোমুখি হবে। প্রথম লেগ গোলশূন্য ড্র হওয়ার ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে জয়ের বিকল্প নেই। ম্যাচটির জন্য নিজেকে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মজার ছলে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ে মন্তব্য করেন নেইমার। তিনি বলেন, "সান্তোসে কী হবে, সেটা খেলোয়াড় জানার আগেই সংবাদমাধ্যমে বেরিয়ে যায়। সাংবাদিকেরা তো আগেই লিখে ফেলেছেন আমি বেঞ্চে থাকব। তবে আমি কোচের জন্য শতভাগ প্রস্তুত। সুযোগ পেলে মাঠে নেমে দলকে সাহায্য করতে চাই।"
এর আগে গত ২৯ জুলাই কোপা সুদামেরিকানার নকআউট প্লে-অফ শেষে বিশ্বকাপের পর ব্রাজিল জাতীয় দল থেকে বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নেইমার। তখন তিনি বলেছিলেন, "জাতীয় দলে আমার সময় শেষ হয়েছে। ইতিহাস গড়েছি, সুখী ছিলাম। নিজের জীবন, রক্ত সবই দিয়েছি। হলুদ জার্সিতে সবসময় লড়াই করেছি। কিন্তু এখন আর এসব চাই না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্দে। তবে তাদের খেলা দেখে মনে হয়নি এটি ছিল তাদের অভিষেক টুর্নামেন্ট।
স্পেন এবং উরুগুয়ের মতো দুই বিশ্বকাপজয়ী দলের গ্রুপ থেকে কেপ ভার্দে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে।
তবে নক আউটে কেপ ভার্দের যাত্রা থামে। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর শেষ ৩২-এর স্তরে তারা আর্জেন্টিনার কাছে হারে। অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে পরাজয় গ্রহণ করার আগে, আফ্রিকার দেশটি বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার কাছে বেশ নাভিঃশ্বাস তুলে দিয়েছিল।
কেপ ভার্দের এই অভূতপূর্ব পারফরম্যান্সের নেপথ্য নায়ক হিসেবে কোচ বুবিস্তার অবদান অপরিসীম ছিল। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হতেই কেপ ভার্দের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। ৫৬ বছর বয়সী কোচ পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের ফলে সাড়ে ৬ বছরের অধ্যায় শেষ হল। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
বুবিস্তার পদত্যাগের কারণ হচ্ছে নতুন ক্লাব রেরকান। তিনি এখন মরক্কোর ক্লাবটির কোচ হয়েছেন। ক্লাবটির সঙ্গে তার নতুন চুক্তি হয়েছে এবং সেটা ২ বছরের। সর্বশেষ মৌসুমে মরক্কোর শীর্ষ লিগে দলটি রানার্সআপ হয়েছিল।
প্রথমে এই ক্লাবটির দায়িত্ব পালন করছিলেন মঈন শাবানি, কিন্তু তিনি তিউনিশিয়ার প্রধান কোচ হওয়ায় তার স্থলাভিষিক্ত হলেন বুবিস্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ