প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রশাসকদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে দ্রুত চালু করা হবে প্রস্তুত থাকা ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’। একই সাথে, সরকার দেশের সব ৩০ এবং ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মিলনায়তনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব খাতে পরিচালিত গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রশাসকদের ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে। একই সাথে, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া জন্য জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার প্রচুর গুরুত্ব দিচ্ছে। উলেখ্য, শুধু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক নিয়োগ দিলেই হবে না, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় এবং কোনও উপায় নেই।
তিনি আরও জানান, দেশের সব ৩০ এবং ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল ভিত্তি, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এই পর্যায়কে শক্তিশালী করা যায় তবে স্বাস্থ্যসেবার অনেক সমস্যার সমাধান ঘটানো সম্ভব হবে।
ড. এম এ মুহিত বলেন, জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি মাঠপর্যায় থেকেও প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করা প্রয়োজন।
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাছাই করে তিন থেকে ছয় মাস প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হলে দেশে দক্ষ গবেষক তৈরি হবে এবং মানসম্মত গবেষণার পথ আরও সহজ হবে।
জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন